Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Civilization

মেসোপটেমিয়া নয়, সভ্যতার জন্ম ভারতেই! ইতিহাসবিদের দাবি ঘিরে চাঞ্চল্য

প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে প্রতিষ্ঠিত ‘পশ্চিমই প্রথম’-এর পুরনো দাবিকে খণ্ডন করে দিয়েছেন তিনি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৭, ২০২৬, ২০:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৭, ২০২৬, ২০:৩৭

options
link
মেসোপটেমিয়া নয়, সভ্যতার জন্ম ভারতেই! ইতিহাসবিদের দাবি ঘিরে চাঞ্চল্য zoom
হরপ্পা সভ্যতা আজও এক বিস্ময়।
Advertisement

মেসোপটেমিয়া বা মিশর নয়। আধুনিক সভ‌্যতার (Civilization) জন্ম হয়েছিল ভারতেই। জ্ঞান-বিজ্ঞান বলুন, শিল্প-সংস্কৃতি কিংবা বাণিজ‌্য-প্রযুক্তি–এই সবের প্রবাহ গোড়া থেকেই হয়ে এসেছে পুব থেকে পশ্চিমে। বিপরীতটা কখনও নয়, যেমনটা প্রচারিত, সর্বজনবিদিত। এমনটাই দাবি ইতিহাসবিদ নিক কলিন্সের। ইতিমধ্যেই প্রাচীন সভ‌্যতায় ভারতীয় উপমহাদেশগুলির অবদান নিয়ে একাধিক বই লিখেছেন কলিন্স। সেখানেও উঠে এসেছে এই একই দাবি।

তবে এবার সম্প্রতি এক্স অ‌্যাকাউন্টে এই বিষয়টি উত্থাপন করেছেন কলিন্স। আর তাতেই প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে প্রতিষ্ঠিত ‘পশ্চিমই প্রথম’-এর পুরনো দাবিকে খণ্ডন করে লিখেছেন, ‘‘সভ‌্যতার হাতেখড়ি মেসোপটেমিয়ার হাত ধরে হয়নি। ভারতের হাত ধরেই হয়েছে।’’ ফলে পুনরায় চর্চার কেন্দ্রে উঠে এসেছে পুরনো বিতর্ক।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কলিন্সের দাবি, তিনি যা বলছেন, প্রমাণ দেখেই বলছেন। এতদিন ধরে বিশ্ববাসী জানতেন, মেসোপটেমিয়ার হাত ধরে সভ‌্যতার বিকাশ হয়েছিল। তার পরে মাথা তুলেছে মিশরীয় সভ‌্যতা, গ্রিস এবং রোম। ভারত এই তালিকায় অনেক পরে রয়েছে। কিন্তু কলিন্স দাবি করেছেন, বিষয়টা পুরোপুরি বিপরীত। মানে ভারতই পথপ্রদর্শক। এখানে সভ‌্যতার আবিষ্কার প্রক্রিয়া দেরিতে শুরু হয়েছে, তাই মনে করা হয়, অনেক পিছিয়ে রয়েছে তারা। একই দাবি প্রযোজ‌্য হরপ্পা এবং মহেঞ্জোদারোর ক্ষেত্রেও। তিনি বলছেন, উনিশ শতকে হরপ্পা চিহ্নিত হয়। কিন্তু তারও কয়েক দশক পরে খননকাজ শুরু হয়। মহেঞ্জোদারোর ‘আবিষ্কার’ ১৯২২ সালে। ততদিনে প্রাচীনতম সভ‌্যতা হিসাবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করে ফেলেছে মেসোপটেমিয়া। তাই মানুষও জেনেছেন মেসোপটেমিয়াই হয়তো প্রথম! তাঁর মতে, সিন্ধু-সরস্বতী সভ‌্যতায় অনেক আগে বসতি বিস্তার হয়েছিল। ইটের ঘরবাড়ি, ঢাকা নর্দমার অস্তিত্ব তখনও ছিল।

সম্প্রতি এক্স অ‌্যাকাউন্টে এই বিষয়টি উত্থাপন করেছেন কলিন্স। আর তাতেই প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে প্রতিষ্ঠিত ‘পশ্চিমই প্রথম’-এর পুরনো দাবিকে খণ্ডন করে লিখেছেন, ‘‘সভ‌্যতার হাতেখড়ি মেসোপটেমিয়ার হাত ধরে হয়নি। ভারতের হাত ধরেই হয়েছে।’’

কলিন্সের দাবি, সিন্ধু-সরস্বতী সভ্যতার নগর পরিকল্পনা, বাণিজ্য এবং প্রযুক্তিগত কলাকৌশল মেসোপটেমিয়ার চেয়েও প্রাচীন এবং উন্নত ছিল। ইতিহাসবিদ নিজের বক্তব্যের পক্ষে বলতে গিয়ে গুজরাতের লোথাল বন্দরের কথা উল্লেখ করেছেন। সেই বন্দর থেকে প্রচুর জাহাজ বিভিন্ন দেশে পাড়ি দিত নানা ধরনের পণ‌্য নিয়ে। পুঁতি, তুলো, কাঠের রপ্তানি হত। কলিন্সের দাবি, যে সময় ভারতে এই সব হত, ইউরোপের দেশগুলি ভাবতেও পারত না। এই প্রসঙ্গে ভারতের আরও একটি প্রাচীন নদীর কথা উঠে এসেছে প্রবীণ এই ইতিহাসবিদের বয়ানে। সরস্বতী নদী। তিনি বলেছেন, ঋগ্বেদে একাধিক বার এই নদীর উল্লেখ হয়েছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.