Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৭ জুলাই ২০২৬
Kanipakam Temple

অলৌকিকভাবে বাড়ছে মন্দিরের গণেশ মূর্তির মাপ! দেখতে ভক্তের ঢল, ধন্দে বিজ্ঞানীরাও

স্বপ্নাদেশ নয়, কোনও দৃষ্টিভ্রমও নয়। প্রতি বছর একটু একটু করে কলেবর বৃদ্ধি পাচ্ছে মন্দিরের গণেশ মূর্তি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৭, ২০২৬, ১৫:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৭, ২০২৬, ১৫:৪৮

options
link
অলৌকিকভাবে বাড়ছে মন্দিরের গণেশ মূর্তির মাপ! দেখতে ভক্তের ঢল, ধন্দে বিজ্ঞানীরাও zoom
মূর্তির একটু একটু করে বেড়ে ওঠা তাজ্জব করেছে সকলকে।

অন্ধ্রপ্রদেশের চিত্তুর জেলা। সেই পুণ্যভূমিতে এক অলৌকিক লীলার সাক্ষী হাজার হাজার ভক্ত। পাথর তো নির্জীব, তার কি বৃদ্ধি সম্ভব? বিজ্ঞানের পাঠ্যবই বলবে, ‘না’। কিন্তু কাটিপুরম গ্রামের মানুষজন বলছেন, ‘হ্যাঁ’। স্বপ্নাদেশ নয়, কোনও দৃষ্টিভ্রমও নয়। প্রতি বছর একটু একটু করে কলেবর বৃদ্ধি পাচ্ছে মন্দিরের গণেশ মূর্তি।

ছবি: সংগৃহীত

এই মন্দিরের প্রতিষ্ঠা ঘিরে জড়িয়ে রয়েছে এক রোমাঞ্চকর অতীত। বহু বছর আগের কথা। ওই এলাকায় জলকষ্ট দূর করতে একদল মানুষ কুয়ো খোঁড়ার কাজ করছিলেন। মাটির গভীরে কোদালের কোপ পড়তেই ঘটেছিল সেই অলৌকিক ঘটনা। হঠাৎই কুয়োর গর্ভ থেকে ফিনকি দিয়ে বেরোতে শুরু করে রক্ত! আতঙ্কে শিউরে উঠেছিলেন উপস্থিত সকলে। এরপর কুয়োর জল সেঁচে দেখা যায়, মাটির নিচে স্বয়ম্ভূ রূপে বিরাজ করছেন বিঘ্নহর্তা গণপতি। কোনও রূপকারের ছেনি-হাতুড়ির স্পর্শ ছাড়াই ধরণীর বুক চিরে আবির্ভাব ঘটেছিল সেই বিগ্রহের। সেখানেই গড়ে ওঠে আজকের বিশ্ববিশ্রুত কানিপাকম বিনায়ক মন্দির।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
ছবি: সংগৃহীত

সম্প্রতি সেই মূর্তির একটু একটু করে বেড়ে ওঠা তাজ্জব করেছে সকলকে। কয়েক দশক আগে বিগ্রহের মাপ নিয়ে একটি সুদৃশ্য রুপোর বর্ম তৈরি করা হয়েছিল। তৎকালীন সময়ে সেই বর্ম গণেশের শরীরে একেবারে খাপ খেয়ে যেত। কিন্তু আজ সেই পোশাক আর দেবঅঙ্গে আঁটছে না! বিগ্রহ চারদিক থেকে চওড়া ও দীর্ঘ হওয়ায় সেই রুপোর বর্ম এখন অনেকটাই ছোট। অগত্যা দেবতাকে অলঙ্কৃত করতে তৈরি করতে হচ্ছে নতুন ও বৃহৎ আকারের অলঙ্কার। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই পরীক্ষা-নিরীক্ষায় নেমেছিলেন বিজ্ঞানীরা। আবহাওয়া, পরিবেশ কিংবা কোনও রাসায়নিক বিক্রিয়ার কারণে পাথরের প্রসারণ ঘটছে কি না, তা খুঁটিয়ে দেখেন গবেষকেরা। কিন্তু চূড়ান্ত গবেষণার পরও তাঁদের ঝুলি শূন্য। বিজ্ঞানের সুনির্দিষ্ট নিয়মকে কাঁচকলা দেখিয়ে গণপতির এই কায়াবৃদ্ধির রহস্য আপাতত অধরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.