Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
Dinosaur

৪০ বছর ড্রয়ারবন্দি ছিল হাড়! অবশেষে অ্যান্টার্কটিকায় সন্ধান মিলল ডাইনোসরের

অ্যান্টার্কটিকায় দাপিয়ে বেড়াত টাইটানোসর প্রজাতির অতিকায় প্রাণীগুলি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০২৬, ১৭:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০২৬, ১৭:২৩

options
link
৪০ বছর ড্রয়ারবন্দি ছিল হাড়! অবশেষে অ্যান্টার্কটিকায় সন্ধান মিলল ডাইনোসরের zoom
প্রতীকী ছবি।
Advertisement

ড্রয়ারের মধ্যে পড়েছিল সাধারণদর্শন জীবাশ্ম। বোঝা যায়নি, এ আসলে ‘অমূল্য রতন’। চল্লিশ বছর পরে জীবাশ্মবিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হলেন অ্যান্টার্কটিকায় দাপিয়ে বেড়াত টাইটানোসর। পৃথিবীর বৃহত্তম ডাইনোসরদের অন্যতম এই প্রজাতির ডাইনোসর।

১৯৮৫ সালে অ্যান্টার্কটিকায় অভিযান চালানোর সময় জীবাশ্মটি উদ্ধার করেছিলেন বিজ্ঞানীরা। ব্রিটেনের কেমব্রিজে অবস্থিত ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিক সার্ভে তথা বিএএসের ভূতাত্ত্বিক সংগ্রহশালায় সেটি রেখে দেওয়া হয়। সেখানকার একটি ড্রয়ারের ভিতরে রাখা ছিল জীবাশ্মটি। আসলে বিজ্ঞানীরা সেই সময় ঠাহর করতে পারেননি সেটি আসলে কী! কিন্তু এবার সেই জীবাশ্ম পরীক্ষা করে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হয়েছেন এটা টাইটানোসরের লেজের হাড়। এই আবিষ্কারকে গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। অ্যান্টার্কটিকার বরফ ঢাকা প্রান্তরে এরা কীভাবে বসবাস করত তা আরও বিশদে জানতে এই জীবাশ্ম সাহায্য করবে বলেই মনে করা হচ্ছে। ‘জার্নাল অফ ভার্টিব্রেট প্যালেন্টোলজি’-তে প্রকাশিত হয়েছে এই সংক্রান্ত এক গবেষণাপত্র।

Advertisement

কিন্তু কীভাবে আবিষ্কৃত হল ওই হাড়? বিএএসের কালেকশনস ম্যানেজার ড. মার্ক ইভান্স সম্প্রতি ওই জীবাশ্মটি নজর করেন। এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, ”এই ড্রয়ারে কী আছে, ভাবতে বসলে ঠিক তখনই হয়তো এমন কোনও জিনিসের দেখা পাওয়া যায়, যা দেখে মনে হয় এটা তো বেশ আকর্ষণীয়!” আর এই জায়গা থেকেই শুরু হয় নতুন অন্বেষণ। আর তাতেই প্রকাশ্যে এল এক নতুন বিষয়।

অ্যান্টার্কটিকার বরফ ঢাকা প্রান্তরে এরা কীভাবে বসবাস করত তা আরও বিশদে জানতে এই জীবাশ্ম সাহায্য করবে বলেই মনে করা হচ্ছে। ‘জার্নাল অফ ভার্টিব্রেট প্যালেন্টোলজি’-তে প্রকাশিত হয়েছে এই সংক্রান্ত এক গবেষণাপত্র।

প্রথম ডাইনোসরের ফসিলের সন্ধান মিলেছিল উনবিংশ শতাব্দীতে। ক্রমে পরিষ্কার হয়ে যায়, একদিন এই নীল গ্রহের শাসক ছিল তারাই। কিন্তু কালের নিয়মে অবলুপ্ত হয়ে যায় অতিকায় প্রাণীদের রাজপাট। আজও ডাইনোসর নিয়ে নতুন নতুন তথ্য মিলছে। যা প্রমাণ করে দিচ্ছে অতীত-পৃথিবীর বহু খবর পাওয়া এখনও বাকি রয়েছে মানুষের।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.