দেশের এই ৭ জায়গায় ভুলেও ভ্রমণ নয়! জানুন ভারতে কোথায় কোথায় প্রবেশ নিষিদ্ধ
কেন যাওয়া যায় না এই স্থানগুলিতে?
আরও পড়ুন:
উত্তর সেন্টিনেল দ্বীপের কথা অনেকেরই জানা। আন্দামান ও নিকোবরের এই অঞ্চলে আজও সাধারণের প্রবেশ নিষেধ। আসলে প্রায় ৬০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই দ্বীপের বাসিন্দারা অর্থাৎ সেন্টিনেলি উপজাতির মানুষেরা আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে সব রকম যোগাযোগ অস্বীকার করে এবং তীব্রভাবে নিজেদের বিচ্ছিন্ন রাখে! আর সেই কারণেই এখানে প্রবেশ নিষিদ্ধ। ঘন জঙ্গল এবং প্রবাল প্রাচীরে ঘেরা এই দ্বীপ তাই সাধারণের নাগালের বাইরে।
মুম্বইয়ে রয়েছে ভাবা পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্র। এখানেও প্রবেশ নিষিদ্ধ। ১৯৫৪ সালে ড. হোমি জাহাঙ্গির ভাবা এটি প্রতিষ্ঠা করেন। পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন, প্রযুক্তি উন্নয়নের জন্য ব্যবহৃত এই গবেষণাগার সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বেষ্টিত। আর তা এই অত্যন্ত সংবেদনশীল অঞ্চলে ঢোকা সম্ভব নয়। অনুমতিই মিলবে না। কেননা এটা দেশের অন্যতম সুরক্ষিত গবেষণা কেন্দ্র।
নিকোবর ট্রাইবাল রিজার্ভ। এও আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের এক অঞ্চল। সেন্টিনেলের মতো এখানেও প্রবেশ নিষিদ্ধ। উপজাতিদের সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য সুরক্ষা ইত্যাদি নিশ্চিত করতেই সাধারণের প্রবেশ নিষেধ এখানে। কেননা আধুনিক পৃথিবীর সাধারণ জীবাণুও নিমেষে নিশ্চিহ্ন করে দিতে পারে এখানকার জনজীবন। সেই কারণেই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবেই কারও প্রবেশের অধিকার নেই এখানে।
আরও পড়ুন:
উত্তরাখণ্ডের চামোলি, পিথোরাগড় এবং বাগেশ্বর জেলা জুড়ে অবস্থিত নন্দাদেবী বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ। এর মধ্যে নন্দাদেবী জাতীয় উদ্যান এবং ভ্যালি অফ ফ্লাওয়ার্স জাতীয় উদ্যান। কিন্তু সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার নেই এর মূল অঞ্চলে। আসলে হিমালয়ের সংবেদনশীল পরিবেশ, প্রকৃতির বিশুদ্ধ অবস্থা এবং বিরল উদ্ভিদ ও প্রাণীদের রক্ষা করতেই এই পদক্ষেপ।