Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২৮ জুন ২০২৬
Relationship

সন্দেহের বিষে ভাঙছে সাজানো ঘর! সম্পর্কের অন্তরায় নয় তো ‘রিলেশনশিপ ওসিডি’?

প্রেমে পড়লে পৃথিবীটা বড্ড রঙিন মনে হয়। মনের মধ্যে সবসময় একটা স্ফূর্তি ভাব থাকে। এমনকী ভালোবাসার মানুষের খুঁতগুলোকেও তখন খুব 'কিউট' লাগে। কিন্তু এই কল্পনার জগৎ খুব বেশি দিন স্থায়ী হয় না। সম্পর্ক যত গড়ায়, মরীচিকা তত স্পষ্ট হয়। এমনকী প্রিয় মানুষটির প্রতিই অকারণে দানা বাঁধে একরাশ অবিশ্বাস। কেন এমনটা হয়? সম্পর্কে এর প্রভাব কতটা?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৮, ২০২৬, ১৩:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৮, ২০২৬, ১৩:২৭

options
link
সন্দেহের বিষে ভাঙছে সাজানো ঘর! সম্পর্কের অন্তরায় নয় তো ‘রিলেশনশিপ ওসিডি’? zoom
বিশ্বের প্রায় ১ থেকে ৪ শতাংশ মানুষ ‘রিলেশনশিপ ওসিডি’তে আক্রান্ত। প্রতীকী ছবি।

প্রেমে পড়লে পৃথিবীটা বড্ড রঙিন মনে হয়। মনের মধ্যে সবসময় একটা স্ফূর্তি ভাব থাকে। এমনকী ভালোবাসার মানুষের খুঁতগুলোকেও তখন খুব ‘কিউট’ লাগে। কিন্তু এই কল্পনার জগৎ খুব বেশি দিন স্থায়ী হয় না। সম্পর্ক যত গড়ায়, মরীচিকা তত স্পষ্ট হয়। এমনকী প্রিয় মানুষটির প্রতিই অকারণে দানা বাঁধে একরাশ অবিশ্বাস। কোনও কারণ নেই, প্রমাণ নেই। অথচ মনের কোণে সারাক্ষণ খচখচ করে একটাই চিন্তা। ‘ও আমাকে ঠকাচ্ছে না তো?’ বিবাহিত হোক বা অবিবাহিত, যেকোনও সম্পর্কেই এমনটা দেখতে পাওয়া যায়। এই অকারণ সন্দেহের চোরাবালিতে তলিয়ে যায় তিলে তিলে গড়ে তোলা সাধের সংসার। মনোবিজ্ঞানের ভাষায় এই যন্ত্রণার নাম ‘রিলেশনশিপ ওসিডি’।

প্রতীকী ছবি

এটি এক ধরনের মানসিক অস্থিরতা। যেখানে ব্যক্তি জানেন যে তাঁর সঙ্গী সৎ এবং সম্পর্কটি সুন্দর। কিন্তু মস্তিষ্ক সেই সত্যিটা মেনে নিতে চায় না। সারাক্ষণ মনে হয় কোথাও একটা বড় ভুল হচ্ছে। হয়তো সম্পর্কে অন্য কেউ প্রবেশ করেছে। কিংবা সঙ্গীর ভালোবাসা কমে গিয়েছে। এই নেতিবাচক চিন্তাগুলো মাথার মধ্যে লুপের মতো ঘুরতে থাকে। চাইলেও এই চক্র থেকে বের হওয়া ক্রমাগত কঠিন হয়ে পড়ে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

গবেষণা বলছে, বিশ্বের প্রায় ১ থেকে ৪ শতাংশ মানুষ এই সমস্যায় আক্রান্ত। যাঁরা আগে থেকেই অবসাদ বা উদ্বেগে ভোগেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও বেশি। এর প্রধান লক্ষণ হল অকারণ সংশয়। “আমি কি ওকে সত্যিই ভালোবাসি?” কিংবা “ও কি আমার জন্য সঠিক মানুষ?”— এমন সব প্রশ্ন নিজের মনকেই সারাক্ষণ বিদ্ধ করতে থাকে। এর কোনও বাস্তব ভিত্তি থাকে না। কিন্তু এই মানসিক টানাপড়েন সুস্থ স্বাভাবিক সম্পর্ককে বিষিয়ে দেয় নিমেষেই। যখন সঙ্গী কাছে আসতে চায়, তখন সন্দেহের দেওয়াল তাঁকে দূরে ঠেলে দেয়। ফলে অপর প্রান্তের মানুষটিও ক্রমশ ক্লান্ত হয়ে সরে যেতে বাধ্য হন।

relationship
প্রতীকী ছবি

রিলেশনশিপ ওসিডি মানেই সম্পর্কের ইতি নয়। এখান থেকে ফেরার পথ আছে। তবে তার জন্য প্রয়োজন অসীম ধৈর্য ও সঠিক চিকিৎসা। একা লড়ার চেয়ে সঙ্গীকে পাশে নিয়ে মনোবিদের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। নিজের নেতিবাচক চিন্তাগুলোকে প্রশ্রয় না দিয়ে ইতিবাচক কাজে মন দেওয়া প্রয়োজন। মনে রাখা দরকার, সন্দেহ দিয়ে ঘর ভাঙা সহজ। কিন্তু বিশ্বাস দিয়ে তা আগলে রাখাতেই সার্থকতা। একমাত্র পারস্পরিক সহমর্মিতাই পারে এই মানসিক জটিলতা কাটিয়ে প্রেমের বসন্তকে ফিরিয়ে আনতে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.