Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Crocodile

নিজের পায়ে দাঁড়াতে জানত কুমিররা! হদিশ পেতেই বিস্মিত বিজ্ঞানীরা

ছোট অবস্থায় চারপায়ে হাঁটলেও বড় হতেই দু'পায়েই অতীতের পৃথিবীতে দাপিয়ে বেড়াত তারা!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৯, ২০২৬, ১৬:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৯, ২০২৬, ১৬:৪১

options
link
নিজের পায়ে দাঁড়াতে জানত কুমিররা! হদিশ পেতেই বিস্মিত বিজ্ঞানীরা zoom
গাছের ফাঁকে ফাঁকে হেঁটে শিকার ধরত কুমিরের পূর্বসূরিরা।
Advertisement

কথায় বলে ‘জলে কুমির ডাঙায় বাঘ’! কিন্তু অতীতে কুমিরের যারা পূর্বসূরি, তারা কিন্তু দু’পায়ে হাঁটতে জানত ডাঙাতে! সম্প্রতি কুমিরের সেই ‘ঠাকুর্দা’দের সম্পর্কে এমন তথ্য প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানীরা! ‘জার্নাল অফ ভার্টিব্রেট পেলঅন্টোলজি’ নামের এক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এই গবেষণাপত্র। যা জানাচ্ছে, অতীতের সেই পৃথিবীতে কতটা আলাদা ছিল কুমিরেরা!

ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিদ্যা বিভাগ ও বুর্ক মিউজিয়ামের সদস্যরা এই বিষয়ে গবেষণা চালিয়েছিলেন। ২০১৪ সালে তাঁদেরই এক প্রতিনিধি দল আরিজোনার পেট্রিফাইড জাতীয় উদ্যানে আবিষ্কার করে ৯৫০টি সোনসেলাসুচাস ফসিলস। পরবর্তী দশ বছর ধরে চলেছে খনন। সবশুদ্ধ ৩ হাজারেও বেশি জীবাশ্ম ঘেঁটে প্রাগৈতিহাসিক যুগের সেই প্রাণীদের সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা। প্রধান গবেষক আর্মার স্মিথ জানিয়েছেন, সমসাময়িক অন্যান্য প্রাণীদের পায়ের পাতার আকার দেখে তাঁরা নিশ্চিত হয়েছিলেন ওই কুমিরের প্রজাতির প্রাণীরা দু’পায়েই হাঁটত। এরা ছিল অরণ্যচারী। গাছের ফাঁকে ফাঁকে হেঁটে শিকার ধরত তারা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

‘জার্নাল অফ ভার্টিব্রেট পেলঅন্টোলজি’ নামের এক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এই গবেষণাপত্র। যা জানাচ্ছে, অতীতের সেই পৃথিবীতে কতটা আলাদা ছিল কুমিরেরা!

তাঁর কথায়, ”আমাদের বিশ্বাস সোনসেলাসুচাসদের শৈশবে সামনের ও পিছনের অঙ্গগুলি সমানুপাতিক ছিল। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের পিছনের অঙ্গগুলি আরও লম্বা এবং শক্তিশালী হয়ে ওঠে। আমরা মনে করি, এই প্রাণীগুলি চার পায়ে তাদের জীবন শুরু করত। বড় পরে দুই পায়ে হাঁটতে শিখে যেত সেগুলি। এটা সত্যিই অদ্ভুত।”

তবে আকারে খুব বেশি বড় হত না এই কুমিররা। মোটামুটি ২৫ ইঞ্চির ফসিলসেরই সন্ধান মিলেছে। চোখের কোট হত বিস্ফারিত। হাড়গুলি ফাঁপা। একই সময়ে এই পৃথিবীতে ছিল অর্নিথোমিমিড ডাইনোসরেরা। তাদের সঙ্গে সাদৃশ্য ছিল এই কুমিরদের। তবে পরে তাদের বিবর্তন আলাদা পথে হওয়ায় ধীরে ধীরে বৈসাদৃশ্য আরও বেড়ে যায়।

তবে আকারে খুব বেশি বড় হত না এই কুমিররা। মোটামুটি ২৫ ইঞ্চির ফসিলসেরই সন্ধান মিলেছে। চোখের কোট হত বিস্ফারিত। হাড়গুলি ফাঁপা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.