Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
Love

ঘুরতে গিয়ে চোখে চোখ, চল্লিশের যুবকের প্রেমে হাবুডুবু খেলেন সত্তরের বৃদ্ধা, তারপর…

বয়সের পার্থক্য ৩০ হলেও বৃদ্ধা বুঝতে পারছিলেন তিনি যুবককে ভালোবেসে ফেলেছেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৫, ২০২৫, ১৭:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৫, ২০২৫, ১৭:০৪

options
link
ঘুরতে গিয়ে চোখে চোখ, চল্লিশের যুবকের প্রেমে হাবুডুবু খেলেন সত্তরের বৃদ্ধা, তারপর… zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভালোবাসা কোনও বয়স মানে না। কোনও বাধাও মানে না। যেমনটা হল এই দু’জনের ক্ষেত্রে। চাকরি থেকে সদ্য অবসর নিয়েছেন সত্তরের বৃদ্ধা। ছুটি কাটাতে লন্ডন থেকে পাড়ি দিয়েছিলেন স্পেনে। সেখানকার সমুদ্রের ধারে একাই বসেছিলেন। কীভাবে বাকি জীবনটা উপভোগ করবেন, সেকথাই ভাবছিলেন। পরনে ছিল তাঁর বিকিনি। হঠাৎ চোখ যায় এক যুবকের দিকে। দু’জনেরই চোখে চোখ পড়ে। বৃদ্ধাকে একা বসে থাকতে দেখে নিজেই এগিয়ে আসে সেই যুবক। দু-চার কথা বলার পরই দু’জনেরই দু’জনকে ভালো লেগে যায়। এরপর স্পেনে তাঁরা একসঙ্গে দিনও কাটান। কিন্তু বয়সের পার্থক্যের কারণে নিজের মন শক্ত করে দেশে ফিরে যান ওই বৃদ্ধা। যার কিছুই জানতে পারেননি ওই যুবক। এরপর ফের ভাগ্য তাঁদের কাছাকাছি নিয়ে আসে। কিন্তু সব গল্পের মতো এই গল্পের মধুরেণ সমাপয়েৎ হল না। 

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, লন্ডনে ফিরে যাওয়ার পর অন্য সম্পর্ক জড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন ওই বৃদ্ধা। কিন্তু তাঁর মনজুড়ে শুধুই ছিল ওই যুবক। বয়সের পার্থক্য ৩০ হলেও বৃদ্ধা বুঝতে পারছিলেন তিনি যুবককে ভালোবেসে ফেলেছেন। এভাবেই কেটে যায় মাঝের পাঁচ বছর। স্মৃতির টানে ফের একবার স্পেনে ছুটে যান বৃদ্ধা। একটি হোটেলে গিয়ে ওঠেন। আর সেখানেই চমকে যান। ওই হোটেলেই ছিলেন সেই যুবক।

Advertisement

গল্পের মতো শোনালেও সত্তরের বৃদ্ধাকে জড়িয়ে যুবক জিজ্ঞাসা করেন, “আমাকে ছেড়ে কোথায় চলে গিয়েছিলে?”। বৃদ্ধা জিজ্ঞাসা করেন, “তোমার বিয়ে হয়ে গিয়েছে?”। যুবক জানান, তাঁর দুই সন্তান রয়েছে। কিন্তু বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছে। এরপর আর দু’জনেই সময় নষ্ট করেননি। স্পেনে ফের সঙ্গে থাকতে শুরু করেন। লন্ডনে ফিরে গেলেও যুবকের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ রেখেছিলেন বৃদ্ধা।

কিন্তু ফের এক হয়েও শেষটা সুন্দর হল না দু’জনের। বিচ্ছেদই ছিল তাঁদের ভাগ্যে। আর সেটাই হল। ওই বৃদ্ধা জানান, দু’জনের সম্পর্কের কথা মেনে নেননি তাঁর সন্তানরা। কারণ তাঁদের দাবি, ওই যুবক শুধুমাত্র সম্পত্তির লোভে তাঁর সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন। কিন্তু ওই বৃদ্ধা তা মানতে চাননি। তিনি বলেন, নতুন করে তাঁকে বাঁচতে শিখিয়েছেন ওই যুবক। কিন্তু আর কোনও ঝামেলা চাননি বৃদ্ধা। তাই যুবকের সঙ্গে সম্পর্কে ইতি টানেন। একসঙ্গে থাকা না হলেও এখনও ফোনে যোগাযোগ রয়েছে দু’জনের। এভাবেই বৃদ্ধার সঙ্গে থাকতে খুশি যুবকও। একসঙ্গে না থাকলেও দূর থেকেও যে ভালোবাসা যায় তা প্রমাণ করলেন এই দু’জন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.