ঋতাভরীর বোল্ড লুকে মজেন নেটিজেনরা এ বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তাঁর সম্মোহনী লুকে ঘায়েল হয় নেটপাড়া। তবে শাড়িতেও যে তাকে দেখার জন্য মুখিয়ে থাকেন দর্শক সে বিষয়ে কন সন্দেহ নেই।
৭৭
মডেল হিসেবে কেরিয়ার শুরু করেছিলেন ঋতাভরী। তার পর শুরু হয় টেলিভিশনের যাত্রা। আজও বাংলা টেলিভিশনের দর্শকদের কাছে 'ওগো বধূ সুন্দরী' তিনি। ছবি: ইনস্টাগ্রাম
মঙ্গলবার এশিয়া কাপের জন্য ভারতীয় দল ঘোষিত হয়েছে। টিম ইন্ডিয়ায় কারা সুযোগ পেলেন, সেই নিয়ে চর্চার পাশাপাশি আলোচনায় উঠে এসেছে ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের হাতঘড়ি।
২৯
সুইজারল্যান্ডের বিখ্যাত ঘড়ি প্রস্তুতকারী সংস্থা জেকব অ্যান্ড কোংয়ের বহুমূল্য দুর্লভ ঘড়ি পরে দল ঘোষণার সাংবাদিক বৈঠকে এসেছিলেন সূর্য। একটি ঘড়ির আনুমানিক মূল্য ৩৪ লক্ষ টাকা।
গত বছর অযোধ্যায় রামমন্দির উদ্বোধনের পরেই সুইস সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, রামমন্দিরের ছবি দেওয়া বিশেষ ঘড়ি তৈরি করবে তারা। ভারতের ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতিকে তুলে ধরতেই এই ঘড়ি তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
৪৯
সুইস সংস্থাটির তরফে জানানো হয়েছে, ভারতের রিটেলার ইথোস ওয়াচেসের সঙ্গে জুটি বেঁধে এই ঘড়ি তৈরি এবং বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে তারা। গোটা বিশ্বে মাত্র ৪৯টি ঘড়ি তৈরি করা হয়েছে এই ডিজাইনে।
৫৯
ঘড়ির কাঁটা ঠিক যেখানে ৯ ছোঁবে সেখানে অযোধ্যার রামমন্দিরের রয়েছে। তার ঠিক উলটো দিকে ভগবান রাম এবং হনুমানের ছবি রয়েছে ডায়ালে। হাতঘড়ির ৬-এর ঘরে লেখা থাকছে ‘জয় শ্রীরাম’ কথাটিও।
ঘড়ির ব্যান্ডটিও বানানো হয়েছে গেরুয়া রং দিয়ে। সুইস সংস্থার তরফে বলা হয়েছে, আধ্যাত্মিকতা, শুদ্ধতা, প্রার্থনা- এই তিন বিষয়ের প্রতীক হিসাবেই ব্যবহার করা হয়েছে গেরুয়া রং।
৭৯
রামমন্দিরের ছবি খোদাই করা এই ঘড়িটিই বিশ্বের সবচেয়ে দামি ঘড়ি হিসাবে বিবেচিত হয়। লিমিটেড এডিশনের ঘড়ির দাম ৪১ হাজার ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় এই অঙ্কটা ৩৪ লক্ষ টাকা।
৮৯
রামমন্দির এডিশনের মাত্র ৪৯টি ঘড়ি তৈরি করা হয়েছে। আত্মপ্রকাশের আগেই ৩৫টি ঘড়ি বিক্রি হয়ে গিয়েছিল। ভারতের একাধিক তারকার হাতেই এই ঘড়ি দেখা গিয়েছে।
৯৯
সলমন খান থেকে অভিষেক বচ্চন-রামমন্দির স্পেশাল এডিশনের ঘড়ি দেখা গিয়েছে সকলের হাতেই। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল সূর্যর নামও।
কলকাতা মেট্রোয় জুড়ছে নতুন পালক। সামনেই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব, দুর্গাপুজো। তার আগেই খুলে যাচ্ছে শহরের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো রুট। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাত ধরে উদ্বোধন হবে নোয়াপাড়া-জয়হিন্দ বিমানবন্দর, শিয়ালদহ-এসপ্ল্যানেড এবং বেলেঘাটা-হেমন্ত মুখোপাধ্যায় রুটের। নয়া এই মেট্রো রুট খুলে গেলে শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থায় গতি আসবে। উপকৃত হবেন লক্ষাধিক মানুষ।
