জয় ভানুশালি ও মাহি ভিজ, হিন্দি টেলিভিশনের জনপ্রিয় দুই মুখ তো বটেই, একইসঙ্গে তাঁরা বাস্তব জীবনেও তাঁরা দম্পতি। দীর্ঘ ১৫ বছরের দাম্পত্য জীবন তাঁদের। তবে ইন্ডাস্ট্রিতে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে দীর্ঘ সেই দাম্পত্যে নাকি এবার ইতি টানতে চলেছেন তাঁরা। আর এই আবহেই দেখে নেওয়া যাক তাঁদের ভালোবাসা থেকে ১৫ বছরের এই দাম্পত্যের জার্নি কেমন ছিল।
২৮
এক বন্ধুর দেওয়া পার্টিতে প্রথম দেখা হয় মাহি এবং জয়ের। বছর ঘুরতে না ঘুরতেই ফের তাঁদের দেখা হয় আরও একটি পার্টিতে। ঘনিষ্ঠতা বাড়ে তার পর থেকেই। কাছাকাছি আসেন দু'জন।
নিজেদের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ভাগ করে নিয়েছেন তাঁরা। কিন্তু এখন সে সব তাঁদের সোশাল মিডিয়া হ্যান্ডলে চোখ রাখলে দেখা যায় না।
৭৮
শেষ তাঁদের দু'জনকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল মেয়ে তারার জন্মদিনের পার্টিতে। ২০২৪ সালের শেষ থেকেই তাঁদের বিবাহ বিচ্ছেদ নিয়ে নানা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল।
৮৮
এই মুহূর্তে শোনা যাচ্ছে, তাঁরা ইতিমধ্যেই নাকি ডিভোর্স ফাইল করেছেন। আগামী বছর জুলাই-আগস্ট মাস নাগাদ নাকি আইনত তাঁদের বিবাহ বিচ্ছেদের সমস্ত প্রক্রিয়া শেষ হবে। যদিও এই নিয়ে কোথাও মুখ খোলেননি জয় এবং মাহি কেউই। ছবি: সোশাল মিডিয়া
কথায় বলে, প্রতি পুরুষের সাফল্যের নেপথ্যে একজন নারীর অবদান অবধারিত। সে মা হোক কিংবা স্ত্রী অথবা কন্যা। নিউ ইয়র্ক শহরের প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত মুসলিম, কনিষ্ঠতম মেয়র নির্বাচিত হয়ে যে বিরাট ইতিহাস গড়েছেন জোহরান মামদানি, তাঁর নেপথ্যে অবশ্য রয়েছে দুই নারীর অবদান। একজন তাঁর মা, ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক মীরা নায়ার। আর দ্বিতীয়জন একেবারে আড়ালে থাকা তাঁর স্ত্রী, রামা দুয়াজি। মায়ের কথা নতুন করে বলা বাহুল্য। তবে...
২৮
কথায় বলে, প্রতি পুরুষের সাফল্যের নেপথ্যে একজন নারীর অবদান অবধারিত। সে মা হোক কিংবা স্ত্রী অথবা কন্যা। নিউ ইয়র্ক শহরের প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত মুসলিম, কনিষ্ঠতম মেয়র নির্বাচিত হয়ে যে বিরাট ইতিহাস গড়েছেন জোহরান মামদানি, তাঁর নেপথ্যে অবশ্য রয়েছে দুই নারীর অবদান। একজন তাঁর মা, ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক মীরা নায়ার। আর দ্বিতীয়জন একেবারে আড়ালে থাকা তাঁর স্ত্রী, রামা দুয়াজি। মায়ের কথা নতুন করে বলা বাহুল্য। তবে...
রামা দুয়াজি, ববকাট চুলের তন্বী। টানা টানা চোখে আইলাইনারের সঙ্গে ন্যুড মেকআপ তাঁকে যেন বিশেষ আকর্ষণীয় করে তোলে। না, তাই বলে রামা দুয়াজি কিন্তু 'স্টাইল আইকন' হিসেবে নিজের ছাপ রাখেননি। তাঁর কর্মক্ষেত্র ভিন্ন - এক সৃষ্টিশীল জগৎ। সিরিয়ার মতো যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশের ভূমিকন্যা রামা। তিনি নিজে একজন চিত্রশিল্পী। মূলত ইলাস্ট্রেশন ও অ্যানিমেশনের কাজ করেন। সূক্ষ্ম ছবিতে রামার সৃষ্টিশীলতা প্রশংসা লাভ করেছে আন্তর্জাতিক স্তরে। সাদা কাগজে...
