সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রেম মানেই কখনও টক, কখনও মিষ্টি। কথায় আছে, সম্পর্ক মজবুত করে ছোটোখোটো অশান্তি। কিন্তু সেই অশান্তিই যদি প্রতিদিনের রুটিন হয়ে যায়? কথায় কথায় সঙ্গীর সঙ্গে বচসার পরিস্থিতি তৈরি হয়? না চাইতেও হয়তো এড়াতে পারেন না এই পরিস্থিতিগুলো। আসুন, জেনে নেওয়া যাক কীভাবে সহজেই এড়িয়ে যাবেন এসব সমস্যা।
১. সিঁদুরে মেঘ দেখলেই সতর্ক হয়ে যান। হতেই পারে আপনার মেজাজ ভালো নয়, বা সঙ্গীর ব্যবহার খারাপ লেগেছে। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝলে নিজেকে সামান্য সময় দিন। অশান্তি শুরু হলে ১০-১৫ মিনিট নিয়ে নিজেকে ঠান্ডা করুন। তবে সঙ্গীকে অবশ্যই জানিয়ে যাবেন যে, ফিরে আপনি কথা বলবেন। কখনও যেন তাঁর মনে না হয় যে আপনি পরিস্থিতি থেকে পালাতে চাইছেন।

২. আমিত্বে ভুগবেন না। সম্পর্ক মানেই সেটা দুজনের। সঙ্গীকে যদি বলেন, ‘আমি কী ভাবছি তা নিয়ে তুমি ভাবোই না’ তাতে তাঁর খারাপ লাগতেই পারে। কিন্তু যদি বলেন, ‘তুমি আমার কথা না বুঝলে আমার খারাপ লাগে’ তা দৃঢ় করে বন্ধন। একে অপরের প্রতিশ্রদ্ধা বাড়ায়।
৩. সঙ্গীর সব কথায় সহমত পোষণ করতেই হবে, এর কোনও মানে নেই। কিন্তু কোন পরিপ্রেক্ষিতে বা কেন তিনি বলছেন, তা বোঝার চেষ্টা করুন। একমত না হলেও তাঁকে জানান যে আপনি তাঁর জায়গাটা বুঝতে পারছেন।
৪. যা নিয়ে অশান্তি, ততটুকু নিয়েই কথা বলুন। অযথা পুরনো প্রসঙ্গ টেনে আনবেন না ভুলেও।

৫ মেজাজ বিগড়োলেও শরীরী ভাষায় নজর রাখুন। এমন কোনও আচরণ করবেন না যা সঙ্গীর মনে গভীর ক্ষত তৈরি করে। শান্ত হয়ে কথা বলুন।
৬. ঝগড়া হচ্ছে বলেই সঙ্গীকে প্রতিপক্ষ ভেবে বসবেন না। মাথায় রাখবেন, আপনার কিন্তু একই টিম। যা সমস্যা একসঙ্গে সমাধানের চেষ্টা করুন। দেখবেন, নিমেষেই মিটবে অশান্তি।
সর্বশেষ খবর
-
হড়পা বানে মৃত্যুমিছিল, নেপালে একতা চাইছেন ‘ভারতবিদ্বেষী’ বলেন্দ্র! নয়াদিল্লির পাঠানো ত্রাণ নেবেন?
-
যজ্ঞেই শয়তান তাড়ানোর কথা বলে ‘শ্লীলতাহানি’, গয়না নিয়ে উধাও সঙ্গিনী-সহ তান্ত্রিক
-
হড়পা বানে আটকে কৈলাসযাত্রী শিষ্যরা, বিধ্বস্ত নেপালে উদ্ধারকাজে নামতে চান সদগুরু!
-
রাজ্যে উড়ল প্যালেস্তাইনের পতাকা! ‘জাতীয় মর্যাদার সঙ্গে আপস নয়’, কড়া বার্তা শুভেন্দুর
-
হাতে হাত, রংমিলান্তি পোশাক, ফের একফ্রেমে রাজ-শুভশ্রীকে দেখে শান্তি ভক্তদের