জীবন কেটেছে অর্থকষ্টে, মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরেও বিলাসী জীবন বেছে নেননি হীরাবেন
নিজের পড়াশোনা বেশি দূর না হলেও ছেলেমেয়েকে উন্নতির পথ দেখিয়েছেন রত্নগর্ভা।
আরও পড়ুন:
শাসন নয়। পরিবর্তে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সন্তানদের সুশিক্ষা দিতেন হীরাবেন। মোদির ছোটবেলায় ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা যেন তারই জ্বলন্ত প্রমাণ। ছোটবেলায় একদিন একটি কুমিরছানা সঙ্গে নিয়ে স্কুলে যান মোদি। স্কুলশিক্ষক দেখে ভয় পান। পুকুর ফেলে দিয়ে আসতে বলেন। কিন্তু মোদি কিছুতেই কুমিরছানাটিকে হাতছাড়া করবেন না। কুমিরছানা নিয়ে বাড়িও চলে আসেন। হীরাবেন বোঝান মোদি অজান্তেই কুমিরছানাকে তার পরিবারের থেকে আলাদা করে ফেলেছেন। মানসিক অবস্থার কথা ভেবে...
আরও পড়ুন:
মায়ের থেকে দূরে থাকলেও প্রতিবার জন্মদিনের আগে কিংবা দীপাবলিতে হীরাবেনের কাছে যেতেন। পা ধুঁয়ে মায়ের আশীর্বাদ গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী। শুক্রবার টুইটে মায়ের মৃত্যুসংবাদ দেন মোদি। তিনি লেখেন, “ঈশ্বরের চরণে বিশ্রাম করছে একটা উজ্জ্বল শতবর্ষ। মায়ের মধ্যে আমি সবসময় এক তপস্বীর যাত্রা, নিঃস্বার্থ কর্মযোগী এবং মূল্যবোধের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ জীবন অনুভব করেছি।”