৪৮
নিউ ইয়র্ককে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন নিয়ে যখন এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্তে ছুটে বেড়াচ্ছিলেন মামদানি, সেসময় নিজের দেশেই সংবাদমাধ্যমের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন রামা দুয়াজি। তাঁকে মামদানির 'অ্যালুফ ওয়াইফ' বলে কটাক্ষ করা হয়। অর্থাৎ রামা সম্পর্কে যে ছবিটা স্পষ্ট করার চেষ্টা চলছিল, তা হল - স্বামীর এত বড় কর্মকাণ্ডে পাশে নেই স্ত্রী, তিনি উদাসীন। স্বামীর সঙ্গে প্রচারসভাগুলিতে না গিয়ে কিন্তু রামা তখন এঁকে চলেছিলেন আসল ছবি। যে...
৫৮
জন্মসূত্রে মার্কিনী রামা দুয়াজি। টেক্সাসের হিউস্টনে জন্ম, তারপর ৯ বছর বয়সে দুবাই চলে যান তিনি। সেখানেই পড়াশোনা করেন, পরে অবশ্য কাতারেও উচ্চশিক্ষা করেছেন। ভার্জিনিয়া কমনওয়েলথ ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতক এবং পরে নিউইয়র্ক সিটির স্কুল অফ ভিজুয়াল আর্টস থেকে ইলাস্ট্রেশনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর পরিবার অবশ্য সিরিয়ার রাজধানী দামাস্কাসের মুসলিম। পরে কর্মসূত্রে ফের আমেরিকাতেই স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন রামা।
সিরীয় কন্যার সঙ্গে রাজনীতির দূরদূরান্তেও কোনও সম্পর্ক ছিল না। রামা তো মজে ছিলেন আঁকাআঁকি নিয়ে। কীভাবে আলাপ হল মামদানির সঙ্গে? জানা যাচ্ছে, ডেটিং অ্যাপ 'হিঞ্জ' একে অপরের সঙ্গে আলাপ করিয়ে দেওয়ার অনুঘটক ছিল। আর টানটান নির্মেদ চেহারার রামার কাজলকালো চোখে ডুবে গিয়েছিলেন নিউ ইয়র্কের কনিষ্ঠতম মেয়র। দু'জনের প্রেম শুরু। মামদানি-রামার বেশ কিছু ছবি সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল। তার বেশিরভাগে দেখা যাচ্ছে, রামাকে নানা স্থানে ফুল দিয়ে...
৭৮
ছেলেকে নিয়ে মীরা নায়ার বরাবর বেশি স্নেহপ্রবণ, আবেগী। পুত্রবধূ রামাকেও তাঁর ভারী পছন্দ। পারিবারিক ছবিতে তারই প্রকাশ। এক ফ্রেমে মীরা নায়ার, স্বামী মাহমুদ মামদানি, ছেলে জোহরান ও পুত্রবধূ রামা দুয়াজিকে দেখেই স্পষ্ট তাঁদের পারিবারিক বন্ধন।
৮৮
নিউ ইয়র্কের প্রথম মুসলিম, ভারতীয় বংশোদ্ভূত ও কনিষ্ঠতম মেয়র হয়ে ইতিহাস গড়েই কিন্তু স্ত্রীকে সর্বাধিক কৃতিত্ব দিয়েছেন মামদানি। বিজয় মঞ্চে রামাকে সঙ্গে নিয়েই বক্তব্য রেখেছেন। অকপটে উচ্চারণ করেছেন নিজের জীবনের 'চালিকাশক্তি' রামা দুয়াজির কথা। বলেছেন, পর্দার আড়াল থেকেই স্ত্রী সর্বদা তাঁর হয়ে কাজ করে গিয়েছেন নিজের চিত্রকলার মাধ্যমে। এমন মেয়েরাই বোধহয় বরাবর বিশ্বের সমস্ত পুরুষের সাফল্যের নেপথ্য-নায়িকা।
ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি হোক বা পেটের অ্যাসিডিটির উপশম—সবক্ষেত্রেই ডাব অপরিহার্য।
৪৭
তবে জানেন কি এটি সব বয়সের জন্য সমান উপকারী নয়? ১ বছরের নিচে থাকা শিশুদের জন্য ডাবের জল হিতে বিপরীত ঘটাতে পারে।
৫৭
শিশু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদেরকে ডাবের জল না দেওয়াই ভালো। কারণ ১ বছর বয়সী শিশুদের পাচনতন্ত্র সুগঠিত নয়। এই সময় ডাবের জল খাওয়ালে শিশুর গ্যাস, বমি বা ডায়রিয়া হতে পারে।