সোশাল মিডিয়ায় তিনি যথেষ্ট অ্যাকটিভ। তাঁর নানা ফটোশুটে উপচে পড়ে নেটিজেনদের মন্তব্য। শুধু তাই নয় ছবির ক্যাপশনেও যেন এক রহস্য জিইয়ে রাখেন সৌরসেনী। (ছবি: ইনস্টাগ্রাম)
রণবীর কাপুরের সঙ্গে প্রেম করাকালীন তাঁর নামের আদ্যক্ষর RK লেখা ট্যাটু করিয়েছিলেন দীপিকা পাড়ুকোন। তবে সম্পর্ক ভাঙার পর K অক্ষরটি ফুলে রূপান্তরিত করেন। পরবর্তীতে অবশ্য রণবীর সিংয়ের সঙ্গে বিয়ের পর ট্যাটুটাই সরিয়ে ফেলেন অভিনেত্রী।
২৭
কৌশোরকালে করা ভুলগুলি নিয়ে অনুশোচনা নেই, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দায়। কঙ্গনা রানাউতও সেরকমই এক পরিস্থিতির ভুক্তভোগী হন! কম বয়সে ঘাড়ে একটি ট্যাটু করেছিলেন। পরে ট্যাটুশিল্পী সমীর পটাঙ্গে সেই ট্যাটুটি আরও ভরাট করে সুন্দর রূপ দেন তিনি। যিনি তার ইনস্টাগ্রামে অভিনেত্রীর একটি ছবি শেয়ার করে অতীতে লিখেছিলেন, "যারা এখনও জানেন না কঙ্গনা কী ঢেকে রেখেছিলেন...!"
নাগা চৈতন্যর প্রেমে পড়ে পিঠে ট্যাটু করিয়েছিলেন সামান্থা রুথ প্রভু। বিয়েও হয় তাঁদের। তবে সেই দাম্পত্য সুখকর হয়নি। ডিভোর্সের পরও জ্বলজ্বল করত সেই ট্যাটু। সম্প্রতি দেখা যায় সামান্থার শরীরে আর সেই আঁকিবুকি নেই।
৪৭
প্রথম বলিউড ছবির সহ-অভিনেতা প্রতীক বব্বরের সঙ্গে প্রেম করাকালীন অ্যামি জ্যাকসন তাঁর নামে একটি ট্যাটু করিয়েছিলেন। যেখানে লেখা ছিল- 'মেরা প্যায়ার মেরা প্রতীক'।
৫৭
ঠিক একইভাবে প্রেমিকা অ্যামি জ্যাকসনের নাম লিখে প্রেম জাহির করেছিলেন প্রতীক বব্বরও। কিন্তু সেই প্রেম ভাঙার সঙ্গে তাঁর শরীর থেকেও বিদায় নেয় 'মরশুমি ট্যাটু'।
এক বিবৃতিতে অ্যাঞ্জেলিনা জোলি জানিয়েছিলেন যে, প্রাক্তন প্রেমিক বিলি বব থর্নটনের জন্য একটি ট্যাটু করিয়েছিলেন, তবে পরবর্তীতে লেজার ট্রিটমেন্টের মাধ্যমে সেটা মুছে দিয়ে তার সন্তানদের জন্মস্থানের ভৌগলিক স্থানাঙ্ক ট্যাটু করান।
৭৭
ব্রেকআপের পর ট্যাটু সরানো আরেকজন সেলিব্রিটি হলেন জনি ডেপ। যিনি অভিনেত্রী উইনোনা রাইডারের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তার 'উইনোনা ফরএভার' লেখা ট্যাটুর শেষ দুটি অক্ষর লেজার ট্রিটমেন্ট করিয়ে 'উইনো ফরএভার'-এ পরিণত করেন। (ছবি- ইনস্টাগ্রাম)
শুক্রবারই জম্মু ও কাশ্মীরের চেনাব ব্রিজের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এটিই বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু রেলসেতু।
২৬
চেনাব নদী থেকে ৩৫৯ মিটার উঁচুতে অবস্থিত এই সেতু। আইফেল টাওয়ারের থেকে ৩৫ মিটার বেশি এই সেতুর উচ্চতা। এছাড়াও দিল্লির কুতুব মিনারের তুলনায় এই সেতুর উচ্চতা পাঁচগুণ বেশি। ১৩১৫ মিটার দৈর্ঘ্যের এই ব্রিজটি উধমপুর-শ্রীনগর-বারামুলা রেল লিঙ্কের অংশ।
প্রায় দুদশক ধরে এই প্রকল্পে কাজ করেছেন তিনি। মূলত ব্রিজটির ভিতের ডিজাইন কেমন হবে, ব্রিজ কতটা ঢাল করলে সমস্যা হবে না, সেসব ঠিক করার নেপথ্যের মূল কারিগর ছিলেন তিনি।
৫৬
২০০৫ সাল থেকে এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হন লতা। নর্দার্ন রেলওয়ের তরফে তাঁকে চুক্তিভুক্ত করা হয়। শুরুর দিকে আইআইএসসি বেঙ্গালুরুর আরও এক ইঞ্জিনিয়র এই প্রকল্পে কাজ করতেন। কিন্তু কয়েক বছর আগে তিনি অব্যাহতি নেন। তারপর পুরো দায়িত্ব আসে লতার একার উপরে।
প্রফেসর লতা জানিয়েছেন, চেনাব ব্রিজের ভিত তৈরির কাজটা কঠিন ছিল। কারণ প্রাথমিকভাবে যে নকশা তৈরি হয়েছিল। ব্রিজের আশেপাশের পাথর ততটা শক্ত ছিল না। ফলে নতুন করে খনন করতে হয়।