যে ক্ষত আজও টাটকা! মুম্বই ভোলেনি ২৬/১১-র সেই নারকীয় অধ্যায়
হামলায় মৃত্যু হয় ১৬৬ জনের।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৬, ২০২৫, ১৪:০৫
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৬, ২০২৫, ১৪:০৫
১৮
দেড় দশক আগে মু্ম্বইয়ে জঙ্গি হামলার ঘটনা কাঁপিয়ে দিয়েছিল দেশ তথা গোটা বিশ্বকে। আজমল কাসভ এবং তার সঙ্গীরা নির্বিচারে যে হত্যালীলা চালিয়েছিল, সেই নারকীয় ও ঘৃণ্য অপরাধের দগদগে ক্ষত আজও অক্ষত বাণিজ্যনগরীতে।
২৮
চারদিন ধরে চলা এই হামলায় মৃত্যু হয় ১৬৬ জনের। আহত হন প্রায় ৩০০ জন। ভারতের ইতিহাসে এটিই ছিল সবচেয়ে বড় জঙ্গি হামলা। এই হামলার নেপথ্যে ছিল পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবা।
মুম্বইয়ের সৌন্দর্যের অন্যতম প্রতীক তাজ হোটেলে হামলা চালিয়েছিল জঙ্গিরা। এছাড়াও শহরের গুরুত্বপূর্ণ যে স্থানগুলিতে হামলা চালানো হয়েছিল সেগুলি হল - ছত্রপতি শিবাজি টার্মিনাস, লিওপোল্ড ক্যাফে, ওবেরয় ট্রাইডেন্ট এবং নারিম্যান হাউস।
৪৮
জঙ্গিদের নিকেশ করতে ৬০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে অপারেশন চালিয়েছিল এনএসজি কমান্ডো, মেরিন কমান্ডো এবং পুলিশ। সেই দৃশ্য টেলিভিশনের স্ক্রিনে দেখেছিল গোটা বিশ্ব।
৫৮
সময় পেরিয়েছে। আজও সেদিনের হামলাকে ভুলতে পারেননি অসংখ্য মানুষ। যাঁরা স্বজনহারা, যাঁরা আক্রান্ত হয়েও কোনওমতে বেঁচে গিয়েছিলেন তাঁদের সকলের সামনে পুনরাবৃত্ত হতে থাকে সেই নারকীয় হত্যালীলা।
বুধবার মুম্বই হামলার ১৭ বছর পূর্তিতে টুইট করেছেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। তিনি তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘২৬/১১-র ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় শহিদ সকল সাহসী সেনা এবং সাধারণ মানুষের প্রতি আমার বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি। দেশ তাঁদের সাহস এবং ত্যাগের কথা কোনও দিনও ভুলবে না।
৭৮
এত বছর পেরিয়ে গেলেও আজও অধরা মুম্বই হামলার মাস্টারমাইন্ডরা। একই ভাবে আজও খোলা হাওয়ায় ছড়িয়ে রয়েছে ঘিনঘিনে সন্ত্রাসবাদের আতঙ্ক। প্রতিটি ২৬/১১ সেই আতঙ্ককে আরও একবার মনে করিয়ে দিয়ে যায় যেন।
৮৮
শেষপর্যন্ত কবে সন্ত্রাসবাদকে সমূলে উপড়ে ফেলা যাবে সেই স্বপ্ন আজও দেখে চলেছেন সারা বিশ্বের শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষেরা।
নাম জড়িয়েছে স্মৃতির হবু স্বামী পলাশের সঙ্গে, কে এই কোরিওগ্রাফার?
বিয়ের কোরিওগ্রাফি করতে এসেই পলাশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা?
