Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Novak Djokovic

টিকা না নেওয়ায় হোটেলে বন্দি করে খাবারে বিষ! মেলবোর্নের অভিজ্ঞতা নিয়ে বিস্ফোরক জোকার

২০২২ সালে অস্ট্রেলীয় ওপেনে বিরাট বিতর্ক হয় জকোভিচকে ঘিরে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২৫, ১৩:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২৫, ১৩:৩৭

options
link
টিকা না নেওয়ায় হোটেলে বন্দি করে খাবারে বিষ! মেলবোর্নের অভিজ্ঞতা নিয়ে বিস্ফোরক জোকার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বন্দি অবস্থায় তাঁর খাবারে বিষ মিশিয়ে দেওয়া হয়েছিল! বিস্ফোরক দাবি করলেন নোভাক জকোভিচ (Novak Djokovic)। অস্ট্রেলীয় ওপেন খেলতে এসে জোকার সাফ জানালেন, হোটেলের খাবারে বিষ মেশানো হয়েছিল। বিষয়টি তিনি বুঝতে পারেন মেলবোর্ন থেকে সার্বিয়া ফেরার পরে। কিন্তু ২ বছর ধরে প্রকাশ্যে এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি জোকার।

২০২২ সালে অস্ট্রেলীয় ওপেনে বিরাট বিতর্ক হয় জকোভিচকে ঘিরে। করোনা অতিমারীর পরে অজি ওপেন কর্তৃপক্ষ জানায়, অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক খেলোয়াড়কে করোনার টিকা নিতে হবে। কিন্তু ভ্যাকসিন নিতে চাননি জোকার। তা সত্ত্বেও বিশেষ ছাড় দিয়েছিল অস্ট্রেলিয়ান ওপেন কর্তৃপক্ষ। কিন্তু জোকারের আচরণ মেনে নেয়নি অজি সরকার। ফলে দুপক্ষের মধ্যে শুরু হয় আইনি টানাপোড়েন।

Advertisement

প্রথমে বাতিল করে দেওয়া হয় বিশ্বের তৎকালীন এক নম্বর টেনিস তারকার ভিসা। তারপর থেকেই তাঁকে অস্ট্রেলিয়া থেকে বের করার চেষ্টা শুরু হয়। কিন্তু সেটা সম্ভব না হওয়ার কারণে সার্বিয়ান তারকাকে রাখা হয় ডিটেনশনে। মেলবোর্নের একটি হোটেলে বেআইনি অনুপ্রবেশকারী হিসাবে আটকে রাখা হয় জকোভিচকে। শেষ পর্যন্ত ভিসা মামলায় অজি সরকারের কাছে হেরে যান তিনি। ডিটেনশন পর্ব শেষে অস্ট্রেলিয়া থেকে কার্যত তাড়িয়ে দেওয়া হয় জোকারকে।

তবে এই বিশ্রী অভিজ্ঞতার পরেও মেলবোর্নে স্বমহিমায় ফিরে এসে অস্ট্রেলীয় ওপেনে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন জকোভিচ। ২৫তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের লক্ষ্যে চলতি বছরে ফের নামবেন অজি ওপেনে। তার আগেই বিস্ফোরক দাবি করলেন তিনি। সাফ জানালেন, “ওই সময়ে মেলবোর্নে যে হোটেলটায় আমি ছিলাম, সেখানে আমার খাবারে বিষ মেশানো হয়েছিল। আমি কিছুটা অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম। কিন্তু বুঝতে পারিনি ঠিক কী হয়েছে। পরে সার্বিয়ায় ফিরে জানতে পারি, আমার দেহে বিরাট মাত্রায় পারদ এবং সীসা পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু গত দুবছর ধরে কাউকে এই নিয়ে কিচ্ছু বলিনি।” এই অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে গোপনীয়তার দোহাই দিয়ে এড়িয়ে গিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রদপ্তর।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.