কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীর প্রেমে হাবুডুবুই যেন ট্রেন্ড, কেন পরকীয়ায় এগিয়ে মহিলারাই?
সাধারণত কোন কোন পেশায় সবচেয়ে বেশি পরকীয়ার সম্ভাবনা?
সমীক্ষা বলছে, এই সুযোগে নাকি বাড়ছে প্রেমের সম্পর্ক। পরকীয়ার গ্রাফও নাকি আকাশচুম্বী। ৪০ শতাংশ কর্মজীবী মানুষই নাকি অফিসে পরকীয়ায় মজে। বলা ভালো, অফিসই ক্রমশ হয়ে উঠছে পরকীয়ার আস্তানা! কমপক্ষে সমীক্ষা সেই তথ্যই দিচ্ছে। বহুক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, মনের মানুষকেও নাকি ঠকাচ্ছেন কেউ কেউ। প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে ভাঙছে সম্পর্কও।
আরও পড়ুন:
সাধারণত কোন কোন পেশায় সবচেয়ে বেশি পরকীয়ার সম্ভাবনা? সমীক্ষা বলছে, চিকিৎসক ও নার্স, ব্যাঙ্কার ও ব্রোকার, আইটি এবং টেকনোলজি, পাইলট এবং কেবিন ক্রু, বিনোদুনিয়ায় যুক্তদের সঙ্গে সাংবাদিকের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠার সম্ভাবনা অনেক বেশি। যদিও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এভাবে নির্দিষ্ট করে কোনও পেশাকে বেঁধে দেওয়া উচিত নয়।
আরও পড়ুন:
আবার আশ্চর্যের বিষয় হল, সবচেয়ে বেশি পরকীয়ায় জড়াচ্ছেন নাকি মহিলারাই। কিন্তু কেন কর্মক্ষেত্রে পরকীয়া বাড়ছে? গবেষকদের মতে, অতিরিক্ত কাজের চাপ, পরিবারকে সময় দিতে না পারা এবং সহকর্মীদের সঙ্গে অধিক সময় কাটানোই হল মূল কারণ। যখন কেউ নিজের সঙ্গীর কাছ থেকে সময় পান না, তখন কর্মক্ষেত্রের মানুষটিই তাঁর সবচেয়ে কাছে হয়ে ওঠেন।
সহকর্মীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়ালে কয়েকটি কথা অবশ্যই মনে রাখা উচিত। কর্মক্ষেত্রে ব্যক্তিগত সম্পর্কের উদযাপন করবেন না। ব্যক্তিগত আলাপচারিতা এড়িয়ে চলুন। দ্বিতীয়ত, সম্পর্ক যত দূর সম্ভব আড়ালেই রাখুন। বেশি কারও সঙ্গে আলোচনা করবেন না। তৃতীয়ত, কাজের ফাঁকে ই মেল কিংবা মেসেজ চালাচালি করবেন না। তাতে অন্যরা কানাঘুষো আলোচনা করতে পারেন।