Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৭ জুন ২০২৬
Easy Partner

অশান্তির ভয়ে ‘ইজি পার্টনার’ হয়ে যাচ্ছেন! অজান্তেই সম্পর্কের জটিলতা বাড়াচ্ছেন না তো?

জেনে নিন, 'ইজি পার্টনার' হওয়া ঠিক কতটা ক্ষতিকারক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২০, ২০২৬, ১৭:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২০, ২০২৬, ১৭:০৬

options
link
অশান্তির ভয়ে ‘ইজি পার্টনার’ হয়ে যাচ্ছেন! অজান্তেই সম্পর্কের জটিলতা বাড়াচ্ছেন না তো? zoom
ইজি পার্টনার হয়ে সম্পর্কে ক্ষতি করছেন না তো?

বিয়ের পর নানা স্ত্রী আচার পালন করা হয়। সঙ্গীর দোষ লুকিয়ে রাখার প্রতীক রূপে মাটির খুঁড়িতে চাল তুলে রাখতে দেওয়া হয় নববধূকে। তবে শুধু স্ত্রী আচার নয়। বাস্তবে সত্যিই কী এমন মানুষ পাওয়া যায়? জেন জি-র সম্পর্কের অভিধানে নাকি এমন মানুষের সংখ্যা নেহাত কম নয়। হালফিলের ট্রেন্ড মেনে তাঁদের বলা হয় ‘ইজি পার্টনার’।

কী এই ‘ইজি পার্টনার’? এমন একজন সঙ্গী যিনি ঝগড়াঝাটি করতে চান না। সবসময় সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে যা প্রয়োজন তাই করেন। ঝগড়ায় জড়াতে চান না। সে কারণে সঙ্গীর কোনও দোষ ধরেন না। দরকার হলে নিজের মতামত কিংবা অনুভূতিকে খানিকটা ধামাচাপা দিয়ে মানিয়ে নেন সবকিছু। তবে অনেকেই বলছেন, এতে সম্পর্কের স্বাস্থ্যোন্নতির বদলে অবনতির সম্ভাবনাই বেশি। তার ফলে সম্পর্ক একতরফাও হয়ে যেতে পারে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এবার একনজরে দেখে নেওয়া যাক, ‘ইজি পার্টনার’ হওয়া ঠিক কতটা ক্ষতিকারক।

  • ‘ইজি পার্টনারে’র বিপরীতে থাকা মানুষ নিজের চাহিদা সম্পর্কে অনেক বেশি সচেতন। শুধু তাই নয়, তাঁদের মধ্যে চাপিয়ে দেওয়ার প্রবণতাও থাকে। আর ‘ইজি পার্টনার’রা সব সহ্য করে নেন। সেক্ষেত্রে তাঁর নিজের পছন্দ, অপছন্দ জলাঞ্জলি দিতে দিতে অনেক সময় তাঁর আত্মসম্মানও নষ্ট হতে থাকে।
  • অনেক সময় দেখা যায় ‘ইজি পার্টনার’ তাঁর ব্যক্তিত্ব হারিয়ে ফেলেছেন। তার ফলে নিজেই যেন নিজেকে আর চিনতে পারেন না। তার ফলে ক্রমশ নিজের মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হয়। সংশয়ে বাঁচেন ‘ইজি পার্টনার’।
  • ‘ইজি পার্টনার’রা তাঁদের নিজের অনুভূতিকে লুকিয়ে রাখেন। তার ফলে একসময় সেই অনুভূতিকে ক্ষোভে রূপান্তরিত হয়। তার ফলে কখন যে দু’টি মানুষের মধ্যে কয়েক যোজন দূরত্ব তৈরি হয়ে গিয়েছে, তা বোঝাও সম্ভব হয় না। সেই সময় সম্পর্কের ভিতরে আর প্রাণ থাকে না।
  • দু’জনের মতামতের ফলে একটি সম্পর্ক ভিত মজবুত হয়। তা না হলে সম্পর্ক যেন বোঝার মতো মনে হয়। তাই এভাবে একতরফা সম্পর্ককে এগিয়ে যেতে দেবেন না। ‘ইজি পার্টনার’ হওয়ার বদলে দু’জনে মিলেমিশে এগিয়ে চলুন। তাতে সম্পর্কের ভিত আরও শক্তপোক্ত হবে।

সবসময় মনে রাখবেন, দু’জন মানুষের একসঙ্গে থাকা মানেই সুসম্পর্ক নয়। বরং একসঙ্গে হাতে হাত রেখে এগিয়ে চলাই সুস্থ সম্পর্কের লক্ষণ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.