নিউজিল্যান্ডের বিখ্যাত গার্ডেন সিটি এবং নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের সাংস্কৃতিক আবাসস্থলে বাগদেবীর আরাধনা। কুমোরটুলি থেকে আসে প্রতিমা। ২০২০ সালে মাত্র ৫ জন মূল সদস্য সরস্বতী পুজোর আয়োজন করেন। বর্তমানে পুজো কমিটির সদস্য সংখ্যা ৩৮। দুর্গাপুজোর আয়োজনও করেন তাঁরা।
২৬
ফিলিপসটাউন কমিউনিটি হাবে বাঙালিয়ানা এবং সংস্কৃতির অভিনব মেলবন্ধন। মন্ত্রোচ্চারণ করে পুজো করা হয়। পুজোর আয়োজন থেকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। নিউজিল্যান্ডে যেন একটুকরো বাংলা।
বাগদেবীর আরাধনার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনও করা হয়। নাচ ও গানে জমজমাট অনুষ্ঠানে মেতে ওঠেন সকলে।
৪৬
আট থেকে আশি - প্রায় সকলে এই অনুষ্ঠানে যোগদান করেন। কেউ বাংলা গানে মন ভরান দর্শক। কারও গলায় হিন্দি গান শোনেন শ্রোতারা। দর্শকদের মধ্যেও উন্মাদনা ছিল তুঙ্গে।
৫৬
চিরাচরিত হলুদ শাড়ি পরে সাজেন মহিলারা। সবমিলিয়ে বাগদেবীর আরাধনায় চুটিয়ে আনন্দ করেন প্রবাসীরা।
লাইট-ক্যামেরা সব বিদ্যেবতীর পায়ে। কারণ আজ সরস্বতী পুজো। তাই শুটিং বন্ধ করে ভারতলক্ষ্মী স্টুডিওয় বাগদেবীর আরাধনায় মেতেছেন টলিউডের পরিচালক এবং তারকারা। (ছবি- ব্রতীন কুণ্ডু)
২৭
ডিরেক্টর্স গিল্ড আয়োজিত পুজোয় উপস্থিত ছিলেন শ্রীকান্ত মোহতা, সৃজিত মুখোপাধ্যায়, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, সুদেষ্ণা রায়, অভিজিৎ গুহ, অনির্বাণ ভট্টাচার্য-সহ আরও অনেকেই। (ছবি- ব্রতীন কুণ্ডু)
পরিচালক, কলাকুশলী, তারকাদের অনেকে হাতে হাতে বাগদেবীর পুজোর আয়োজন করেছেন। প্রসঙ্গত এই প্রথমবার ডিরেক্টর্স গিল্ডের তরফে পুজোর আয়োজন করা হল। (ছবি- ব্রতীন কুণ্ডু)
৭৭
পরিচালক তথা অভিনেত্রী সুদেষ্ণা রায় সংবাদমাধ্যমের কাছে জানান, ২০২৮ সালে গিল্ড তৈরি হলেও প্রতিবছর নিয়মমাফিক বৈঠক ছাড়া কিছুই হয় না। তাই এবার সরস্বতীপুজোর আয়োজন। (ছবি- ব্রতীন কুণ্ডু)