Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Twin flame

বিচ্ছেদের পরও বারবার ফিরে আসে প্রাক্তন, ‘টুইন ফ্লেম’ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েননি তো?

প্রেম-বিচ্ছেদ-প্রেম, এই চক্রে আটকে পড়েছে জীবন?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১১, ২০২৬, ১৫:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১১, ২০২৬, ১৫:৫৭

options
link
বিচ্ছেদের পরও বারবার ফিরে আসে প্রাক্তন, ‘টুইন ফ্লেম’ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েননি তো? zoom
টুইন ফ্লেম হল একটা আধ্যাত্মিক যোগ।

কখন যে মন কার জন্য উতলা হয়ে উঠবে, তা হাতে থাকে না। গতকাল অবধি যে অচেনা ছিল, প্রথম সাক্ষাতেই মনে হয়, এ যেন বহু জন্মের চেনা। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এরা জড়িয়ে পড়েন প্রেমের সম্পর্কে। পরিণতি অসম্ভব বুঝে সম্পর্কচ্ছেদের চেষ্টা চালিয়েও বারবার ব্যর্থ হন তাঁরা। নিজেকে দোষারোপ করতে থাকেন। ভাবতে থাকেন, কেন তার সঙ্গেই এমনটা হচ্ছে। মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। কিন্তু জানেন কি এর নেপথ্যে লুকিয়ে রয়েছে গভীর কারণ। রয়েছে পূর্বজন্মের যোগ। সেই কারণেই প্রেম-বিচ্ছেদ-প্রেম, এই চক্রে আটকে পড়ে জীবন। এটাই হল টুইন ফ্লেম সম্পর্ক। চলুন আজ জেনে নেওয়া যাক বিষয়টা ঠিক কী।

একটি আত্মা দুটো ভাগে ভাগ হয়ে তা প্রবেশ করে ভিন্ন শরীরে। তা হল টুইন ফ্লেম।

টুইন ফ্লেম হল একটা আধ্যাত্মিক যোগ। জ্যোতিষশাস্ত্র বলে, পূর্বজন্মের কোনও কর্মের ফল হিসেবে এজন্মে একটি আত্মা দুটো ভাগে ভাগ হয়ে তা প্রবেশ করে ভিন্ন শরীরে। ফলে এইজন্মে দু’জনের একজনও পূর্ণ নন। তাঁরা সর্বদা কোনও কিছুর খোঁজে থাকেন। জীবনের কঠিন সময়ে দেখা পান একে অপরের। শুরু থেকেই তাঁদের মধ্যে কাজ করে এক তীব্র আকর্ষণ। একই আত্মা হওয়ায় সহজেই জড়িয়ে পড়েন প্রেমের সম্পর্কে। তবে মতানৈক্য এদের মধ্যে চলতেই থাকে। আজ ভালো, তো কাল খারাপ। কথা কাটাকাটি, দূরত্ব-কার্যত নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা। কিন্তু সব শেষে ছেড়ে যাওয়ার ক্ষমতা থাকে না কারও। ছেড়ে গিয়েও বারবার এক হয়ে যান টুইন ফ্লেমরা। আসলে এরা অনুঘটকের মতো কাজ করে। একজন অপরকে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করায়।

Advertisement
কটি আত্মা দুটো ভাগে ভাগ হয়ে তা প্রবেশ করে ভিন্ন শরীরে। তা হল টুইন ফ্লেম।

জ্যোতিষবিদদের কথায়, টুইন ফ্লেমদের দেখাই হয় ভুল সময়ে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর মুখোমুখি হন এরা। ফলে প্রবল আকর্ষণ থাকলেও এদের সম্পর্ক পরিণতি পায় না। সাধারণত কাজের সূত্র ধরে পরিচিত হন এই টুইন ফ্লেমরা। খুব অল্প সময়ে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়ে যায়। একে অপরের কাছে আস্থার জায়গা হয়ে দাঁড়ায়। তাঁরা দুজনেই বুঝতে পারেন, এই আকর্ষণ-সম্পর্কের কোনও ভবিষ্যৎ নেই। তাই বারবার চেষ্টা করেন দূরত্ব তৈরির। কিন্তু কোনও কোনওভাবে ফের সংযোগ তৈরি হয়। আর ভাঙা-গড়া নিয়ে এভাবেই চলতে থাকে জীবন।

নিশ্চয়ই ভাবছেন এর থেকে মুক্তির উপায় কী? বেছে নিতে হবে আধ্যাত্মিকতার পথ। নিয়মিত মেডিটেশন করতে হবে। আস্থা রাখতে হবে সর্বশক্তিমানের প্রতি। তাতে প্রেম-বিচ্ছেদের চাপ খানিকটা কমবে। তবে পুরোপুরি সংযোগ বন্ধ হওয়ার ঘটনা বিরল বলেই দাবি জ্যোতিষদের। তবে এই টুইন ফ্লেম তত্ত্বের কোনও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.