হিন্দি টেলিভিশনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সৃষ্টি রোধ। ছোটপর্দার এই মিষ্টি বউমা সোশাল মিডিয়ায় বেশ বিন্দাস। 'কমেন্ট হিসেবে শুধু গোলাপ চাই', একথা লিখেই পোস্ট করেছেন ছবি।
২৬
গোলাপ অবশ্য সৃষ্টির হাতেই রয়েছে। তা নিয়েই ফেনাভর্তি বাথটবের ভিতরে বসে পড়েছেন নায়িকা। তৃষ্ণার্ত চাহনিতে পোজ দিয়েছেন ক্যামেরার সামনে।
মুম্বইয়ে জন্ম সৃষ্টির। তাঁর বাবা টোনি রোধ একজন সিনেমাটোগ্রাফার। স্কুলের পড়াশোনা শেষ করে মুম্বইয়ের মিঠিবাই কলেজে ভর্তি হন সৃষ্টি। সেখান থেকেই পান গ্র্যাজুয়েশন ডিগ্রি।
৪৬
২০০৭ সালে বালাজি টেলিফিল্মসের 'কুছ ইস তরা' ধারাবাহিকের মাধ্যমে অভিনয় সফর শুরু করেন সৃষ্টি। ছোট্ট চরিত্রের জন্য পান ১০০০ টাকা।
৫৬
এর পর অডিশন দেওয়া শুরু করেন সৃষ্টি। একাধিক বিজ্ঞাপনে দেখা যায় তাঁকে। ২০১০ সালে 'ইয়ে ইশক হায়' সিরিয়ালে মুখ্য চরিত্র হিসেবে সুযোগ পান সৃষ্টি। এর পর আর তাঁকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।
'লাভ ডোজ ২'-এর সেটে। যেখানে হানি সিংকে ধন্যবাদ জানিয়ে একটা জম্পেশ পোস্ট করেছেন উর্বশী রাওতেলা।
৪৫
মডেল-অভিনেত্রী নিজেই সেই সোনায় মোড়া জন্মদিন সেলিব্রেশনের ছবি শেয়ার করেছেন ইনস্টাগ্রামে। উর্বশীর পরনে লাল গাউন।
৫৫
সামনেই টেবিলে রাখা থ্রি টায়ার সোনায় মোড়া কেক। যে বিশেষ উপহার তাঁকে দিয়েছেন হানি সিং। খাইয়েও দিলেন বার্থডে গার্ল উর্বশীকে। সেই ছবি দেখেই হানি সিংয়ের সঙ্গে তাঁর প্রেমের জল্পনা তুঙ্গে! (ছবি: ইনস্টাগ্রাম)
মনে করা হয়, দ্বারকা শহরের ধ্বংসাবশেষ এখনও সমুদ্রের নিচে নিমজ্জিত রয়েছে। স্কুবা ডাইভিং এর মধ্যে দিয়ে জলের তোলায় ডুব দিয়ে দ্বারকার সেই ধ্বংসাবশেষই দেখতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সারলেন পুজোও।
৪১১
তাঁর স্কুবা ড্রাইভিংয়ের কিছু ছবিও তুলে ধরেছেন। মোদির পরনে গেরুয়া পাঞ্জাবি, তার উপর চাপানো ছিল গেরুয়া মোদি কোট। জলের তলায় দ্বারকার দর্শনে যাওয়ার জন্যে কোমরে বেঁধেছিলেন ময়ূরের পালক।
৫১১
নিজের এক্স হ্যান্ডেল থেকে সেই দুর্দান্ত অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তিনি লিখেছেন, "এটা এক ঐশ্বরিক অভিজ্ঞতা। আমি আধ্যাত্মিক মহিমা এবং প্রাচীন যুগের সঙ্গে সংযোগ অনুভব করেছি। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আমাদের সকলের মঙ্গল করুন।"
গুজরাট উপকূলে স্কুবা ডাইভিং বেশ জনপ্রিয়। জলে ডুব দিয়ে প্রাচীন নগরীর ধ্বংসাবশেষ চাক্ষুষ করেন অনেকে। আজ মোদিও জলে নামেন।
৭১১
স্কুবা ডাইভিংয়ের আগে দ্বারকাদিস মন্দিরেও পুজো দেন প্রধানমন্ত্রী। অঞ্জলি দেন তিনি।
৮১১
গুজরাটে দ্বারকানগরীর পৌরাণিক গুরুত্ব রয়েছে। কথিত আছে, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সেখানকার বাসিন্দা। দ্বারকার পত্তন তাঁর হাতেই। সমুদ্রের দেবতার কাছে দ্বারকা নগরীর জন্য পরামর্শ চেয়েছিলেন। সেই মতো শ্রীকৃষ্ণকে দ্বারকা নগরী তৈরির জন্য জমি দেন সমুদ্রের দেবতা।
৯১১
কথিত রয়েছে, দ্বারকা নগরীর নির্মাণে স্বর্গীয় ভাস্কর্যের ছোঁয়া ছিল। সেটিকে ‘গোল্ডেন সিটি’ বা ‘স্বর্ণনগরী’ বলা হত।
১০১১
প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, শ্রীকৃষ্ণ স্বর্গে পাড়ি দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দ্বারকা নগরী জলে তলিয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গেই দ্বাপর যুগের সমাপ্তি ঘটে।
১১১১
নতুন ও পুরনো দ্বারকার মধ্যে সংযোগ সাধন করবে এই ২.৩২ কিমি দীর্ঘ সেতুটি। যা নির্মাণে খরচ পড়েছে ৯৭৯ কোটি টাকা।