কথায় বলে, বন্ধুত্বের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয় না কখনও। তবুও অনেক সময়েই প্রিয় বন্ধুর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়। যাকে ছাড়া এক সময় একদিন কাটানোও কঠিন হত, অজান্তেই কখন যেন বিদায় নেয় জীবন থেকে। সব কথাতেই মতপার্থক্য হয়, সম্পর্কে কিছুই আর আগের মতো থাকে না। মনোবিদরা বলছেন, আচমকা নয়, বন্ধুত্ব ভাঙতে চলেছে কি-না, তা বুঝতে পারা যায় আগে থেকেই। কীভাবে বুঝবেন উলটোদিকের মানুষটির সঙ্গে বন্ধুত্ব শিথিল (failing friendship) হচ্ছে? রইল বন্ধুর মন বোঝার তিন সহজ উপায়।
নিজেই চাইছেন প্ল্যান ভেস্তে যাক!
রোজের কর্মব্যস্ত জীবনে বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ তেমন মেলেই না বললে চলে। বড় কষ্টে ‘মিট-আপ’-এর প্ল্যান করেন তাই, দেখাও করেন পরিকল্পনা মাফিক। হঠাৎই খেয়াল করলেন, বন্ধুর সঙ্গে দেখা হবে ভাবলে আনন্দের বদলে অস্বস্তি অনুভব করছেন। ঠিক রাগ, বিরক্তি বা অনীহা নয়, ভাষায় প্রকাশ করা যায় না এমন এক অস্বস্তি। তা যে খুব তীব্র হতে হবে, তেমন নয়। তবুও হুট করে এই প্ল্যান বাতিল হয়ে যায় যদি, মনে মনে যেন আশ্বস্ত অনুভব করছেন। ‘পরে কখনও দেখা হয়ে যাবে ঠিক’— বলছেন মুখে, আসলে দুঃখ পাচ্ছেন না একেবারেই!
আরও পড়ুন:

কখনও যদি প্ল্যান ভেস্তে না যায়, দেখা করে সময় কাটান দু’জনে, ফেরার পর অপার ক্লান্তি অনুভব করছেন। কিন্তু যে প্রকৃত বন্ধু, তার সঙ্গে সময় কাটালে তো ক্লান্তির পরিবর্তে উৎসাহ অনুভব করার কথা। তাই নয় কি?
গুড নিউজ জানানো যায় কি?
এতদিন পর্যন্ত ভালো কিছু ঘটলেই সবার আগে বন্ধুকে খুলে বলতেন। কিন্তু হঠাৎই এক সময় থেকে দ্বিধাবোধ কাজ করছে মনের ভিতর। ভালো খবর জানানো আদৌ ঠিক হবে কি-না, ভেবে চিন্তিত হয়ে পড়ছেন নিজেই। ঠিক কোন সময় থেকে এমন অস্বস্তির সূচনা? খতিয়ে ভাবলে বুঝবেন, হয়তো আপনার জীবনের গুড নিউজ শুনে খুশি হওয়ার বদলে ঈর্ষা প্রকাশ করেছে উলটোদিকের মানুষ। অথবা প্রবল অনাগ্রহ দেখা গিয়েছে তার হাবেভাবে। একরাশ আনন্দ নিয়ে তার সঙ্গে কথা বলতে গেলে, মনখারাপ নিয়ে ফিরতে হবে জানেন, তাই এহেন দ্বন্দ।

নিজেকে সচেতনভাবে শুধরাচ্ছেন
কাছের বন্ধুর সামনে নিজেকে ‘আন-কাট’ তুলে ধরতে পারাই বোধহয় বন্ধুত্বের আসল পরিচয়। কিন্তু হঠাৎ হয়তো খেয়াল করলেন, বন্ধুকে কিছু বলার আগে বারেবারে শব্দ সাজিয়ে নিচ্ছেন। কেমনভাবে বললে সম্পর্ক ঠিক থাকে, তা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ছেন। সেক্ষেত্রে স্বীকার করতে হয়, অচিরেই সে বন্ধুত্বে চিড় ধরেছে অনেকখানি!
প্রেমের বিচ্ছেদ নিয়ে আমরা যত কথা বলি, বন্ধুত্বের বিচ্ছেদ নিয়ে তার সিকিভাগও বলি না। কিন্তু সম্পর্ক মাত্রেই তার ডেট এক্সপায়ার করতেই পারে। অতএব, যে সম্পর্কটি ভিতরে মারা গিয়েছে, তাকে বন্ধনমুক্ত করুন। নিজেকে বোঝান, ইচ্ছের বিরুদ্ধে ধরে রাখা যায় না কাউকেই। এতে দুজনের জীবনেই মানসিক শান্তি বজায় থাকবে।
সর্বশেষ খবর
-
‘সুস্থ’ থাকবে ইঞ্জিন! বাজারে বিশেষ ‘লুব্রিকেন্ট’ আনল ইন্ডিয়ান অয়েল
-
সরস্বতী নদীর ধারে বেআইনি নির্মাণ, প্রতিবাদ করায় ডোমজুড়ে যুবককে বেধড়ক মার
-
আমেরিকার উপর নজরদারি ইজরায়েলের! গুপ্তচরদের নজর এড়াতে সতর্ক মার্কিন গোয়েন্দারা
-
সাত বছরের অপেক্ষার অবসান, বাংলাদেশকে গুঁড়িয়ে ফের সাফ মহিলা ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন ভারত
-
তৃণমূল বিধায়কের কার্যালয়ে কন্ডোম, গুদাম থেকে মিলল প্রচুর ত্রাণ! চাঞ্চল্য খণ্ডঘোষে