Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Rakesh Sharma

দিনের পথিক মনে রেখো… সেদিনের রাকেশই পথ দেখিয়েছিলেন আজকের শুভাংশুকে

রাকেশ শর্মাকেই 'মেন্টর' মনে করেন শুভাংশু।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৫, ২০২৫, ১৭:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৫, ২০২৫, ১৭:২৬

options
link
দিনের পথিক মনে রেখো… সেদিনের রাকেশই পথ দেখিয়েছিলেন আজকের শুভাংশুকে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইতিহাসের সবচেয়ে আশ্চর্য স্বভাব হল, সেটা পুনরাবৃত্ত হয়। ১৯৮৪ সালে রাকেশ শর্মা প্রথম ভারতীয় মহাকাশচারী হিসেবে অন্তরীক্ষে পাড়ি দিয়েছিলেন। মাঝে কেটেছে ৪১ বছর। বুধবার দ্বিতীয় ভারতীয় নভোচর হিসেবে সেই ইতিহাসকে ছুঁলেন শুভাংশু শুক্লা। রাকেশ থেকে শুভাংশু- চার দশকের এক পরিক্রমাকে ফিরে দেখতে গেলে মনে পড়বেই রবীন্দ্রনাথকে। ‘দিনের পথিক মনে রেখো, আমি চলেছিলেম রাতে/ সন্ধ্যাপ্রদীপ নিয়ে হাতে।’ ভারতীয় বায়ুসেনা সেই মুহূর্তের বর্ণনা করতে গিয়ে তাকে ‘দেজা ভু’ মুহূর্ত বলে বর্ণনাও করেছে। অর্থাৎ স্মৃতিতে ঘাই মারছেন ‘জনৈক’ রাকেশ শর্মা। হ্যাঁ, আজ যেন তিনি এক বিস্মৃতপ্রায় নাম। অথচ ১৯৮৪ সালে এদেশের সর্বত্র আলোচিত হয়েছিল তাঁরই নাম। আজ যেভাবে উচ্চারিত হচ্ছেন শুভাংশু।

২১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট তিনি মহাকাশে কাটিয়েছিলেন। প্রথম ভারতীয় হিসেবে মহাশূন্যে থাকার নজির গড়া মানুষটি সেদিন জায়গা করেছিলেন আমজনতার হৃদয়ে। মহাকাশ থেকে কেমন লাগছে ভারতকে? তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর এহেন প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানিয়েছিলেন, ”সারে জাঁহা সে আচ্ছা।” এই উত্তর আজকের ভাষায় সেদিন ‘ভাইরাল’ হয়ে গিয়েছিল।

Advertisement

বিশ্বের ১২৮তম ও ভারতের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে রাকেশ শর্মাকে মহাকাশে পাঠানো হয় দুই রুশ নভোচরের সঙ্গে। ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্সের টেস্ট পাইলট থেকে স্কোয়াড্রন লিডার হয়ে ওঠা রাকেশ শর্মার ওই ভূমিকায় নির্বাচিত হওয়াটা অবশ্য সহজ ছিল না। রীতিমতো কঠিন পরীক্ষার বৈতরণি টপকাতে হয়েছিল। ১৯৮২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর মনোনীত হন তিনি। ১৯৮৪ সালের ৩ এপ্রিল পাড়ি দেন মহাকাশে। মাঝের এই সময়ে যেতে হয়েছিল বিপুল প্রস্তুতির মধ্যে দিয়ে। সবচেয়ে কঠিন পর্যায়টা ছিল একেবারে শেষে। টানা ৭২ ঘণ্টা একটা ছোট্ট ঘরে আটকে রাখা হয়েছিল। এটা ছিল ক্লস্ট্রোফোবিয়া টেস্ট। সব পরীক্ষাতেই দারুণ ভাবে উত্তীর্ণ হন তিনি। এরপর আর তাঁর মহাকাশে প্রথম ভারতীয় হয়ে ইতিহাস রচনায় কোনও বাধা ছিল না।

রাকেশ শর্মাকেই ‘মেন্টর’ মনে করেন আজকের শুভাংশু। তাঁর জন্ম রাকেশের ঐতিহাসিক সাফল্যের পরের বছর। তবু তিনিও আজ সেই ইতিহাসের শরিক হয়ে পড়লেন। আর তা মাথায় রেখে রাকেশকে শ্রদ্ধা জানাতে মহাকাশে এক স্মারকও নিয়ে গিয়েছেন বায়ুসেনার পাইলট। যদিও কী সেই স্মারক তা অবশ্য পরিষ্কার করেননি তিনি। যাই হোক, আগামী ২ সপ্তাহ সকলের চোখ থাকবে আকাশে এক ভারতীয়র সাফল্যের নতুন খতিয়ানের দিকে। আর সেই সঙ্গে নতুন করে আলোচিত হবেন তিনিও- রাকেশ শর্মা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.