ডিম্পল-মাধুরীর ঠোঁটে কামড়, রামিয়ার ব্লাউজ ছিঁড়ে দেওয়া… বিতর্কের আরেক নাম বিনোদ খান্না
মৃত্যুর পরে একদশক পেরিয়ে আজও চর্চায় বিনোদের জীবনের বিতর্কিত অধ্যায়।
বিনোদ খান্না ও মাধুরী দীক্ষিতের ‘দয়াবান’ ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল ১৯৮৮ সালে। সেই ছবির ‘আজ ফির তুমপে প্যায়ার আয়া হ্যায়’ গান ঘিরে জন্ম নিয়েছিল প্রবল বিতর্ক। মাধুরী ও বিনোদের ‘বোল্ড’ সিন সেই আটের দশকে ছিল একেবারেই আনকোরা। বহু রিপোর্টে দাবি করা হয়, খান্না প্রায় পাঁচ মিনিট ধরে চুমু খেয়েছিলেন মাধুরীকে। কামড়েও দিয়েছিলেন নায়িকার ঠোঁটে।
আরও পড়ুন:
রীতিমতো রক্তারক্তি কাণ্ড ঘটে গিয়েছিল। শটের পরে দেখা গিয়েছিল কেঁদেই চলেছেন মাধুরী। শোনা যায়, পরে নাকি বিনোদ খান্না ক্ষমাও চেয়ে নেন। খোদ অভিনেত্রী নিজেই সেকথা জানিয়েছিলেন। গানটির জন্য পরিচালক ফিরোজ খানকে আইনি নোটিসের মুখেও পড়তে হয়। তাঁকে বলা হয় গানটি বাদ দিতে। এমনকী মাধুরীও অনুরোধ করেন। কিন্তু তিনি তা করেননি। এর জন্য তাঁকে ১ কোটি টাকা জরিমানা দিতে হয়েছিল।
প্রায় একই ধরনের কাণ্ড বিনোদ নাকি করেছিলেন ডিম্পল কাপাডিয়ার সঙ্গেও! মহেশ ভাটের 'প্রেম ধরম' ছবির মধ্যে দিয়ে ৫ বছর পরে বিনোদ প্রত্যাবর্তন করেন রুপোলি পর্দার জগতে। আর সেই ছবিতেও ডিম্পলের সঙ্গে শয্যাদৃশ্যে অভিনয় করেছিলেন তিনি। পরিচালক 'কাট' বলার পরেও তিনি ডিম্পলকে আলিঙ্গন করে রেখে চুম্বন চালিয়ে যান। যা ডিম্পলকে আতঙ্কিত করে তুলেছিল।
আরও পড়ুন:
ব্যস্ত শহরে বিনোদ খান্নার মতো স্টারকে এভাবে নগ্ন অবস্থায় দেখলে কার কী প্রতিক্রিয়া হবে? সেসব দিকে কোনও ভ্রুক্ষেপই ছিল না অভিনেতার। কোনওদিনই কোনও নিয়ম মানেননি তিনি। বরাবরই বিতর্কের কেন্দ্রে থাকলেও জীবন কাটিয়েছেন নিজের শর্তে। অনেকের মতে, অভিনয়ের প্রতি ফোকাস আরও ধরে রাখতে পারলে বিগ বি-কে তিনি পিছনে ফেলে দিতেও পারতেন হয়তো। কিন্তু বিনোদের মতো মানুষেরা আসলে লাগামছাড়া থাকতেই ভালোবেসেছেন আজীবন।