সারাদিন অফিসে হাড়ভাঙা খাটুনি। দশ-বারো ঘন্টার ডিউটি। কোনও কোনও ক্ষেত্রে সময়টা আরও বেশি। অথচ নিজেকে নিঙড়ে দেওয়ার পরও অনেককেই বসের মুখঝামটা খেতে হয়। কারণ থাক বা না থাক এমনটা কমবেশি ফেস করেন অনেকেই। কিন্তু কড়া কথা সহ্য করা কি চাট্টিখানি কথা? রক্তচাপ বাড়তে থাকে। মাথার রগ দপদপ করে। মনে হয়, এখনই একটা পালটা জবাব দিয়ে দিই। কিন্তু মনে রাখবেন, ক্ষণিকের সেই বিস্ফোরণ আপনার কেরিয়ারের বারোটা বাজিয়ে দিতে পারে। তাই অফিসের অন্দরমহলে নিজেকে ঠান্ডা রাখার কৌশল রপ্ত করা ভীষণ জরুরি। প্রতিকূল পরিস্থিতেও কীভাবে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করবেন জানা আছে? শিখে নিন এই ৬ সহজ কৌশল।

আরও পড়ুন:
১) রাগ যখন চড়চড় করে বাড়ছে, তখন পালটা তর্কে না জড়িয়ে গভীর শ্বাস নিন। বিজ্ঞান বলছে, গভীর শ্বাস মস্তিষ্কে প্রশান্তির বার্তা পাঠায়।
২) তর্কের জায়গা থেকে সাময়িকভাবে সরে যান। এক গ্লাস জল খান। একটু হাঁটাচলা করুন। রাগের মাথায় কথা বললে হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
৩) নিজেকে প্রশ্ন করুন, এই রাগ কি যুক্তিযুক্ত? অনেক সময় আমরা পরিস্থিতি ভুল বুঝি। বসের দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে বিষয়টি দেখার চেষ্টা করুন। হয়তো কাজের চাপের কারণেই তিনি মেজাজ হারিয়েছেন। ব্যক্তিগতভাবে না নিয়ে পেশাদারিত্ব বজায় রাখুন।
৪) বসের সঙ্গে মতবিরোধ হলে সরাসরি সংঘাতে যাবেন না। শান্ত হয়ে কথা বলুন। ‘আপনি ভুল করছেন’ না বলে বলুন, ‘আমার মনে হয় বিষয়টির অন্য একটি দিকও আছে’।
৫) অভিযোগের বদলে সমাধানের দিকে মন দিন। আপনার সমস্যার কথা বিশ্বস্ত কোনও সহকর্মীর সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারেন। মন হালকা হবে। তবে খেয়াল রাখবেন, সেই আলোচনা যেন অফিসের গসিপ হয়ে না দাঁড়ায়।
৬) দিনশেষে মনে রাখবেন, অফিসের রাগ অফিসে ফেলেই বাড়িতে ফেরা ভালো। মেজাজ সামলাতে পারলে সম্পর্কগুলো যেমন টিঁকে থাকে, তেমনই কাজের জায়গাতেও আপনার গ্রহণযোগ্যতা বাড়ে। শান্ত থাকাই আসলে সবথেকে বড় জয়।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
এবার ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ, ফের জেল হেফাজতে প্রাক্তন বিধায়ক অসিত মজুমদার
-
‘ভারত-চিন সম্পর্কে নাক গলাবে না রুশ’, ত্রিকোণ বন্ধুত্বের সমীকরণে স্পষ্ট বার্তা পুতিনের
-
কাটমানি না দিলে বাড়ি নয়, বড়ঞায় গ্রেপ্তার তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামী-সহ ৪
-
আমেরিকার বিশ্বকাপে শোনা যাবে না ভুভুজেলার শব্দ, নিষেধাজ্ঞা ‘রিইউজেবল’ জলের বোতলেও
-
বাড়িতে অন্ত্যেষ্টির তোড়জোড়, ৫ দিন পর এভারেস্টের ‘ডেথ জোন’ থেকে সশরীরে ফিরলেন শেরপা