পুরনো বোতল-শিশি ফেলতে অনীহা? মনের অসুখে ভুগছেন না তো! সাবধানবাণী শোনালেন বিশেষজ্ঞ
আপনারও কি এই অভ্যাস রয়েছে? পুরনো কৌটো জমিয়ে রাখা মনের অসুখ নয় তো?
অনেক সময় পরিবারের লোকজনের সঙ্গে গৃহিণী ঝগড়াঝাটিও করেন। বাড়ির লোকজন ওই কৌটোবাটা ফেলে দেওয়ার কথা বললে রণমূর্তিও ধারণ করেন বহু মহিলা। যেন ওই পুরনো জিনিসই অমূল্য সম্পদের সমান। আবার ওই কৌটো কোনও কাজে লাগলে তিনি আনন্দিত হন। তখন যেন মনে মনে নিজেই নিজের পিঠ চাপড়ে সাবাশ বলেন। আপনারও কি এই অভ্যাস রয়েছে? পুরনো কৌটো জমিয়ে রাখা মনের অসুখ নয় তো?
আরও পড়ুন:
যাঁদের ছোটবেলায় 'স্কার্সিটি মাইন্ডসেট' তৈরি হয় তাঁরাও অনেক সময় পুরনো জিনিসপত্র জমিয়ে রাখেন। বিষয়টি ঠিক কী? বিশেষজ্ঞদের মতে, যাঁরা দারিদ্র্য দেখে বড় হন তাঁরা খুব হিসাব করে চলেন। আর ঠিক সে কারণেই পুরনো কৌটো ফেলে দিতেও ভয় পান। তাঁরা মনে মনে ভাবেন বিপদের দিনে হয়তো এই পুরনো কৌটোই কাজে লাগবে। সে কারণে কৌটো জমিয়ে রাখেন তাঁরা।
আবার 'এন্ডোমেন্ট এফেক্টে'র কারণেও অনেকে পুরনো জিনিসপত্র জমিয়ে রাখেন। সেটি ঠিক কী? এমন মানুষদের সব জিনিসই মনে হয় খুব দরকারি। তাই যেখানেই পুরনো জিনিসপত্র পড়ে থাকে, সেখান থেকে সেটি বাড়িতে নিয়ে আসে। ব্য়বহার না করলেও, দিনের পর দিন তা গুছিয়ে রেখে দেয়। ঘরের আবর্জনার স্তূপ হয়ে গেলেও তা ফেলতে যেন মন চায় না। মনে হয় সবই বাড়িতে রেখে দিই।
আরও পড়ুন:
কেউ কেউ আবার রিলস দেখে পুরনো জিনিসপত্র পুনর্ব্যবহারের পন্থা শেখেন। ভাবেন পুরনো কৌটোবাটা দিয়ে কোনও জিনিসপত্র তৈরি করবেন। তবে সে ভাবনা বহুক্ষেত্রেই বাস্তবায়িত হয় না। পরিবর্তে বাড়িতে দিনের পর দিন আবর্জনা জমতে থাকে। তাই এমন ভাবলে জিনিসপত্র তৈরি করে ফেলুন। ভুলেও অযথা জমিয়ে রাখবেন না। বাস্তুশাস্ত্র মতে, তাতে ঘরে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।