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৫, ২০২৫, ২১:৩৭
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৫, ২০২৫, ২১:৩৭
১৯
সবকিছু ঠিক থাকলে গত রবিবারই সাতপাকে বাঁধা পড়তেন ক্রিকেটার স্মৃতি মন্ধানা এবং গায়ক পলাশ মুচ্ছল। কিন্তু আচমকা স্মৃতির বাবা অসুস্থ হয়ে পড়ায় সেই বিয়ে স্থগিত করে দিতে হয়। যদিও কেউ কেউ বলছেন ওই বিয়ে ভেঙে যাওয়ার নেপথ্যে রয়েছেন তৃতীয় এক ব্যক্তি।
২৯
সোশাল মিডিয়ায় গুঞ্জন, স্মৃতিদের বিয়ে ভেঙে যাওয়ার নেপথ্যে রয়েছেন এক কোরিওগ্রাফার। নাম মেরি ডি কস্টা। বিয়ের ঠিক আগেই নাকি তাঁর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা যায় পলাশ মুচ্ছলকে।
খবর ছড়াচ্ছে, বিয়ের ঠিক আগের রাতেই নাকি পলাশের সঙ্গে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা যায় মেরিকে। গায়কের সঙ্গে কোরিওগ্রাফারের মাখোমাখো চ্যাটও ফাঁস হয়ে যায়। তারপরেই স্থগিত ‘পালরিতি’র বিয়ে। মেরি ডি’কস্টা নামের ওই কোরিওগ্রাফারের সঙ্গে পলাশের ঘনিষ্ঠ কথাবার্তার স্ক্রিনশট ঘুরে বেড়াচ্ছে সোশাল মিডিয়ায়।
৪৯
ওই স্ক্রিনশটে যে চ্যাট দেখা গিয়েছে তা স্মৃতির পক্ষে মেনে নেওয়া কষ্টকর। কোনওটায় পলাশ বলছেন, ‘চলো একসঙ্গে সাঁতার কাটতে যাই।’ আবার কোনওটায় একসঙ্গে সমুদ্রসৈকতে যাওয়ার প্রস্তাব দিচ্ছেন পলাশ।
৫৯
ভাইরাল হওয়া চ্যাট অনুযায়ী, স্মৃতিকে ডেট করাটা কষ্টকর হয়ে উঠছে বলেও মেরির কাছে দাবি করেছেন পলাশ, কারণ অধিকাংশ সময়েই ক্রিকেটের কারণে দূরে থাকতে হয় স্মৃতিকে। এমনকী বিয়ের পরও মেরির সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে চান, এমন ইঙ্গিতও মিলেছে পলাশের কথায়।
খানিক ‘দুষ্টু’ আলোচনা, ফ্লার্টিংও দেখা গিয়েছে ওই স্ক্রিনশটগুলিতে। তবে ভাইরাল হওয়া এই স্ক্রিনশটের সত্যতা যাচাই করা যায়নি। কোনও সংবাদমাধ্যমই ওই চ্যাটের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারেনি। এমনকী চ্যাটজিপিটিও জানিয়েছে, চ্যাটগুলি আসল বা ভুয়ো, দুটোই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
৭৯
কে এই মেরি ডি’ কস্টা? লিঙ্কড ইন প্রোফাইল বলছে, তিনি থানের বাসিন্দা। পেশায় কোরিওগ্রাফার। স্মৃতির সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব রয়েছে বলে সূত্রের খবর। তবে মেরি সম্পর্কে বিশেষ তথ্য নেটমাধ্যম বা সোশাল মিডিয়ায় নেই। শোনা যাচ্ছে, তাঁর বাড়ি থানেতে।
৮৯
নেটদুনিয়ায় জল্পনা ছড়াতেই নিজের সোশাল মিডিয়া থেকে যাবতীয় ছবি মুছে ফেলেছেন মেরি। মঙ্গলবার সকাল পর্যন্তও ইনস্টাগ্রামে তাঁর প্রচুর ছবি ছিল। কিন্তু এখন সেসব ফাঁকা।
৯৯
