কর্মফলের ধারণা চলে আসছে বছরের পর বছর ধরে। যেমন কর্ম তেমন ফল, এই প্রবাদ মুখে মুখে প্রচলিত। সংখ্যাতত্ত্বে বলা হয়, পূর্বজন্মের কর্মের ফল নাকি পরবর্তী জন্মে ভোগ করতে হয় বিশেষ কয়েকটি সংখ্যার জাতকদের। কিন্তু অনেকক্ষেত্রেই দেখা যায়, ছোটবেলাতেই কারও কারও জীবনে ঝড় ওঠে। এর থেকেই অনেকের ধারণা, বাবা-মায়ের কর্মের ফলও নাকি ভোগ করতে হয় সন্তানদের। অভিভাবকের ভুলের মাশুল দিতে হয় বাচ্চাদের। কিন্তু সত্যিই কি তাই? চলুন আজ জেনে নেওয়া যাক সত্যিটা।
আধ্যাত্মিক বিশ্বাস অনুযায়ী, বাবা-মায়ের কর্মফল অর্থাৎ ভালো ও খারাপ উভয় কাজের প্রভাবই পড়ে সন্তানের জীবনে। তবে তা ২১ বছর বয়স হওয়ার আগে পর্যন্ত। তারপর জীবন মূলত নিজস্ব কর্মের দ্বারা নির্ধারিত হয়। একথা যেমন একশো শতাংশ সঠিক নয়, তেমনই সম্পূর্ণ ভুলও নয়। বলা হয়, গর্ভাবস্থায় মা যদি নেতিবাচক পরিবেশে থাকেন, মানসিক উদ্বেগ থাকে, তার প্রভাব সন্তানের উপর পড়ে। এক্ষেত্রে ফল হিসেবে সন্তানের স্বভাব নেতিবাচক হতে পারে। ছোটবেলায় চড়াই-উতরাইয়ের সম্মুখীন হতে হতে পারে। যা পারিবারিক কর্মের বোঝা। তবে তবে হ্যাঁ, অনেকেরই ধারণা বাবা-মায়ের পাপের কারণেই নাকি জন্ম হয় বিকলাঙ্গ শিশুর। এই ধারণা কিন্তু ভুল।
আরও পড়ুন:
২১ বছর বয়স হওয়ার আগে পর্যন্ত পারিবারিক কর্মফল ভোগ করতে হলেও পরবর্তীতে পুরোটাই নির্ভর করে নিজের কাজের উপর। সংখ্যাতত্ত্ব বলছে, কর্মফল সব থেকে বেশি ভোগ করতে হয় ১৩, ১৪, ১৬ ও ১৯-এই জন্মতারিখের জাতকদের। এই তারিখে যাদের জন্ম হয় তাঁদের জীবন কার্যত একটা যুদ্ধ। ওঠা-পড়া লেগেই থাকে। প্রতি পদে পদে বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যেতে হয় এদের। হওয়া কাজ বাতিল হয়ে যায়। দিনভর এরা ভাবতে থাকেন, কারও ক্ষতি তো করিনি, তাহলে কেন এমন হচ্ছে! কিন্তু উত্তর মেলে না। কারণ এই প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে পূর্বজন্মে! সংখ্যাতত্ত্ব বলে, এই দিনগুলোতে যাদের জন্ম তারা পূর্ব জন্মে এমন কিছু কাজ করেছে যার ফল তারা তখন ভোগ করেনি। অথবা এমন কোনও অপরাধ করেছে যার শাস্তি তারা সেজন্মে পায়নি। কিংবা হতে পারে কাজ অপূর্ণ রেখেছে। পূর্বজন্মের অপূর্ণতাকে পূর্ণ করতেই কর্মফল পাওয়ার তারিখগুলো জন্ম হয় অনেকের।
সর্বশেষ খবর
-
আরাবুলের গাড়ি লক্ষ্য করে বোমা! কপাল জোরে প্রাণরক্ষা ভাঙড়ের ‘তাজা’ নেতার
-
ওড়িশা উপকূলে ডুবল পানামার পতাকাধারী জাহাজ! ২৪ নাবিকের খোঁজে তল্লাশি
-
রাজস্থানের ৬১১ সরকারি স্কুলের নিজস্ব ভবনই নেই! ‘আরশোলা’দের কর্মসূচির মাঝেই প্রকাশ্যে রিপোর্ট
-
তারাপীঠের পর এবার রামপুরহাটের হোটেলে আগুন, আতঙ্কে হুড়োহুড়ি, ঘটনাস্থলে দমকল
-
মাত্র তিনদিনেই শেষ কাজ! এসআইআরের মতোই জনগণনাতেও নজির সাঁইথিয়ার শিক্ষকের