Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Chinese university

‘বই সরিয়ে প্রেমে পড়ুন’, বসন্তের ছুটিতে পড়ুয়াদের রোমান্সের পরামর্শ বিশ্ববিদ্যালয়ের! জানেন কেন?

কারণ জানলে অবাক হবেন আপনিও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২১, ২০২৬, ১৭:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২১, ২০২৬, ১৭:২১

options
link
‘বই সরিয়ে প্রেমে পড়ুন’, বসন্তের ছুটিতে পড়ুয়াদের রোমান্সের পরামর্শ বিশ্ববিদ্যালয়ের! জানেন কেন? zoom

স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছুটি মানেই বাড়িতে পড়াশোনার জন্য দীর্ঘ সময়। পড়ুয়ারা যাতে সময়টা নষ্ট না করে সেই কারণে শিক্ষকরা বিভিন্ন কাজও দেন। কিন্তু যদি বিশ্ববিদ্যালয়ই বলে যে ছুটিতে পড়াশোনার প্রয়োজন নেই, শুধু প্রেম করুন! তাহলে? হ্যাঁ, শুনে অবাক লাগলেও এটাই করেছে চিনের এক বিশ্ববিদ্যালয়। বসন্তের ছুটিতে পড়ুয়াদের সাফ বলা হয়েছে, ‘বই সরিয়ে রেখে প্রেমে পড়ুন, রোম্যান্স করুন।’

ব্যাপারটা ঠিক কী? চিনের একটি বৃত্তিমূলক কলেজে গ্রীষ্ম ও শীতকালীন ছুটির পাশাপাশি বসন্ত ও শরৎকালীন ছুটি চালু করা হয়েছে। মোটামুটিভাবে এপ্রিল বা মে মাসের শুরুর দিকে মিলবে এই ছুটি। কিন্তু এই ছুটিতে লেখাপড়ার কোনও দরকারই নেই! কারণ, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষই বলছে বইপত্র দূরে সরিয়ে প্রেম করতে। সঙ্গীর সঙ্গে সময় কাটানোতেই মননিবেশ করতে বলা হয়েছে। কিন্তু কেন? ২০২৫ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী চিনের জনসংখ্যা হ্রাস পেয়েছে পরপর চার বছর। রেকর্ড হারে কমেছে জন্মহার। সেকথা মাথায় রেখে জাতীয় উন্নয়ন ও সংস্কার কমিশন (এনডিআরসি) শিশুবান্ধব উন্নয়নকে উৎসাহিত করার জন্য একটি নির্দেশিকা জারি করেছে। রয়টার্সের মতে, এই বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, খেলাধুলা এবং বিনোদনের মতো জনসেবার মানোন্নয়নের মাধ্যমে ‘শিশুবান্ধব শহর’ তৈরির কথা বলা হয়েছে।

Advertisement

চিনের একটি বৃত্তিমূলক কলেজে গ্রীষ্ম ও শীতকালীন ছুটির পাশাপাশি বসন্ত ও শরৎকালীন ছুটি চালু করা হয়েছে। মোটামুটিভাবে এপ্রিল বা মে মাসের শুরুর দিকে মিলবে এই ছুটি। কিন্তু এই ছুটিতে লেখাপড়ার কোনও দরকারই নেই! কারণ, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষই বলছে বইপত্র দূরে সরিয়ে প্রেম করতে। সঙ্গীর সঙ্গে সময় কাটানোতেই মননিবেশ করতে বলা হয়েছে।

চিনা ভ্রমণ সংস্থা Trip.com-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং একজন বিশিষ্ট জনসংখ্যাতত্ত্ব বিশেষজ্ঞ জেমস লিয়াং রয়টার্সকে বলেন যে, সন্তান লালন-পালনের জন্য অর্থের পাশাপাশি প্রয়োজন পর্যাপ্ত সময়। যা অধিকাংশই পান না। তিনি বড় পরিবার গঠনের সামাজিক ও ব্যক্তিগত সুবিধা সম্পর্কে তরুণদের শিক্ষিত করতে উদ্যোগী হয়েছেন। লিয়াং আরও বলেন, সরকার  সম্পদের পুনর্বণ্টন এবং আর্থিক সহায়তা বৃদ্ধির মাধ্যমে একটি বৃহত্তর সহায়তা কাঠামো প্রতিষ্ঠা করতে পারে।

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.