Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Relationship Tips

বসের মেজাজ কি সবসময় সপ্তমে? শান্ত থাকতে এবার নিজেকেই হতে হবে চাণক্য

সারাদিন অফিসে হাড়ভাঙা খাটুনি। দশ-বারো ঘন্টার ডিউটি। নিজেকে নিঙড়ে দেওয়ার পরও বসের মুখঝামটা খান কেউ কেউ। কারণ থাক বা না থাক এমনটা কমবেশি ফেস করেন অনেকেই। এহেন পরিস্থিতে নিজেকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন জানা আছে? শিখে নিন এই সহজ কৌশলগুলি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২৬, ১৫:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২৬, ১৫:৪২

options
link
বসের মেজাজ কি সবসময় সপ্তমে? শান্ত থাকতে এবার নিজেকেই হতে হবে চাণক্য zoom
প্রতিকূল পরিস্থিতেও কীভাবে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করবেন জানা আছে?

সারাদিন অফিসে হাড়ভাঙা খাটুনি। দশ-বারো ঘন্টার ডিউটি। কোনও কোনও ক্ষেত্রে সময়টা আরও বেশি। অথচ নিজেকে নিঙড়ে দেওয়ার পরও অনেককেই বসের মুখঝামটা খেতে হয়। কারণ থাক বা না থাক এমনটা কমবেশি ফেস করেন অনেকেই। কিন্তু কড়া কথা সহ্য করা কি চাট্টিখানি কথা? রক্তচাপ বাড়তে থাকে। মাথার রগ দপদপ করে। মনে হয়, এখনই একটা পালটা জবাব দিয়ে দিই। কিন্তু মনে রাখবেন, ক্ষণিকের সেই বিস্ফোরণ আপনার কেরিয়ারের বারোটা বাজিয়ে দিতে পারে। তাই অফিসের অন্দরমহলে নিজেকে ঠান্ডা রাখার কৌশল রপ্ত করা ভীষণ জরুরি। প্রতিকূল পরিস্থিতেও কীভাবে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করবেন জানা আছে? শিখে নিন এই ৬ সহজ কৌশল।

Relationship Tips: How to Handle Anger and Boss Conflicts Effectively
ছবি: সংগৃহীত

১) রাগ যখন চড়চড় করে বাড়ছে, তখন পালটা তর্কে না জড়িয়ে গভীর শ্বাস নিন। বিজ্ঞান বলছে, গভীর শ্বাস মস্তিষ্কে প্রশান্তির বার্তা পাঠায়।

Advertisement

২) তর্কের জায়গা থেকে সাময়িকভাবে সরে যান। এক গ্লাস জল খান। একটু হাঁটাচলা করুন। রাগের মাথায় কথা বললে হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

৩) নিজেকে প্রশ্ন করুন, এই রাগ কি যুক্তিযুক্ত? অনেক সময় আমরা পরিস্থিতি ভুল বুঝি। বসের দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে বিষয়টি দেখার চেষ্টা করুন। হয়তো কাজের চাপের কারণেই তিনি মেজাজ হারিয়েছেন। ব্যক্তিগতভাবে না নিয়ে পেশাদারিত্ব বজায় রাখুন।

৪) বসের সঙ্গে মতবিরোধ হলে সরাসরি সংঘাতে যাবেন না। শান্ত হয়ে কথা বলুন। ‘আপনি ভুল করছেন’ না বলে বলুন, ‘আমার মনে হয় বিষয়টির অন্য একটি দিকও আছে’।

৫) অভিযোগের বদলে সমাধানের দিকে মন দিন। আপনার সমস্যার কথা বিশ্বস্ত কোনও সহকর্মীর সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারেন। মন হালকা হবে। তবে খেয়াল রাখবেন, সেই আলোচনা যেন অফিসের গসিপ হয়ে না দাঁড়ায়।

৬) দিনশেষে মনে রাখবেন, অফিসের রাগ অফিসে ফেলেই বাড়িতে ফেরা ভালো। মেজাজ সামলাতে পারলে সম্পর্কগুলো যেমন টিঁকে থাকে, তেমনই কাজের জায়গাতেও আপনার গ্রহণযোগ্যতা বাড়ে। শান্ত থাকাই আসলে সবথেকে বড় জয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.