একদিকে এল নিনোর ভ্রূকুটি। যাকে ঘিরে অনেক আগে থেকেই আশঙ্কায় ভুগছিলেন আবহাওয়াবিদরা। এবং যার জেরে বর্ষা ঢুকেছে দেরিতে। জুনে থমকে থাকতে দেখা গিয়েছে দক্ষিণপশ্চিম মৌসুমি বায়ুকে। কয়েক দশকের মধ্যে দেশে এমন ‘শুষ্ক’ সূচনা হয়নি বর্ষার। কে জানত, জুলাই পড়তে না পড়তেই ‘চিত্রনাট্য’ এক্কেবারে উলটে যাবে! আর এখানেই উঠছে প্রশ্ন, কেন এল নিনোর চোখরাঙানির সামনেও এভাবে বর্ষা জমাটি ইনিংস খেলছে?
পরিসংখ্যান বলছে, জুলাইয়ের প্রথম সাত দিনে মুম্বইয়ে বৃষ্টি হয়েছে ৭৯১ মিমি। যা জুলাইয়ের গড় বৃষ্টিপাতকে (৭৬৮.৫ মিমি) ছাপিয়ে গিয়েছে একসপ্তাহেই। একই পরিস্থিতি দিল্লিতেও। সেখানে ২৩ শতাংশ বৃষ্টি বেশি হয়েছে ১-৮ জুলাইয়ে। বাকি দেশের বহু অংশেই একই ছবি। আরব সাগর থেকে শুরু করে বঙ্গোপসাগর ও হিমালয়ের পাদদেশ পর্যন্ত— সমগ্র ভারতজুড়ে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
এদিকে এল নিনোর ভ্রূকুটি তো রয়েছেই। এই বছরে এল নিনোর প্রভাবে এদেশে ভয়ংকর ক্ষতি হতে পারে কৃষি তথা খাদ্য ভাণ্ডারের! দেখা দিতে পারে প্রবল খরা। এমন আশঙ্কা অনেকদিন ধরেই করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাহলে কেন বৃষ্টির এই দাপাদাপি? এটা কি অস্বাভাবিক নয়?
আবহাওয়াবিদরা অবশ্য এতে অস্বাভাবিকতার কিছু দেখছেন না। তাঁদের মতে এল নিনোর দাপটে বর্ষা প্রভাবিত হলেও বর্ষার চরিত্রও আমূল বদলে গিয়েছে। নেপথ্যে বিশ্ব উষ্ণায়ন। এখন বর্ষার বৃষ্টি হচ্ছে কম সময়ের জন্য, কিন্তু তার তীব্রতা থাকছে অনেক বেশি। এর সঙ্গে এল নিনোর কোনও সম্পর্ক কিন্তু নেই। মৌসুমি বায়ু কখন আসবে এবং বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি কত ঘনঘন তৈরি হবে তা নির্ধারণ করে এল নিনো। তবে অনুকূল আবহাওয়া ব্যবস্থা গড়ে ওঠার পর বৃষ্টিপাতের তীব্রতা কেমন হবে, তা অবশ্য এল নিনো স্থির করে না।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মূলস্রোতের স্কুলে পড়বে দিব্যাঙ্গ শিশুরাও! পরিকাঠামো উন্নয়নে নজর রাজ্যের
-
ষষ্ঠ বিদেশি সই করিয়ে ফেলল ইস্টবেঙ্গল, এক বছরের জন্য লাল-হলুদে আইভোরি কোস্টের স্ট্রাইকার
-
ফুচকার লোভ দেখিয়ে নাবালিকাকে ‘ব্যাড টাচ’! গ্রেপ্তার প্রতিবেশী ‘দাদু’, উত্তরপাড়ায় হুলস্থুল
-
চূড়ান্ত হয়ে গেল কলকাতা লিগের ডার্বির দিনক্ষণ, বারাসতে মুখোমুখি হবে মোহন-ইস্ট
-
বুধে বালুরঘাটে সুকান্তের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারবেন মুখ্যমন্ত্রী, মেনুতে থাকছে কোন বিশেষ মাছ?