Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
Chandigarh

আধার-সিম সংযোগের ‘ফাঁদ’! প্রতারকদের কবলে পড়ে ৮০ লক্ষ টাকা খোয়ালেন মহিলা

নিজেকে মুম্বইয়ের ক্রাইম ব্রাঞ্চের পুলিশ অফিসার বলে দাবি করেন প্রতারক।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৯, ২০২৪, ১৮:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৯, ২০২৪, ১৮:৫১

options
link
আধার-সিম সংযোগের ‘ফাঁদ’! প্রতারকদের কবলে পড়ে ৮০ লক্ষ টাকা খোয়ালেন মহিলা zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অনলাইন প্রতারণা বেড়ে চলেছে প্রতিনিয়ত। রোজই বহু গ্রাহক লক্ষ লক্ষ টাকা খোয়াচ্ছেন প্রতারকদের ফাঁদে পা দিয়ে। এবার সামনে এল চণ্ডীগড়ের (Chandigarh) এক মহিলার একসঙ্গে ৮০ লক্ষ টাকা হারানোর খবর। ‘টোপ’ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে আধার-সিম লিঙ্কের বিষয়টি।

ঠিক কী হয়েছিল? জানা গিয়েছে, ওই মহিলার কাছে ফোন আসে এক আগন্তুকের। তিনি নিজেকে মুম্বইয়ের ক্রাইম ব্রাঞ্চের পুলিশ অফিসার বলে দাবি করেন। ফোনে তিনি জানান, ওই মহিলার আধার (Aadhaar) তথ্য ব্যবহার করে একটি সিম তোলা হয়েছিল। সেই সিম ব্যবহারকারী ২৪টি আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত। যেহেতু সিমটি ওই মহিলার নামে, তাই যে কোনও সময় তাঁকে গ্রেপ্তার করতে পারে পুলিশ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: কাঠুয়া জঙ্গি হামলায় পাক-যোগ! ব্যবহৃত হয়েছিল মার্কিন অস্ত্র, প্রকাশ্যে বিস্ফোরক তথ্য]

স্বাভাবিক ভাবেই এই পরিস্থিতিতে ঘাবড়ে যান ওই মহিলা। এর পরই অফিসাররূপী প্রতারক চেয়ে বসেন ৮০ লক্ষ টাকা। দাবি করেন, একটি নির্দিষ্ট ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকাটি জমা করতে। যদি মহিলা নিরপরাধ প্রমাণিত হন, তাহলে তাঁর টাকা ফেরত দিয়ে দেওয়া হবে। সেই ‘ফাঁদে’ পা দিয়ে সত্যিই ওই টাকা দিয়ে দেন মহিলা। ক্রমে তিনি বুঝতে পারেন কী ভুল করে ফেলেছেন! কার্যতই ‘উধাও’ হয়ে যান প্রতারক। পরে তিনি সাইবার ক্রাইম শাখায় অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তকারীরা পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।

প্রসঙ্গত, যেভাবে অনলাইন প্রতারকরা প্রতি মুহূর্তে নতুন নতুন কৌশল অবলম্বন করে চলেছে তাতে জল যে বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে সে ব্যাপারে নিশ্চিত ওয়াকিবহাল মহল। তাই কয়েকটি বিষয় মাথায় রেখে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

[আরও পড়ুন: ‘হিন্দুত্ব নিয়ে বক্তব্য সম্পূর্ণ ঠিক’, রাহুল গান্ধীর পাশে শঙ্করাচার্য]

  • সবসময় কলারের পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে। মনে রাখবেন, কখনও ব্যক্তিগত তথ্য বা টাকা দেয়ে কোনও দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক ফোন করবেন না।
  • কোনও পরিস্থিতিতেই ফোনে আধার নম্বর বা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নম্বররে মতো সংবেদনশীল তথ্য দেবেন না।
  • কোনও তদন্তকারী সংস্থা কখনও ফোন করে এই ধরনের বিষয়ে কথা বলে না। যথাযথ আইনি পদক্ষেপ করে তারা।
  • কোনও সন্দেহজনক ফোন পেলে নিজের বন্ধু, আত্মীয় বা অন্য নিকটজনদের সঙ্গে পরামর্শ করুন। নিশ্চিত না হয়ে কোনও ধরনের পদক্ষেপ করবেন না।
  • সবচেয়ে যেটা জরুরি তা হল সতর্ক থাকা। কোন ধরনের অনলাইন প্রতারণা সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, সেবিষয়ে খবর থাকলে সহজে কোনও ফাঁদে ফেলা যাবে না।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.