Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৩ জুন ২০২৬
Oversharing

চেয়েও থামাতে পারছেন না ‘ওভারশেয়ারিং’-এর অভ্যাস, মেনে চলুন ‘ট্রাফিক লাইট রুল’

কোনও গল্পের অতীত ইতিহাস বলতে বসলে আর কিছুতেই থামতে পারেন না। বন্ধুদের আড্ডায় এমনটা চলতে পারে, কিন্তু পেশাগতক্ষেত্রে কেউ এত দীর্ঘ কথোপকথনে জড়াতে চায় না। সামনে বারণ না করলেও আড়ালে হয়তো আপনার ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে তারা হাসাহাসি করবে। অথবা সমালোচনা করবে আপনার স্বভাবের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০২৬, ১৮:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০২৬, ১৮:০৪

options
link
চেয়েও থামাতে পারছেন না ‘ওভারশেয়ারিং’-এর অভ্যাস, মেনে চলুন ‘ট্রাফিক লাইট রুল’ zoom
ওভারশেয়ারিং-এর অভ্যাস আপাতভাবে ঝঞ্ঝাটহীন মনে হলেও, ক্ষেত্রবিশেষে জটিল সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

আপনি কি ‘ওভারশেয়ার’ (Oversharing ) করেন? অর্থাৎ নিজের ব্যক্তিগত জীবনের যেসব কথা অন্যকে না বললেও চলে, তাও বলে বসেন? তাহলে সাধু সাবধান! নিজের অজান্তেই হয়তো কাছের লোকেদের কাছে আপনি হাসির পাত্র হচ্ছেন। সত্যিই বাড়তি কথা বলার অভ্যাস রয়েছে কি-না, বুঝবেন কীভাবে?

১. মানুষ কথা বলতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে
হয়তো নিজের সম্পর্কে এত বেশি তথ্য দিচ্ছেন অন্যকে, যে সে প্রাথমিকভাবে আগ্রহ নিয়ে শুনলেও, এক পর্যায়ে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। আপনি তার কাছে বিরক্তিকর হয়ে উঠছেন। সাধারণত মানুষ সরাসরি মুখে বলে না, কিন্তু তাদের মুখের অভিব্যক্তি তা জানান দেয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
Experts explain the Traffic Light Rule to reduce oversharing habits
সামনে বারণ না করলেও আড়ালে হয়তো আপনার ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে হাসাহাসি করবে অন্যরা।

২. অতিরিক্ত ব্যাখ্যা করেন
কোনও গল্পের অতীত ইতিহাস বলতে বসলে আর কিছুতেই থামতে পারেন না। বন্ধুদের আড্ডায় এমনটা চলতে পারে, কিন্তু পেশাগতক্ষেত্রে কেউ এত দীর্ঘ কথোপকথনে জড়াতে চায় না। সামনে বারণ না করলেও আড়ালে হয়তো আপনার ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে তারা হাসাহাসি করবে। অথবা সমালোচনা করবে আপনার স্বভাবের।

৩. কথা বলার পর অস্বস্তি অনুভব করেন
অনেক সময় আবেগের বশে এমন কিছু বলে ফেলেন, যা একান্তই ব্যক্তিগত। বলে ফেলার পর অপরাধবোধে ভোগেন। নিজেকে দুর্বল মনে হতে শুরু করে। অন্যের সামনে নিজেকে ‘এক্সপোজড’ অনুভব করেন।

কীভাবে থামানো যায় ‘ওভারশেয়ারিং’?
• ‘ট্রাফিক লাইট নিয়ম’ মেনে চলুন। কথা বলার প্রথম ২০ সেকেন্ড লাইট ‘সবুজ’ (সামনের মানুষটি শুনছে)। ৪০ সেকেন্ডের মাথায় লাইট ‘হলুদ’ (এবার কথা শেষ করার প্রস্তুতি নিন)। ৪০ সেকেন্ড পার হয়ে গেলে লাইট ‘লাল’ (একনাগাড়ে অনেক বলে ফেলছেন, এবার থামুন এবং অন্যকে বলতে দিন)।
• কথা বলার মাঝে বিরতি নিন। থেমে চিন্তা করুন, পরবর্তী বাক্যটি কী বলবেন। তাড়াহুড়ো করে নীরবতা পূরণ করতে গিয়েই মানুষ সাধারণত অতিরিক্ত কথা বলে ফেলে।
• কথোপকথনকে টেনিস ম্যাচের মতো ভাবুন— বল দুই পক্ষেই যাওয়া-আসা করতে হবে। সামনের মানুষটির কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন, এতে নিজের সম্পর্কে বলার তাড়না অনেকটাই কমে যাবে।

How the Traffic Light Rule can help you stop oversharing personal information
হয়তো নিজের সম্পর্কে এত বেশি তথ্য দিচ্ছেন অন্যকে, যে সে প্রাথমিকভাবে আগ্রহ নিয়ে শুনলেও, এক পর্যায়ে আগ্রহ হারাচ্ছে।

• কর্মক্ষেত্র এবং ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে একটি স্পষ্ট সীমানা রাখুন। সহকর্মী বা পরিচিতদের সঙ্গে কথা বলার আগে মনে মনে ঠিক করে নিন যে, কোন কোন বিষয় একদমই আলোচনা করবেন না।
• কোনও ব্যক্তিগত তথ্য অপরকে জানানোর আগে ভাবুন, সত্যিই কি এর প্রয়োজন আছে?

ভুললে চলবে না, যে কথা একবার বলা হচ্ছে, তা ফিরিয়ে নেওয়ার উপায় নেই। তাই ওভারশেয়ারিং-এর অভ্যাস আপাতভাবে ঝঞ্ঝাটহীন মনে হলেও, ক্ষেত্রবিশেষে জটিল সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.