Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১১ জুন ২০২৬
Mega Laser Beam

৮০০ কোটি আলোকবর্ষ দূর থেকে ভেসে এল শক্তিশালী লেজার সংকেত! বিস্মিত বিজ্ঞানীরা

এতটা পথ পেরিয়ে এসেও কেন তা ম্লান হয়ে যায়নি? এই আবিষ্কারের গুরুত্বই বা কী?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৪, ২০২৬, ১৭:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৪, ২০২৬, ১৭:৫১

options
link
৮০০ কোটি আলোকবর্ষ দূর থেকে ভেসে এল শক্তিশালী লেজার সংকেত! বিস্মিত বিজ্ঞানীরা zoom
দক্ষিণ আফ্রিকার মিরক্যাট রেডিও টেলিস্কোপ ওই সংকেতটি শনাক্ত করেছে।

এই মহাবিশ্বের আলো হল দূরত্বের ‘দূত’। বহু বহু দূরত্ব থেকে ভেসে আসা আলো বয়ে আনে নানা সংকেত! এবার তেমনই এক মেগা লেজার রশ্মি ভেসে এল ৮০০ কোটি আলোকবর্ষ দূর থেকে। যা দেখে বিস্মিত বিজ্ঞানীরা।

দক্ষিণ আফ্রিকার মিরক্যাট রেডিও টেলিস্কোপ ওই সংকেতটি শনাক্ত করেছে। মহাজাগতিক দুনিয়ার বিশাল দূরত্ব থেকে আগত ওই সংকেত সমস্ত বৈজ্ঞানিক ভবিষ্যদ্বাণীকে ভুল প্রমাণ করেছে। সাধারণত মহাকাশে দীর্ঘ পথ পেরিয়ে আসার সময় সংকেতগুলো ক্রমশ ক্ষীণ হয়ে আসে এবং একসময় একেবারে ম্লান হয়ে যায়। কিন্তু এই সংকেতটি তার উজ্জ্বলতা অটুট রেখেছে। ফলে অনায়াসেই তাকে শনাক্ত করা গিয়েছে। এই মহাবিশ্বের শক্তি ও বিকিরণ কীভাবে আচরণ করে সে সম্পর্কে আমাদের প্রচলিত ধারণাকে নতুন রূপ দিতে পারে এই আবিষ্কার। এমনটাই দাবি গবেষকদের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

দক্ষিণ আফ্রিকার মিরক্যাট রেডিও টেলিস্কোপ ওই সংকেতটি শনাক্ত করেছে। মহাজাগতিক দুনিয়ার বিশাল দূরত্ব থেকে আগত ওই সংকেত সমস্ত বৈজ্ঞানিক ভবিষ্যদ্বাণীকে ভুল প্রমাণ করেছে। সাধারণত মহাকাশে দীর্ঘ পথ পেরিয়ে আসার সময় সংকেতগুলো ক্রমশ ক্ষীণ হয়ে আসে এবং একসময় একেবারে ম্লান হয়ে যায়।

এই তথাকথিত ‘মেগা লেজার রশ্মিটি আসলে একটি ‘হাইড্রক্সিল মেগামেসার’। মহাজাগতিক সংঘর্ষের ফলে গ্যাস সঙ্কুচিত হয়ে পড়ে। পাশাপাশি হাইড্রক্সিল অণুগুলি উত্তেজিত হয়ে ওঠে। এর ফলে তারা তীব্র বিকিরণ নিঃসরণ করতে শুরু করে। এই ঘটনাকেই ওই নামে ডাকা হয়। তবে ওই বিকিরণের অসাধারণ তীব্রতার কারণেই তাকে বলা হচ্ছে ‘গিগামেসার’। অর্থাৎ তা মেগামেসারের থেকেও তীব্র। এপ্রসঙ্গে বলতে গিয়ে অন্যতম গবেষক বিজ্ঞানী ড. থাটো মানামেলা বলছেন, ”আমরা মহাবিশ্বের ঠিক মাঝখান থেকে লেজারের সমতুল্য একটি রেডিও সংকেত পর্যবেক্ষণ করছি।”

কিন্তু এতটা পথ পেরিয়ে এসেও কেন তা ম্লান হয়ে যায়নি? অথচ এই ধরনের সংকেত সাধারণত মহাবিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে বলে এদের সহজে শনাক্ত করা যায় না। ‘মহাকর্ষীয় লেন্সিং’-এর মতো একটি প্রক্রিয়ার কারণেই এক্ষেত্রে তেমনটা হয়নি। এই প্রক্রিয়ায় সামনে অবস্থিত কোনও ছায়াপথ তার পিছন থেকে আসা সংকেতের ওপর একটি আতশকাচের মতো কাজ করে। এই প্রাকৃতিক কাকতালীয় ঘটনাটি সংকেতটির তীব্রতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়, যার ফলে এটিকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়। তবে, এই আবিষ্কারটি কেবল একটি কৌতূহলোদ্দীপক তথ্যই নয়, এটি আমাদের মহাবিশ্বের আদি পর্যায়ের গঠন ও প্রকৃতি নিয়ে গবেষণার সুযোগও করে দেয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.