ভারতের এই ৫ স্থানে ঢল নামে বিদেশিদের, অথচ প্রবেশ নিষেধ ভারতীয়দেরই!
ভারতেই রয়েছে এমন কয়েকটি জায়গা, যেখানে ভারতীয়দের প্রবেশ নিষেধ! শুনতে অবিশ্বাস্য লাগলেও সত্যি। কোনও মূল্যেই ভারতীয় বংশোদ্ভূতরা প্রবেশাধিকার পান না এই সমস্ত জায়গায়।
গোয়ার ‘ফরেনার অনলি’ সমুদ্রসৈকত - গোয়া যেন ভারতের ‘পার্টি হাব’! ঢালাও মদ্যপান আর উচ্ছৃঙ্খল উৎযাপনের লক্ষ্যে বহু পর্যটকই হাজির হন সমুদ্র উপকূলবর্তী এই শহরে। আসেন বিদেশিরাও। সাধারণত সমুদ্রে স্নানের জন্য ভারতীয়দের তুলনায় অনেক বেশি খোলামেলা পোশাক পরেন তাঁরা। যাতে তাঁদের অযাচিত চাহনির কেন্দ্রবিন্দু না হতে হয়, তাই এইসব সৈকতে ভারতীয় পর্যটকদের প্রবেশের ক্ষেত্রে কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন।
আরও পড়ুন:
ফ্রি কাসোল ক্যাফে, কাসোল - হিমাচল প্রদেশের কুল্লুতে অবস্থিত কাসোল নামের একরত্তি জনবসতি, ঠিক যেন পোস্টকার্ডের ছবি। আর এই শহরেই অবস্থিত ছোট্ট ক্যাফেখানি। ইসরায়েল থেকে আগত পর্যটকদের জন্য সর্বদাই খোলা এই ক্যাফে। তবে ভারতীয়রা প্রবেশ করতে পারেন না এইখানে। এমনকী, কোনও ভারতীয় যদি ভিতরে ঢুকে টেবিলে বসেও পড়েন, তবু তাঁকে মেনুকার্ড দিতে চাইবেন না সেখানকার তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা!
সাকুরা রিয়োকান রেস্টুরেন্ট, আহমেদাবাদ - আহমেদাবাদে অবস্থিত এই রেস্তরাঁটির আধিকারিকরা সকলেই জাপানি। কেবলমাত্র জাপানি খাবার ও পানীয় পাওয়া যায় এইখানে। রেস্তরাঁটির দরজার উপরেই বড় হরফে লেখা— ‘ভারতীয়দের প্রবেশ নিষেধ’! রেস্তরাঁর মালিক জানিয়েছেন, সেখানকার কর্মচারীরা হিন্দি কিংবা ইংরেজি বলায় সাবলীল নয়। আর তাই ভারতীয়দের সঙ্গে আলাপচারিতায় স্বাচ্ছন্দ অনুভব করে না। কেবল জাপানি ক্রেতাদেরই স্বাগত জানায় এই রেস্তরাঁ।
রাশিয়ান কলোনি, কুদানকুলাম - ১৮০০-এ ভারতে ব্রিটিশদের কার্যকলাপে নজর রাখতে এই কলোনি স্থাপিত হয়। তবে ১৯৪০ সালে তারা সেখান থেকে বিতাড়িত হয়। সেই থেকেই জনশূন্য অবস্থায় পড়ে রয়েছে এই কলোনি। বর্তমানে তা পর্যটন কেন্দ্র, দেশ-বিদেশের বহু পর্যটক ভিড় করে সেখানে। তবে আজও এই কলোনিতে ভারতীয়দের প্রবেশ সহজ নয়। কেবলমাত্র রাশিয়ান এমব্যাসি থেকে অনুমতিপত্র জোগাড় করলে তবেই সেখানে ঢুকতে পারে তারা!
আরও পড়ুন:
রেড ললিপপ হোস্টেল, চেন্নাই - তামিলনাড়ুর এই হোস্টেলের অন্যতম পলিসি— ভারতীয়রা প্রবেশ করতে পারবেন না কোনওভাবেই! কেবলমাত্র বিদেশিরাই এখানে থাকার ও রাত্রিবাসের সুযোগ পাবেন। প্রবেশের জন্য দেখাতে হয় পাসপোর্ট! পর্যটকরা এ দেশের বাসিন্দা নয়, তা নিশ্চিত হলে তবেই তাঁদের থাকার সুযোগ দেওয়া হয় এখানে। বিশেষত, সে সমস্ত পর্যটকরা ভারতে প্রথমবারের জন্য আসেন, তাঁদের আপ্যায়নে কসুর করে না হোস্টেলের কর্মচারিরা।