সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মকর সংক্রান্তির পুণ্যলগ্নে গঙ্গাসাগরের জনজোয়ার সামলানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ প্রশাসনের কাছে। প্রতি বছরের মতো এবারও পশ্চিমবঙ্গ তো বটেই, রাজস্থান, গুজরাট, পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও মহারাষ্ট্র থেকে লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী সাগরতীরে ভিড় জমাবেন। এই বিশাল জনসমাগমে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনের পাশাপাশি কোমর বেঁধে নামছে ভারত সেবাশ্রম সংঘ।
বুধবার বালিগঞ্জে সংঘের প্রধান কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে মেলার প্রস্তুতির খতিয়ান তুলে ধরেন সংঘের প্রধান সম্পাদক স্বামী বিশ্বাত্মানন্দ মহারাজ। তিনি জানান, এবার মেলায় ভিড় সামলাতে সংঘের পক্ষ থেকে ১৫০০-রও বেশি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই সাগর সৈকতে কাজ শুরু করে দিয়েছেন তাঁরা। তীর্থযাত্রীদের সঠিক দিশা দেখানো এবং ভিড়ের চাপে কোনও বিপদ ঘটলে দ্রুত উদ্ধারের কাজ করবেন এই স্বেচ্ছাসেবকরা। স্বামীজি জানান, সাগরে স্নানের সময় লাইফ জ্যাকেট ব্যবহারে তীর্থযাত্রীদের সুরক্ষা দেওয়া হবে। পাশাপাশি, কেউ যদি অসাবধানতাবশত স্রোতে ভেসে যান, তবে তাঁদের উদ্ধার করে নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে প্রস্তুত থাকবে সংঘের একটি বিশেষ রেসকিউ টিম।
পরিষেবার তালিকায় শুধু সুরক্ষা নয়, পুণ্যার্থীদের থাকা-খাওয়ার বিষয়েও বিশেষ নজর দিয়েছে সংঘ। মেলা প্রাঙ্গণে ৫০০০-এর বেশি মানুষের জন্য রাত্রিবাসের অস্থায়ী ছাউনি তৈরি করা হয়েছে। অসুস্থ পুণ্যার্থীদের প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য খোলা হচ্ছে ২০০টিরও বেশি সুলভ কেন্দ্র। আপৎকালীন পরিস্থিতির মোকাবিলায় সারাক্ষণ মজুত থাকবে একাধিক অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা। এর পাশাপাশি প্রতিদিন লক্ষাধিক মানুষের জন্য বিনামূল্যে ভোগ প্রসাদ বিতরণের বিশাল কর্মযজ্ঞ হাতে নিয়েছে ভারত সেবাশ্রম সংঘ। সব মিলিয়ে, যথাযথ শৃঙ্খলা ও সেবার মাধ্যমে এবারের গঙ্গাসাগর তীর্থযাত্রা পুণ্যার্থীদের জন্য নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করাই সংঘের মূল লক্ষ্য।
সর্বশেষ খবর
-
মোদির প্রস্তাবনায় সায় দিয়েছিল ১৭৭ দেশ, কেন ২১ জুনই পালিত হয় আন্তর্জাতিক যোগদিবস?
-
রচনা আউট, স্বস্তিকা ইন! ‘দিদি নম্বর ওয়ান’-এর নতুন সঞ্চালক নিয়ে সরগরম টেলিপাড়া
-
‘মরতে মরতে বেঁচে ফিরেছি’, কেদার-বদ্রীর পৌরাণিক পুরোহিত পথ জিতে নজির হিমালয়ান উইজার্ডের
-
যোগীরাজ্যে নজরে মাদ্রাসা, এবার বাধ্যতামূলক আধার-ভিত্তিক বায়োমেট্রিক হাজিরা!
-
ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত! এবার ‘বোরখা’ মন্তব্যে মহুয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের