কোনও সম্পর্কের শুরুর দিকে ভালোবাসার প্রকাশ একরকম। তবে দিন যত গড়াতে থাকে ততই যেন সম্পর্ক অভ্যাসের রূপ নেয়। রোজকার দিনযাপনে ছোট ছোট অভ্যাসের মধ্যে লুকিয়ে থাকে ভালোবাসা। বর্তমানে নাকি সেই ভালোবাসা আঁকড়েই বেঁচে থাকতে চাইছে জেন জি-রা। সম্পর্কের এই নয়া ট্রেন্ডের নামই হল ‘রোম্যান্টিক মিনিম্যালিজম’।
সম্প্রতি ভারতীয় ডেটিং অ্যাপ একটি সমীক্ষা করে। তাতেই উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। দেশের যেকোনও মেট্রো শহরের কমপক্ষে ৫৩ শতাংশ তরুণ-তরুণী এই ‘রোম্যান্টিক মিনিম্যালিজমে’ বিশ্বাসী। তাঁরা দিনযাপনের মাঝেই একসঙ্গে ভালো সময় কাটান। নয়া সমীক্ষা বলছে, ৫৫ শতাংশ মহিলাই বিশ্বাস করেন একদিন আলো-আঁধারি রেস্তরাঁয় হাতে হাত রেখে খাওয়াদাওয়া সম্পর্কে যথেষ্ট নয়। তার চেয়ে রোজকার সঙ্গী হয়ে ওঠাই বড় কথা। আবার প্রায় ৪২ শতাংশ তরুণের মতে, দামি উপহারের প্রয়োজন নেই। বরং সঙ্গিনী কোয়ালিটি টাইম কাটাচ্ছেন কিনা, সেটাই ভাবার।
আরও পড়ুন:

সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী দশজনের মধ্যে ছ’জনই জানিয়েছেন, সুন্দর সময় কাটানো মানেই দামি রেস্তরাঁয় গিয়ে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা খরচ নয়। বরং একে অন্যের পাশে থাকা। সুন্দর মুহূর্ত ভাগ করে নেওয়া। তরুণ প্রজন্মের অনেকেই সোশাল মিডিয়ায় ছবি পোস্টের ধার ধারেন না আজকাল। বরং সম্পর্কের বাঁধন ঠিক কতটা শক্তপোক্ত, তা-ই তাঁদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
কেন ক্রমশ বাড়ছে ‘রোম্যান্টিক মিনিম্যালিজম’ ট্রেন্ড? ক্রমশ ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন প্রায় সকলে। দিনের প্রায় বেশিরভাগ সময় কাটছে অফিসে। তার ফলে দিন শেষে বাড়ি ফিরে ক্লান্তিই যেন সার। এই সময় সম্পর্ককে চাঙ্গা রাখতে রোজকার ডেটিং সম্ভব নয়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা মেসেজ কিংবা ফোনে ব্যস্ত থাকাও যেন হয়ে ওঠে দুষ্কর। তাই সেই সময়ে ‘খেয়েছে কিনা’ এই ধরনে আলতো যত্নেই খুশি জেন জি যুগলেরা। তাতেই সম্পর্কের ভিত আরও শক্তপোক্ত হবে বলেই আশা তাঁদের।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
একটা ভুলেই হাতছাড়া ভারতের জয়! বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের আশা দেখছেন শুভমান?
-
পাকিস্তানের ‘যম’ সুদর্শন! ‘এস-৪০০-এর সন্ধানে ভারতে গুপ্তচর নামান মুনির’, দাবি প্রাক্তন এয়ার মার্শালের
-
স্ত্রীকে চাকরি, অর্থ সাহায্য, সুনীল সিংয়ের নিহত আপ্ত সহায়কের পরিবারের পাশে অর্জুন
-
‘সংখ্যাগরিষ্ঠ জেন জি আরএসএসে আছে’, দাবি বিজেপি নেতার
-
৭২ ঘণ্টায় ভাঙবে চিনের আরও এক হিমবাহ হ্রদ! ‘মৃত্যুপুরী’ নেপালে নয়া আতঙ্ক, ‘বন্ধুত্বে’র খেসারত দিচ্ছে কাঠমান্ডু?