Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
Island

মেরু নয়, এবার ‘অরোরা’ সমুদ্রের তলদেশে! বাহামার অপূর্ব ছবি দেখে অবাক সকলে

বাহামায় জলের অন্দরে এমন রঙিন ছটার নেপথ্যে কোন ম্যাজিক?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৯, ২০২৬, ২২:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৯, ২০২৬, ২২:০৮

options
link
মেরু নয়, এবার ‘অরোরা’ সমুদ্রের তলদেশে! বাহামার অপূর্ব ছবি দেখে অবাক সকলে zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আকাশে মেরুপ্রভার কথা তো সকলে জানি। সম্প্রতি সোশাল মিডিয়ার দৌলতে সেই অপূর্ব সুন্দর দৃশ্যের ছবি সমতলে বসেও আমরা সকলে দেখতে পাই। এবার আরও চমকপ্রদ বিষয় সামনে এল। শুধু মেরুদেশের আকাশে নয়, এবার সমুদ্রের তলদেশেও ‘অরোরা’র ছটা! বাহামা দ্বীপপুঞ্জের অন্দর থেকেও রংবেরঙের আলো দেখা যাচ্ছে। এক নভোশ্চরের তোলা ছবি থেকে তা প্রকাশ্যে এসেছে। কোন ম্যাজিকে সমুদ্রে এমন রঙিন ছটা? তাও ব্যাখ্যা করেছে নাসা।

ছোট-বড় প্রায় হাজার তিনেক দ্বীপ নিয়ে গঠিত বাহামা। এর মূল আকর্ষণ প্রবাল দ্বীপ। বলা হয় বিপুল সামুদ্রিক ঐশ্বর্যের ভাণ্ডার লুকিয়ে রয়েছে এখানে। দ্বীপের বাঁকে বাঁকে এসব প্রবাল ও অন্যান্য রঙিন সামুদ্রিক প্রাণীদের দলবদ্ধ অবস্থান ভিন্ন রূপ ধারণ করে। কোনও কোনও দ্বীপ লাগোয়া জলতল এমনই স্বচ্ছ যে জলের ভিতর স্পষ্ট হয়ে ওঠে রঙের খেলা। এছাড়া বাহামার বেলাভূমিতেও নানা রঙের খেলা! কোথাও কোথাও বালির রঙে মিশে যায় প্রবাল দ্বীপের রং। আর তাতে ফুটে ওঠে অনন্য সৌন্দর্য। মহাকাশ থেকে বাহামা দ্বীপপুঞ্জের রূপই অন্য দেখায়। নাসার আর্থ অবজারভেটরির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, মহাকাশচারীদের কাছে সবচেয়ে চেনা জায়গা এটি। অর্থাৎ আকাশ থেকে নিচের দিকে তাকালে এমন রঙিন দ্বীপ দেখলেই তাঁরা বিলক্ষণ বুঝতে পারেন, এটাই বাহামা।

Advertisement
বাহামায় রঙিন ছটা!

মহাকাশ থেকে বাহামার দিকে তাকালে অদ্ভুত সব রঙের খেলা দেখতে পাওয়া যায়, যা মেরুপ্রভার সঙ্গে তুলনীয়। এর মূল কারণ, বাহামার একেকটি দ্বীপখণ্ডের একেকরকম চেহারা ও পরিবেশ। প্রবাল এখানকার প্রধান ‘রত্ন’। তা বাদ দিলেও কোথাও সবুজ ঘাস কিংবা শ্যাওলার আধিক্য, কোথাও আবার ধুধু বালুচর। নীলচে সবুজ, লাল আর হলদে সাদা – সবমিলিয়ে যে রং তৈরি হয়, তার উপর সূর্যের ছটার প্রতিফলনে প্রভার মতোই দেখতে লাগে।

নভোশ্চররা নিজেদের অভিজ্ঞতা থেকে জানিয়েছেন, বাহামার দ্বীপখণ্ডগুলি একটা আরেকটার সঙ্গে এমনভাবে সংলগ্ন যাতে মনে হয়, সমুদ্র বা ওই অংশের জলস্তরকে তা রিবনের মতো জড়িয়ে রয়েছে। আবার কিছু কিছু দ্বীপ দেখলে মনে হয়, বিশাল সমুদ্রের মাঝে সেসব নিতান্তই টুকরে টুকরো কিছু স্থলভূমি। এই বিশেষ আকারের কারণেই বাহামা দ্বীপপুঞ্জ এত বৈচিত্র্যপূর্ণ এবং রঙিন। সামনে থেকে দেখতে যত না ভালো লাগে, মহাকাশ থেকে তার সৌন্দর্য আরও বেশি ফুটে ওঠে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.