সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের কারণেই নাকি বিলুপ্তি ঘটতে পারে মানব সভ্যতার! এমন আশঙ্কা নতুন নয়। সেই সঙ্গে আরও আশঙ্কা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে চাকরি হারাবেন অনেকেই। বিশেষ করে চ্যাটজিপিটির মতো বটের আবির্ভাবের পর থেকে সে সম্ভাবনা আরও জোরাল হয়েছে। যার ছায়া পড়েছে ডেভেলপারদের জগতেও। কিন্তু সেই সম্ভাবনায় ‘জল’ ঢাললেন গুগলের হেড অফ রিসার্চ ইয়োসি মাতিয়াস। জানিয়ে দিলেন, কোডিংয়ের মতো কাজের জন্য এখনও মানুষ ডেভেলপারদের থেকে বহু দূরে এআই।
সম্প্রতি টেক জায়ান্ট সংস্থার নিউ ইয়র্কের অফিসে বসে এক সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় মাতিয়াস বলেন, ”সকলকেই কোডিং শিখতে হবে।” সেই সঙ্গেই তিনি পরিষ্কার করে দেন, শৃঙ্খলাবদ্ধ হয়ে শেখাটা বরাবরের মতোই এখনও গুরুত্বপূর্ণ। তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ”এআই নির্দিষ্ট কাজে সাহায্য করতেই পারে। বিশেষত জুনিয়র স্তরে। কিন্তু সমগ্র কোডিং প্রক্রিয়াকে দখল করতে তার এখনও অনেক সময় লাগবে।”
তবে তিনি একথা বললেও প্রশ্ন উঠছে, এআই তো ইতিমধ্যেই কোড লেখার কাজ শুরু করে দিয়েছে। এর উত্তরও দিয়েছেন মাতিয়াস। জানিয়েছেন, এআই কোড লিখলেও তা খতিয়ে দেখার ভার মানুষদেরই। সুতরাং কোডিংয়ের চূড়ান্ত রূপ দেওয়া বিষয়টি এখনও এআইয়ের নাগালের বাইরে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে জুনিয়র ডেভেলপাররা যে চাপে পড়েছেন তাও মানছেন মাতিয়াস।
সাম্প্রতিক অতীতে এইচসিএলের প্রাক্তন সিইও বিনীত নায়ার দাবি করেছিলেন, ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে বড়সড় প্রভাব ফেলবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। যার ফলে অন্তত ৭০ শতাংশ মানুষকে ছাড়াই কাজ চালিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে। কিন্তু কোডিং নিয়ে ভিন্ন কথা শোনালেন গুগল কর্তা।
সর্বশেষ খবর
-
তাইল্যান্ড-কলকাতা মাদক চালান! পর্যটক সেজে মারাত্মক ‘মলি’ পাচারে এসে গ্রেপ্তার দুই বিদেশিনী
-
দিনেদুপুরে যুবককে গাড়িতে তুলে চম্পট! সল্টলেকে ‘ফিল্মি কায়দা’য় অপহরণের কিনারা পুলিশের
-
‘ছাত্রক্ষোভ রাজনৈতিক ফায়দা তোলার হাতিয়ার’, রাহুল গান্ধীকে তোপ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর
-
স্বাস্থ্য ভবনে পদোন্নতির ঝড়, মুখ্যমন্ত্রীর জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের বড় প্রমোশন
-
দায়িত্ব নিয়েছিলেন ১৮ দিন আগে, কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা লকেটের দাদার