Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
NASA

পৃথিবীর বাইরেও আছে প্রাণের অস্তিত্ব! রহস্য উন্মোচনে মহাশূন্যে পাড়ি নাসার টেলিস্কোপের

ক্ষুদ্র পৃথিবী পেরিয়ে গেলে মহাশূন্যে ছড়িয়ে রয়েছে অগুন্তি গ্রহ-নক্ষত্র। বিরাট সেই দুনিয়ার কোথাও হয়ত প্রাণের স্পন্দন নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে আরও এক পৃথিবী। তারই খোঁজে এবার মহাকাশে পাড়ি জমাল নাসার 'ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ'।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০২৬, ২১:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০২৬, ২১:২৬

options
link
পৃথিবীর বাইরেও আছে প্রাণের অস্তিত্ব! রহস্য উন্মোচনে মহাশূন্যে পাড়ি নাসার টেলিস্কোপের zoom
মহাকাশে পাড়ি দিল নাসার 'ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ'।
Advertisement

ক্ষুদ্র পৃথিবী পেরিয়ে গেলে মহাশূন্যে ছড়িয়ে রয়েছে অগুন্তি গ্রহ-নক্ষত্র। বিরাট সেই দুনিয়ার কোথাও হয়ত প্রাণের স্পন্দন নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে আরও এক পৃথিবী। তারই খোঁজে এবার মহাকাশে পাড়ি জমাল নাসার ‘ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ’। রবিবার আমেরিকার ফ্লোরিডায় নাসার কেনেডি স্পেস সেন্টারের ‘স্পেসএক্স ফ্যালকন হেভি’ রকেটে চেপে মহাকাশে পাড়ি দিল এই টেলিস্কোপ। ভারতীয় সময় অনুযায়ী, বিকেল ৪টে ৫৭ মিনিটে রওনা দিয়েছে রকেটটি। বিজ্ঞানীদের আশা এই টেলিস্কোপ মহাবিশ্বের বহু অজানা দিক পৃথিবীবাসীর সামনে তুলে ধরবে। ভাগ্য ভাল থাকলে খোঁজ মিলতে পারে আরও কোনও পৃথিবীর।

জানা যাচ্ছে, উৎক্ষেপণের পর ফ্যালকন হেভি রকেট রোমান টেলিস্কোপকে নিয়ে যাবে পৃথিবী থেকে ১৫ লক্ষ কিলোমিটার দূরে। যে বিজ্ঞানের ভাষায় বলে সেকেন্ড সান-আর্থ ল্যাগরেঞ্জ পয়েন্ট বা এল২-তে। এটাই হবে রোমানের ঘাঁটি। পৃথিবীর চারপাশে ঘোরা বাকি স্যাটেলাইটের মতো নয় রোমান মহাকাশে চক্কর কাটবে না, বরং স্থিরভাবে এক জায়গায় অবস্থান করবে। যেখানে সূর্য ও পৃথিবীর মিলিত মধ্যাকর্ষণে অত্যন্ত কম জ্বালানিতে স্থিতিশীল থাকা যায়। সেখানেই দাঁড়িয়েই মহাবিশ্বের উপর নজর রাখবে রোমান।

Advertisement

রোমানের প্রধান লেন্স ২.৪ মিটার অর্থাৎ হাবলস টেলিস্কোপের লেন্সের সমান। তবে এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ হল ওয়াইড ফিল্ড ইন্সট্রুমেন্ট। এটি হাবলস টেলিস্কোপের চেয়ে ১০০ গুণ বড় এলাকা পর্যবেক্ষণ করতে পারে।

যদিও বিজ্ঞানীদের দাবি, এল২ অঞ্চলে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই বৈজ্ঞানিক গবেষণা শুরু করবে না রোমান। বরং এটিকে চালু করতেই সময় লাগবে ৩ মাস। বিজ্ঞানীরা এর সকল যন্ত্রপাতি ধীরে ধীরে সক্রিয় করবেন। সমস্ত সিস্টেম ঠিকমতো কাজ করছে নিশ্চিত হওয়ার পর বৈজ্ঞানিক অভিযানের জন্য পুরোদমে প্রস্তুত হবে রোমান। জানা যাচ্ছে, রোমানের প্রধান লেন্স ২.৪ মিটার অর্থাৎ হাবলস টেলিস্কোপের লেন্সের সমান। তবে এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ হল ওয়াইড ফিল্ড ইন্সট্রুমেন্ট। এটি হাবলস টেলিস্কোপের চেয়ে ১০০ গুণ বড় এলাকা পর্যবেক্ষণ করতে পারে। ফলে নির্দিষ্ট জায়গায় দাঁড়িয়ে অসংখ্য সৌরজগত পর্যবেক্ষণ করতে পারবে রোমান।

বিজ্ঞানীদের আশা, এর মাধ্যমে ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি এবং গ্যালাক্সির বিবর্তনের মতো মহাবিশ্বের সবচেয়ে গূঢ় রহস্যের সন্ধান মিলবে। এছাড়া সৌরজগতের বাইরে ছড়িয়ে থাকা গ্রহগুলি খুঁজবে রোমান। জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ যেখানে মহাবিশ্বের একেকটি বস্তুকে নিখুঁতভাবে পর্যবেক্ষণ করবে, সেখানে রোমান গোটা মহাকাশকে বিরাট স্কেলে জরিপ করবে। দুই টেলিস্কোপ একত্রে কাজ করলে বিজ্ঞানীরা মহাবিশ্বের ক্লোজ-আপ থেকে ওয়াইড অ্যাঙ্গেলের সমস্ত দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করতে পারবেন। রোমানের এই সফর শুধু একটি টেলিস্কোপের উৎক্ষেপণ নয়, বরং মহাবিশ্বকে জানার ক্ষেত্রে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.