শ্রাবণ মাসের পূর্ণিমা তিথি। ভাইয়ের হাতে রক্ষাকবচ বাঁধার উৎসব। আগামী ২৮ আগস্ট, শুক্রবার দেশজুড়ে পালিত হতে চলেছে বাঙালির চিরন্তন রাখিবন্ধন (Rakhi 2026) উৎসব। তবে একই দিনে ঘটতে চলেছে বছরের দ্বিতীয় চন্দ্রগ্রহণ। দীর্ঘ ৫ ঘণ্টা ৪০ মিনিটের এই আংশিক চন্দ্রগ্রহণের খবরেই চিন্তার ভাঁজ ভাই-বোনদের কপালে। কারণ, ধর্মাচরণ ও শাস্ত্রীয় বিধিতে গ্রহণের সময়কে অশৌচ বলেই গণ্য করা হয়।

আরও পড়ুন:
তাহলে কি রাখি বাঁধার পরিকল্পনা বাদ দেবেন?
না, বাদ দেওয়ার কোনও কারণ নেই। জ্যোতিষী ও পণ্ডিতরা দিচ্ছেন পরম স্বস্তির বার্তা। শাস্ত্রজ্ঞদের মতে, এই মহাজাগতিক ওলটপালটে চন্দ্রদেব অবস্থান করবেন কুম্ভ রাশি ও শতভিষা নক্ষত্রে। ভারতীয় সময় সকাল ৬টা ৫২ মিনিটে শুরু হয়ে গ্রহণ শেষ হবে দুপুর ১২টা ৩২ মিনিটে। চাঁদের রং বদলে হতে পারে রক্তিম। তবুও সাধারণ মানুষের চিন্তার কোনও কারণ নেই। জ্যোতিষশাস্ত্রের অমোঘ নিয়ম হল, যে গ্রহণ নিজের ভূখণ্ডে দৃশ্যমান নয়, তার কোনও অশুভ প্রভাব বা ‘সূতক কাল’ কার্যকর হয় না। এই গ্রহণ দেখা যাবে আমেরিকা, ইউরোপ, আফ্রিকা এবং আটলান্টিক মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে। ফলে ভারতে এর কোনও অশুভ ছায়া পড়বে না। স্বাভাবিক নিয়মেই পালন করা যাবে রাখিবন্ধনের শুভ আচার।

তিথি পালনে কেন সতর্ক থাকবেন?
গ্রহণের ভয় কাটলেও সনাতন তিথি পালনে সতর্ক থাকা জরুরি। শুভ কর্মে বিঘ্ন ঘটায় ‘ভদ্রাকাল’। তাই শাস্ত্র মতে, সুতো বাঁধার আগে ভদ্রা দোষ এড়িয়ে চলাই শ্রেয়। পুরাণ মতে, সূর্যদেবের কন্যা এবং শনিদেবের ভগ্নী ‘ভদ্রা’-র নামানুসারে একটি নির্দিষ্ট সময়কে ভদ্রাকাল বলা হয়। এই নির্দিষ্ট সময়ে যেকোনও ধরনের শুভ কাজ এড়িয়ে চলতে হয়। সঠিক সময় বেছে নিয়ে ভাইকে তিলক কেটে, মিষ্টি খাইয়ে হাতে শুভ সুতো বেঁধে দিন বোনেরা। ভীতি দূর করে ভক্তি ভরে পালন করুন ভ্রাতৃত্বের এই মহাপর্ব।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
অগ্রিম ৫ লক্ষ টাকা দিয়েও মেলেনি ফ্ল্যাট! জনতার দরবারে লেকটাউনের মহিলা
-
কমনওয়েলথ গেমসে ইতিহাস, সোনার মেয়ে অস্মিতাকে জমি, আর্থিক পুরস্কার দিল ত্রিপুরা সরকার
-
স্বাধীনতা দিবসে লোকভবনে আমন্ত্রিত ৪ হাজার, অনুষ্ঠানে অন্য ৫ রাজ্যও, নবান্নের গুচ্ছ গাইডলাইন
-
সুজিতের অ্যাকাউন্টে নিয়োগ দুর্নীতির ৮ কোটিরও বেশি টাকা, হাই কোর্টে চাঞ্চল্যকর দাবি ইডির
-
সঙ্গীদের নাম আড়াল করতে মোবাইল ভাঙে জঙ্গি রানা! নোটবুক হাতড়ে খোঁজ মিলল ৬ পাক চরের