শ্রেয়স থেকে গিল, নাইটদের ‘বাতিল’ একাদশই জিততে পারে আইপিএল! দলে আর কারা?
কেকেআর ছেড়ে দিলেই সুপারহিট। এ যেন প্লেয়ারদের জন্য দেওয়াললিখন হয়ে গিয়েছে।
আরও পড়ুন:
শুভমান গিল: ভারতীয় ক্রিকেটের 'প্রিন্স'। গুজরাট টাইটান্সের অধিনায়ক। মাথায় উঠেছে কমলা টুপিও। এই সব হয়তো নাইট জার্সিতেও হতে পারত। কিন্তু ২০২২ সালে শুভমান গিলকে ছেড়ে দেয় কেকেআর। অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ের প্রতিভাকে চিনতে ভুল করেনি নাইট ম্যানেজমেন্ট। ২০১৮ সালে তাঁকে ১.৮ কোটি টাকায় কিনেছিল। ভেঙ্কটেশ আইয়ারকে রাখার জন্যই 'ভবিষ্যতের অধিনায়ক'-কে ছাড়তে বাধ্য হয় কেকেআর।
আরও পড়ুন:
শ্রেয়স আইয়ার: সম্ভবত কেকেআরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় 'ভুল'। গৌতম গম্ভীরের মেন্টরশিপ ও শ্রেয়সের নেতৃত্ব- যুগলবন্দিতে ১০ বছর পর নাইটদের ঘরে ট্রফি আসে। কিন্তু তাঁকে আর রিটেন করা হয়নি। কারণ শ্রেয়স নাকি বাড়তি টাকা চেয়েছিলেন। শেষমেশ কী দাঁড়াল? নিলামে পাঞ্জাব কিংসের থেকে তিনি পেলেন ২৬.৭৫ কোটি টাকা। আর ভেঙ্কটেশ আইয়ারকে নাইট রাইডার্স তুলল ২৩.৭৫ কোটি টাকায়। শ্রেয়সের অভাব কবে পূর্ণ হবে কেউ বলতে পারবে না।
সূর্যকুমার যাদব: ২০১৪ সালে উঠতি তারকা সূর্যকুমারকে কেনে কেকেআর। ক্রমে গৌতম গম্ভীরের নেতৃত্বে তাঁর কাঁধে সহ-অধিনায়কত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু কখনই দারুণ কিছু পারফর্ম করেননি। ৫৪ ম্যাচে রান ছিল ৬০৮। গড় মাত্র ২৩.৪৩। ২০১৭-র পর স্কাইকে আর রিটেন করেনি শাহরুখ খানের দল। এরপর মুম্বইয়ে গিয়ে আগুনে ফর্মে। ২০১৮ সালেই শুধু করেন ৫১২ রান। আর এখন তো তিনি ভারতের বিশ্বজয়ী অধিনায়ক।
কুলদীপ যাদব: ২০১৬ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত কেকেআরের মূল ভারতীয় স্পিন অস্ত্র ছিলেন কুলদীপ যাদব। শেষের দিকে চোট-আঘাতে জেরবার হয়েছিলেন। ফর্মও খারাপ হয়। তারপরই তাঁকে ছেড়ে দেয় নাইটরা। ৫ মরশুমে ৫০টি উইকেট তোলার পরও আর জায়গা হয়নি। এখন তিনি দিল্লি ক্যাপিটালসে খেলেন। তবে কুলদীপের শূন্যস্থান পূরণ করে দিয়েছেন বরুণ চক্রবর্তী।
ট্রেন্ট বোল্ট: ২০১৭ সালে কিউয়ি পেসারকে ৫ কোটি টাকায় কেনে কেকেআর। কিন্তু চোট-আঘাতের জেরে মরশুমটা ভালো যায়নি। তোলেন মাত্র ৫ উইকেট। পরের মরশুমে তাঁকে ছেড়ে দিলে দিল্লিতে যোগ দেন। ওই মরশুমে ১৪ ম্যাচে তোলেন ১৮ উইকেট। এরপর মুম্বই জার্সিতে ১৫ ম্যাচে ২৫ উইকেট পান। চ্যাম্পিয়নও হন। এখনও তিনি আম্বানিদের দলের মূল শক্তি।
ঋদ্ধিমান সাহা: কেকেআরে বাঙালি প্লেয়ার নেই। এই অভিযোগ বহুদিনের। আইপিএলের শুরুর দিকে উইকেটকিপার হিসেবে ঋদ্ধিমান সাহাকে খেলিয়েছিল নাইট রাইডার্স। তিন বছরে প্রায় ৩০০ রান করেন। তারপর একাধিক দলে খেলেছেন ঋদ্ধি। যথেষ্ট সাফল্য পান। দু'বার চ্যাম্পিয়ন হন। আইপিএল ফাইনালে প্রথম সেঞ্চুরির নজির বঙ্গ ক্রিকেটারের নামেই রয়েছে।