Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৭ জুন ২০২৬
Chandan Yatra 2026

বাগবাজার গৌড়ীয় মঠে শুরু ‘চন্দনযাত্রা’ উৎসব, তপ্ত বৈশাখে শীতল হবেন শ্রীকৃষ্ণ

বৈশাখের দহনজ্বালা থেকে শ্রীকৃষ্ণকে স্বস্তি দিতে বাগবাজার গৌড়ীয় মঠে শুরু হল ঐতিহ্যবাহী ‘চন্দনযাত্রা’ মহোৎসব। প্রতি বছরের মতো এবারও ভক্তি আর শ্রদ্ধার মেলবন্ধনে সেজে উঠেছে মঠ প্রাঙ্গণ। আগামী ১০ মে পর্যন্ত টানা ২১ দিনব্যাপী এই উৎসব চলবে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৩, ২০২৬, ১৪:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৩, ২০২৬, ১৪:২৩

options
link
বাগবাজার গৌড়ীয় মঠে শুরু ‘চন্দনযাত্রা’ উৎসব, তপ্ত বৈশাখে শীতল হবেন শ্রীকৃষ্ণ zoom
বাগবাজার গৌড়ীয় মঠে শুরু হল ঐতিহ্যবাহী ‘চন্দনযাত্রা’ মহোৎসব। নিজস্ব ছবি।

বৈশাখের দহনজ্বালা থেকে শ্রীকৃষ্ণকে স্বস্তি দিতে বাগবাজার গৌড়ীয় মঠে শুরু হল ঐতিহ্যবাহী ‘চন্দনযাত্রা’ (Chandan Yatra 2026) মহোৎসব। প্রতি বছরের মতো এবারও ভক্তি আর শ্রদ্ধার মেলবন্ধনে সেজে উঠেছে মঠ প্রাঙ্গণ। আগামী ১০ মে পর্যন্ত টানা ২১ দিনব্যাপী এই উৎসব চলবে। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মন্দিরে ভিড় জমাচ্ছেন অগণিত পুণ্যার্থী। নামসংকীর্তন আর আরতির সুরে মুখরিত হয়ে উঠছে গোটা বাগবাজার।

তীব্র গরমে আরাধ্য দেবতাকে শীতল রাখাই এই উৎসবের প্রধান লক্ষ্য। শাস্ত্রীয় বিধান মেনে বিগ্রহের অঙ্গে লেপন করা হচ্ছে সুগন্ধি চন্দন। সঙ্গে দেওয়া হচ্ছে সুগন্ধি পুষ্পাঞ্জলি। মঠের আচার্য তথা সভাপতি ভক্তি সুন্দর সন্ন্যাসী মহারাজ জানালেন, গ্রীষ্মের উত্তাপ থেকে ভগবানকে রক্ষা করতেই এই আয়োজন। গৌড়ীয় বৈষ্ণব দর্শনে সেবার মাধ্যমে কৃষ্ণকে সুখী করাই ভক্তের পরম ধর্ম। চন্দন ও ফুলের সুবাসে বিগ্রহের রূপ যেমন খোলে, তেমনই শীতল হয় কৃষ্ণের অঙ্গ। ভক্তদের বিশ্বাস, এই সুগন্ধিত সেবায় তুষ্ট হন শ্রীকৃষ্ণ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
Chandan Yatra 2026: Devotees believe that Lord Krishna is pleased with this ritual
নিজস্ব ছবি।

তবে চন্দনযাত্রা কেবল বাহ্যিক আচার নয়, এর গভীরে রয়েছে আধ্যাত্মিক দর্শনের ছোঁয়া। সন্ন্যাসী মহারাজের কথায়, এটি আসলে আত্মশুদ্ধির এক বিশেষ প্রক্রিয়া। চন্দন অর্পণের মাধ্যমে ভক্তরা ভগবানের সঙ্গে নিবিড় আত্মিক যোগ স্থাপন করেন। বর্তমান সময়ের অস্থিরতা কাটিয়ে সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে এই ধরনের উৎসবের প্রাসঙ্গিকতা অনস্বীকার্য।

প্রতিদিন সন্ধ্যায় মন্দিরে আয়োজিত হচ্ছে বিশেষ পূজা ও ভজন। আরতির সময় শঙ্খ ও ঘণ্টার ধ্বনিতে মঠ চত্বরে তৈরি হচ্ছে এক দিব্য পরিবেশ। বাগবাজারের এই প্রাচীন আধ্যাত্মিক বলয় কেবল ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং ঐতিহ্যের বাহক হিসেবেও ভক্তদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে। ২১ দিন ধরে চলা এই উৎসবে প্রতিদিন ভিড় সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন মঠ কর্তৃপক্ষ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.