জানা গিয়েছে স্মৃতি-পলাশের বিয়ের যাবতীয় নাচের অনুষ্ঠানের কোরিওগ্রাফি করার কথা ছিল মেরির। সেই সূত্রেই পলাশের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা। যদিও সবটাই সোশাল মিডিয়ার গুঞ্জন। এর সত্যতা যাচাই করা সম্ভব নয়। তবে স্মৃতি আর পলাশের সম্পর্ক আগামী দিনে কোন দিকে বাঁক নেয়, সেটাই দেখার।
ঘর হতে শুধু দুই পা… ‘আমস্টারডাম’ আছে এদেশেই! ঘুরে আসুন সপরিবারে
জলপথ পছন্দ হলে এই জায়গাগুলো আপনার জন্য আদর্শ, দেখুন ছবি।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৫, ২০২৫, ১৮:৪৭
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৫, ২০২৫, ১৮:৪৭
১৮
বিশ্বকবি তো কবেই বলে গিয়েছেন, 'দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া/ ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া/ একটি ধানের শীষের উপর/ একটি শিশিরবিন্দু।' ধানের শীষে শিশিরবিন্দুর সৌন্দর্য দেখার অবকাশ হয়তো আছে সকলের, তবে সেই দৃষ্টিভঙ্গি নেই।
২৮
তাই তো পর্যটনপ্রিয় মানুষ দূর থেকে সুদূরে চোখ মেলে খুঁজে বেড়ান বেড়ানোর জায়গা। দীর্ঘ সময় ব্যয় করে বিদেশ ভ্রমণের কতই না পরিকল্পনা করেন। স্বপ্নের ডেস্টিনেশনে ঘুরতে সঞ্চয়ের বেশিরভাগটাই ব্যয় হয়ে যায় কারও কারও। কিন্তু জানেন কি, এ দেশেই এমন কিছু জায়গা রয়েছে, যার সৌন্দর্য বাইরের যে কোনও দেশের চেয়ে বেশি।
কোনওটা স্কটল্যান্ড, কোনওটা সুইজারল্যান্ড, কোনওটা ভেনিস, আবার কোনওটা আমস্টারডাম। হ্যাঁ, এই সবকটি জায়গার খণ্ডাংশ রয়েছে ভারতেই। শুনে অবাক হলেও এটাই খাঁটি সত্যি। কাশ্মীর যদি হয় প্রাচ্যের সুইজারল্যান্ড, তবে অবশ্যই আমস্টারডামের যমজ বোন আপনি খুঁজে পাবেন কেরলের আলেপ্পি, হিমাচলের কাসোলে।
৪৮
ব্যাকওয়াটার বা জোয়ারে খাঁড়ির জলের বিপরীত স্রোতের জন্য বিখ্যাত কেরলের আলেপ্পি। সেই টানেই বর্ষার মরশুমে প্রচুর পর্যটক ভিড় করেন এখানে। ব্যাকওয়াটারে ভেসে থাকা নৌকাবাড়িগুলি দেখলে আলেপ্পি আর আমস্টারডামের তফাৎ করতে পারবেন না। যেমন নামে মিল, তেমনই প্রকৃতিতেও।
৫৮
আমস্টারডামের আরেকদিক হল পাহাড়ি এলাকা। তার সঙ্গে সাদৃশ্য আছে হিমাচল প্রদেশের ছোট্ট উপত্যকা কাসোলের। ছবির মতো সুন্দর, শান্ত জনপদ কাসোল। পাহাড়ি নদী, উষ্ণ প্রস্রবণ মিলিয়ে সে এক অপূর্ব পর্যটনস্থল। কাসোলকে বলা হয় 'মিনি ইজরায়েল'।
ওল্ড কাসোল ও নিউ কাসোলের মধ্যে দিয়ে বয়ে চলেছে পার্বতী নদী। দুই প্রান্তকে সংযোগ করে যে সেতু রয়েছে, তা দারুণ দেখতে। সেতু পেরলেই মন্দির। কাসোল বেড়াতে গিয়ে মন্দিরে পুজো দেন পর্যটকরা। সেভাবেই ছড়িয়ে পড়েছে তার খ্যাতি।
৭৮
আরও বহু বিদেশি শহরই আপনি খুঁজে পাবেন এদেশেই। উৎকৃষ্ট উদাহরণ কাশ্মীর। দেশের সর্বোচ্চ পর্যটনস্থলকে সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে তুলনা করা হয়। এবং সেই তুলনা যথাযথ। আবার এখানকারই ডাল লেকের সঙ্গে আমস্টারডামের জলপথের মিল পাবেন।