একজন অভিজ্ঞ বিজ্ঞানী যে কৃতিত্বের স্বপ্ন দেখেন, যার জন্য প্রয়োজন হয় আধুনিক গবেষণাগারের। বাড়িতে বসে সেই কাজ করে ফেলল আমেরিকার ডালাসের বাসিন্দা ১২ বছরের বালক এইডেন ম্যাকমিলান। সে নিজের ঘরেই বানিয়ে ফেলেছেন একটি পারমাণবিক চুল্লি। এই ঘটনায় গোটা বিশ্বের বিজ্ঞানীদের মধ্যে আলোড়ন শুরু হয়েছে। অসম্ভবকে কীভাবে সম্ভব করল বিস্ময়প্রতিভা?
একাধিক মার্কিন সংবাদপত্র জানাচ্ছে, ডালাস ইনডিপেনডেন্ট স্কুল ডিস্ট্রিক্টের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র ম্যাকমিলান। সে নিজের খেলার ঘরে বানিয়ে ফেলেছে আস্ত এক নিউক্লিয়ার ফিউশন রিঅ্যাক্টর। গত চার বছর ধরে গবেষণা করে গোটা দুনিয়াকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে সে। জানা গিয়েছে, মাত্র আট বছর বয়সে এই প্রকল্পের কাজ শুরু করে ম্যাকমিলান। প্রথম দু’বছর নিউক্লিয়ার ফিজিকস ও ফিউশন নিয়ে পড়াশোনা করে। এর পর ম্যাকমিলান তার মেশিনের প্রাথমিক রূপ (ভার্সন) তৈরি করা শুরু করে। তবে ম্যাকমিলানের এক কাজে রয়েছে সহকারীও। কে সে?
পরমাণু চুল্লি তৈরি করতে প্রতিভাবান বালককে সাহায্য করেছে ‘লঞ্চপ্যাড’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান। বিজ্ঞান ও প্রকৌশলে উচ্চাভিলাষী গবেষণায় শিক্ষার্থীদের সাহায্য করে এই প্রতিষ্ঠানটি। এর পরেও একাধিক বাধা ডিঙিয়ে চার বছরের পরিশ্রমকে বাস্তবে পরিণত করে ম্যাকমিলান। এক সময় যন্ত্রটি নিউট্রন উৎপাদন শুরু করে। বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ ব্যক্তি হিসাবে পরমাণু চুল্লি তৈরি করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম তোলার স্বপ্ন দেখছে বারো বছরের এইডেন ম্যাকমিলান। সাংবাদিকদের সে জানিয়েছে, কাজটা মোটেই সহজ ছিল না। কখনও তৃপ্তিদায়ক, কখনও বা হতাশাজনক অভিজ্ঞতা হয়েছে তাঁর। আসল কথা, বারো বছরের বালকের কাণ্ডে বিজ্ঞানীরাও অবাক হয়ে গিয়েছেন।
সর্বশেষ খবর
-
গরুপাচার মামলায় সিজ করেছিল সিআইডি, এনামুলের আত্মীয়দের সেই ভবনে আগুন, নিছক দুর্ঘটনা?
-
প্রবল আপত্তি বিরোধীদের, ‘বিতর্কিত’ FCRA বিল যৌথ সংসদীয় কমিটিতে পাঠাল কেন্দ্র
-
ইস্টবেঙ্গলকে রুখতে ভরসা ভারতের প্রাক্তন কোচ, বিশেষ পরামর্শ নিয়ে কলকাতায় আল আরবি
-
পুরসভার ডিলিমিটেশনে সংখ্যালঘুদের স্বার্থহানি? ফিরহাদ, জাভেদদের জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী
-
নেতাজির রাস্তা শ্যামাপ্রসাদের নামে! রামপুরহাটে শুরু জোর বিতর্ক