‘ডবল ইঞ্জিনে নাজেহাল সরকার, আমির ট্রিপল ইঞ্জিন চালাচ্ছে’, লাগামহীন রসিকতা শেখর সুমনের
আমিরের তৃতীয় বিয়ে নিয়ে রসিকতা শেখর সুমনের। মজার ছলে বলেছেন, আমিরের জীবন ট্রেনের ইঞ্জিনের মতো। বারবার নতুন নতুন বগি যোগ করে এবং আগের বগিগুলোর সঙ্গে আবার সংযুক্ত হয়।
শেখর সুমন তাঁর শোয়ে আমিরের তৃতীয় বিয়ে নিয়ে খানিক হেঁয়ালি করেন। মজা করে বলেন, "এই মানুষটি আগামী বহু প্রজন্মকে একটি অনন্য দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে গেলেন। সাফল্য না আসা পর্যন্ত চেষ্টা জারি রাখা উচিত। বিশেষ করে রাজনীতিবিদদের তাঁর কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। অনেকের মতে, রাজনীতিবিদরা জোট গঠনে পারদর্শী। কিন্তু প্রকৃত জোট কীভাবে গড়তে হয় সেটা এই মানুষটির কাছ থেকে শেখা উচিত।"
আরও পড়ুন:
প্রাক্তন-বর্তমানের সঙ্গে আমিরের মধুর সম্পর্ক। যে কোনও অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকেন দুই প্রাক্তন স্ত্রী। গৌরীর সঙ্গে বিয়ের দিন রীতিমতো কাজ করেছেন কিরণ। আমিরি কায়দায় বিচ্ছেদের পরও স্ত্রীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক নিয়েও 'দুষ্টুমি' করেছেন। শেখর বলেন, "আমির খান তো একেবারে 'মহাগঠবন্ধন' তৈরি করে ফেলেছেন।" আরও একধাপ এগিয়ে বলেন, "আমাদের সরকার ডাবল ইঞ্জিন ঠিকমতো চালাতে হিমশিম খায়। সেখানে উনি দিব্যি ট্রিপল ইঞ্জিন চালিয়ে যাচ্ছেন।"
এখানেই শেষ করেননি। আরও বলেন, "আমিরের প্রতিভা সত্যিই কল্পনাতীত। ট্রেনের ইঞ্জিনের মতো, বারবার নতুন নতুন বগি যোগ করে এবং আগের বগিগুলোর সঙ্গে আবার সংযুক্ত হয়।" এমন একটি ইঞ্জিনের সঙ্গে তুলনা করেন যা বিভিন্ন ধরনের জ্বালানির মিশ্রণে চললেও নির্বিঘ্নে নিজের নতুন গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আমিরের তৃতীয় স্ত্রী গৌরীর নাম নিয়েও মজা করেন শেখর সুমন।
রসিকতার ছলে বলেন, "আপনে গৌরী, এক মিনিট গৌর, কেয়া হোগা? এভাবেই আমিরের অর্ধাঙ্গিনী গৌরী স্প্র্যাটের নাম নিয়েও শব্দছক খেলায় মাতেন। এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি বলিউডের 'মিস্টার পারফেক্টশনিস্ট'। রাজনৈতিক প্রসঙ্গ টেনে শেখরের সংযোজন, "আমির খান তৃতীয়বার পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছেন। উনি তাহলে এনডিএ সরকার? নরেন্দ্র মোদিও হয়তো ভাবছেন, নেহরুর রেকর্ড ভাঙার পর এবার তাঁর নতুন প্রতিদ্বন্দ্বী আমির খান!"
আরও পড়ুন:
আমিরের তৃতীয় বিয়ের অনুষ্ঠানে তাঁর প্রথম দুই স্ত্রী এবং সন্তানদের উপস্থিতি নিয়েও রসরিকতা করতে ছাড়েননি। এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'বসুধৈব কুটুম্বকম' যার বাংলা তর্জমা করেল হয়, পুরো পৃথিবীটাই একটি পরিবার। সবশেষে নিজের স্বভাবসুলভ কৌতুকের ভঙ্গিতে বলেন, "এখন বুঝতে পারছি কেন মিস্টার পারফেকশনিস্ট বলা হয়। কোনও কাজ নিখুঁত না হওয়া পর্যন্ত চেষ্টা জারি রাখেন। আর আমরা সবাই জানি, পরিপূর্ণতার তো কোনও সীমা নেই।"