২৯
বিমানবন্দর যাওয়া কিংবা সেক্টর ফাইভ যাওয়া সুবিধার হবে। যে পথ চার চাকায় পেরতে ঘন্টার পর ঘন্টা লেগে যায়, সেই পথ মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যেই মেট্রোয় পৌঁছানো সম্ভব হবে।
শুক্রবার গুরুত্বপূর্ণ এই তিন রুটের উদ্বোধনের আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় উন্নয়নের বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি লিখছেন, 'যে শহরের উন্নয়নের জন্য আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, সেই কলকাতার মানুষের কাছে আসা আমার কাছে সবসময়ই আনন্দের।'' একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আরও বার্তা, নয়া এই মেট্রো খুলে গেলে সাধারণ মানুষের বিমানবন্দর ও আইটি হাবে যাতায়াত সহজতর হবে।
৪৯
বলে রাখা প্রয়োজন, একদিকে হাওড়া স্টেশন দেশের গভীরতম মেট্রো স্টেশন। অন্যদিকে জয়হিন্দ মেট্রো স্টেশনটি অন্যতম দীর্ঘ মেট্রো স্টেশন। সূত্রের খবর, প্রায় ১৪ হাজার ৬৪৫ বর্গ মিটার এলাকা জুড়ে এই স্টেশন। মাটি থেকে ১৪ মিটার নীচে এই মেট্রো স্টেশন তৈরি করা হয়েছে।
৫৯
যাত্রীদের সুবিধার্থে এবং একাধিক রুটের সঙ্গে বিমানবন্দর স্টেশনের যোগাযোগ গড়তে আছে পাঁচটি প্ল্যাটফর্ম। দু'টি ইয়েলো লাইনের এবং তিনটি প্ল্যাটফর্ম অরেঞ্জ লাইনের জন্য৷ খোলা থাকবে পাঁচটি গেটও। যার মধ্যে একটি গেট দিয়ে যাত্রীরা সরাসরি বিমানবন্দর পৌঁছে যেতে পারবেন। আলাদা করে স্টেশন থেকে বেরিয়ে এয়ারপোর্টে যেতে হবে না। একইভাবে বিমানবন্দর থেকে বেরিয়েও মেট্রো স্টেশনে পৌঁছে যাওয়া সহজ হবে।
এছাড়াও জয়হিন্দ বিমানবন্দর স্টেশন চলমাস, লিফট সহ আধুনিক সমস্ত সুবিধা থাকছে যাত্রীদের জন্য। নোয়াপাড়া থেকে জয় হিন্দ বিমানবন্দর যাওয়ার প্রথম মেট্রো চালু হবে সকাল ৭টা ৫৮ মিনিটে। চলবে রাত ৮টা ১০ পর্যন্ত। অন্যদিকে হাওড়া ময়দান থেকে সেক্টর ফাইভ যাওয়ার সময় এক ধাক্কায় কমে আসবে ৩২ মিনিটে। আর হাওড়া থেকে সময় লাগবে ৩০ মিনিট মতো। এই দূরত্ব বাসে যেতে ঘণ্টা দেড়েক লেগে যেত। কিন্তু পাতালপথে এই...
৭৯
হাওড়া-সল্টলেক সেক্টর ফাইভ রুটে দিনে প্রথম পরিষেবা শুরু হবে সকাল সাড়ে ৬টায়। চলবে রাত ১০.১৯ পর্যন্ত। সেক্টর ফাইভে যারা কাজ করেন তাঁদের ক্ষেত্রে এই মেট্রো পথ খুবই গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে শুক্রবার মোদীর হাত ধরে উদ্বোধন হবে বেলেঘাটা-হেমন্ত মুখোপাধ্যায় মেট্রো রুটের।
৮৯
এই রুট চালু হয়ে গেলে কবি সুভাষ থেকে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় হয়ে বেলেঘাটা রুটে প্রথম মেট্রো মিলবে সকাল ৮টায়। শেষ মেট্রোর সময় রাত ৮.২৮। বিমানবন্দর থেকে নোয়াপাড়া কিংবা অন্য স্টেশনের মধ্যে ভাড়া কত হবে তা ইতিমধ্যেই জানিয়েছে মেট্রো। এক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ভাড়া রাখা হয়েছে মাত্র ৫ টাকা এবং সর্বোচ্চ ভাড়া রাখা হয়েছে ৭০ টাকা।
৯৯
নয়া এই মেট্রো রুট ঘিরে ক্রমশ যাত্রীদের মধ্যে বাড়ছে উন্মাদনা। শুক্রবার উদ্বোধন হলেও আগামী সোমবার থেকেই পাকাপাকিভাবে এই তিন রুটেই মেট্রো পরিষেবা শুরু হয়ে যাবে।