বাঘের গল্প তো অনেক শুনেছে বক্সা। এবার সেই বক্সায় বাঘ ফিরছে। কিন্তু রয়্যাল বেঙ্গলের ঘরে বাস করতে হলে নিয়ম মানতে হবে সবাইকে। ২ অক্টোবর বাঘ চলে আসবে। তার আগেই বাঘ ও মানুষের সহাবস্থানের পাঠ দেওয়া হবে আশপাশের এলাকার গ্রামবাসীদের। বাঘের ডেরায় থাকতে হলে কীভাবে চলতে হবে, কী কী নিয়ম মানতে হবে, গ্রামবাসীদের সেই পাঠ দেওয়া হবে। স্কুলে স্কুলে চলবে সচেতন কর্মসূচি। আতঙ্ক দূর করতে পড়ুয়াদের বাঘের পায়ের ছাপ চেনাবে বনদপ্তর। ২৭ আগস্ট থেকে এই সচেতনতার পাঠ শুরু করতে চলেছে বনদপ্তর। একমাস চলবে এই সচেতনামূলক পাঠ। ১৬টি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এই পাঠ শেখানোর।
বক্সায় বাঘের সঙ্গে বাস করতে গ্রামবাসীদের কাছে মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থানের টাইগার রিজার্ভ এলাকাগুলির উদাহরণ তুলে ধরা হচ্ছে। স্কুলগুলিতে টাইগার কাব ক্লাব খোলা হচ্ছে। ওই ক্লাবে পড়ুয়াদের সচেতন-পাঠ দেওয়া হবে। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলি জানান, বন্যপ্রাণীদের পায়ের ছাপ নিয়ে সবসময় বিভ্রান্তি ছড়ায়। অনেক সময় নানা পায়ের ছাপ বাঘের বলে আতঙ্ক ছড়ানো হয়। বক্সায় বাঘ ফিরছে। বাঘের পায়ের ছাপের সঙ্গে বাকি বন্যপ্রাণীদের পায়ের ছাপের কী কী পার্থক্য রয়েছে, তা পড়ুয়াদের কাছে তুলে ধরা হবে। যাতে তারা অহেতুক আতঙ্কিত না হয়।
আরও পড়ুন:

বক্সায় বাঘের সঙ্গে বাস করতে গ্রামবাসীদের কাছে মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থানের টাইগার রিজার্ভ এলাকাগুলির উদাহরণ তুলে ধরা হচ্ছে। স্কুলগুলিতে টাইগার কাব ক্লাব খোলা হচ্ছে। ওই ক্লাবে পড়ুয়াদের সচেতন-পাঠ দেওয়া হবে। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলি জানান, বন্যপ্রাণীদের পায়ের ছাপ নিয়ে সবসময় বিভ্রান্তি ছড়ায়। অনেক সময় নানা পায়ের ছাপ বাঘের বলে আতঙ্ক ছড়ানো হয়। বক্সায় বাঘ ফিরছে। বাঘের পায়ের ছাপের সঙ্গে বাকি বন্যপ্রাণীদের পায়ের ছাপের কী কী পার্থক্য রয়েছে, তা পড়ুয়াদের কাছে তুলে ধরা হবে। যাতে তারা অহেতুক আতঙ্কিত না হয়। ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কেন্দ্রের একদম কোর এলাকায় থাকা তিন বনবস্তির বাসিন্দাদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেখানে তাঁদের পুনর্বাসন দেওয়া হচ্ছে।
ইতিমধ্যে গাঙ্গোটিয়া ও ভুটিয়া বনবস্তি দুইই খালি করা হয়েছে। জয়ন্তী বনবস্তিও সরিয়ে ফেলার কাজ শুরু হয়েছে। কোর এলাকার বাইরেও জঙ্গল ঘিরে আরও প্রায় ৭৫ টি গ্রাম রয়েছে। সেখানে কয়েকশো পরিবারের বাস। ৩০টি স্কুল রয়েছে। তাদের অবশ্য সরানো হচ্ছে না। বাঘের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান কীভাবে গড়ে তোলা যায়, সেই পাঠ এই বনবাসীদের দেওয়া হবে। সচেতনতার পাঠের আগে বাঘ নিয়ে গ্রামবাসী ও বনবস্তিদের মন বুঝতে দুয়ারে দুয়ারে ঘুরে সমীক্ষা চালিয়েছে বনদপ্তর। ২৬ আগস্ট স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলি ওই সমীক্ষার রিপোর্ট জমা করবে বনদপ্তরের কাছে। তারপর সচেতনতার পাঠ দেওয়া হবে। সমীক্ষার প্রাথমিক যে রিপোর্ট দেওয়া হচ্ছে তাতে বলা হচ্ছে, বক্সায় বাঘ ফেরা নিয়ে গ্রামের অধিকাংশ মানুষ খুশি। গ্রামবাসীদের আশা, রয়্যাল বেঙ্গল ফিরলে বক্সায় পর্যটন ব্যবসা আরও চাঙ্গা হবে। তাঁদেরও জীবিকা হবে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মেলেনি প্রথম এগারোয় সুযোগ, তবুও দলীপের জন্য ২ পেসারকে ছাড়লেন না গিল-গম্ভীর, কেন?
-
নতুন সিনেমার সঙ্গে জীবনেরও শুভারম্ভ, মালদ্বীপে বাগদান সারলেন সপ্তাশ্ব বসু,পাত্রী কে?
-
শাহরুখকে নোটিস দিয়েও ক্ষান্ত নন, মুম্বইয়ে ফের হইচই ফেলে দিয়ে বিরাট কাণ্ড ‘সিংহম’ তুখারামের
-
টানা দু’বলে চার মেরে আউট বৈভব, দলীপে তারকাদের ব্যর্থতাতেও সেঞ্চুরিতে উজ্জ্বল বাংলার সুদীপ
-
‘তোলাবাজি করে খেতে হলে তৃণমূল করুন’, দুর্নীতি ইস্যুতে বিজেপি কর্মীদের হুঁশিয়ারি সুকান্তের