Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১০ জুন ২০২৬
Himalaya

২৩ বছরের মধ্যে হিমালয়ের বরফস্তর সর্বনিম্ন! সংকটে ২০০ কোটি জীবন

২০২৫ সালের নভেম্বর মাস থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত 'স্নো পারসিসটেন্স'-এর হার গড়ের তুলনায় ২৭.৮ শতাংশ কম নথিভুক্ত হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০২৬, ১৪:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০২৬, ১৪:৩৩

options
link
২৩ বছরের মধ্যে হিমালয়ের বরফস্তর সর্বনিম্ন! সংকটে ২০০ কোটি জীবন zoom
হিমালয়ের বরফস্তর কমল রেকর্ড হারে। উদ্বিগ্ন পরিবশবিদরা

হু হু করে গলছে বরফের স্তর। ক্রমশ ‘খাটো’ হচ্ছে এশিয়ার ‘ওয়াটার টাওয়ার’ খেতাবধারী মহান হিমালয় (Himalaya)। শুকিয়েও যাচ্ছে দ্রুত লয়ে। কারণ বরফের স্তর জমতেই পারছে না। ফলে কমছে উচ্চতা। এতটাই যে, গত দু’দশকেরও একটু বেশি সময় অর্থাৎ ২৩ বছরের মধ্যে সবচেয়ে নিচে নেমে এসেছে আফগানিস্তান থেকে মায়ানমার পর্যন্ত বিস্তৃত এই সুবিশাল পর্বতমালা। আর এর জেরেই তীব্র জল সংকটের মুখে পড়তে চলেছে এই অঞ্চল জুড়ে বসবাসকারী অন্তত দু’শো কোটি মানুষের জীবন।

এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে কাঠমান্ডুর একটি গবেষণা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভলপমেন্ট (আইসিআইএমওডি)-র তরফে প্রকাশিত ‘এইচকেএইচ মো আপডেট ২০২৬’। আর তাদের পর্যবেক্ষণ বলছে, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাস থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত ‘স্নো পারসিসটেন্স’-এর হার গড়ের তুলনায় ২৭.৮ শতাংশ কম নথিভুক্ত হয়েছে। কিন্তু কেন হিমালয়ের বরফ গলন এতটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়? আর ‘স্নো পারসিসটেন্স’ বিষয়টিই বা কী? উত্তর হল, হিমালয় পর্বতমালার বরফগলা জল থেকে গোটা হিন্দুকুশ হিমালয়জুড়ে প্রবাহিত ১২টি প্রধান নদী-অববাহিকা পুষ্ট।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই নদীগুলি বিভিন্ন দেশের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে আর সেই তালিকায় অতি অবশ্যই ভারতও আছে। এই বরফগলা জলে পুষ্ট হয়েই নদীগুলির জল একাধিক দেশের চাষের জমিতে সেচের কাজে লাগে, জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয় এবং পানীয় জল হিসাবেও কাজে লাগে কাবুল থেকে কলকাতা শহরে। তবে হিমালয়ের বরফ কম জমার জেরে যে নদীগুলি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেগুলি হল মেকং, ইয়েলো রিভার এবং আমু দরিয়া। তুলনায় কিছুটা হলেও কম প্রভাবিত হতে পারে গঙ্গার অববাহিকা অঞ্চল। আর ‘স্নো পারসিসটেন্স’ কথার অর্থ, পাহাড়ের গায়ে বরফ পড়ার পর কতক্ষণ তা বরফ হিসাবেই টিকে থাকতে পারে। রিপোর্ট অনুযায়ী, এই নিয়ে টানা চার বছর হিমালয় পার্বত্য এলাকায় স্বাভাবিকের তুলনায় কম বরফ তথা তুষারপাত হল। ভৌগোলিক এবং জীবন-নির্বাহের দিক থেকে বিচার করলে যা যথেষ্টই উদ্বেগজনক।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.