টপ অর্ডারে অতি নির্ভরতা, পরীক্ষার মুখে গিলের নেতৃত্বও, একনজরে গুজরাটের শক্তি-দুর্বলতা
৩১ মার্চ পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে অভিযান শুরু করবে গুজরাট।
প্রথম দুই মরশুমে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছিল গুজরাট। অভিষেকেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল হার্দিক পাণ্ডিয়ার নেতৃত্বাধীন গুজরাট। তার পরের বার রানার্স। কিন্তু তৃতীয় মরশুমে শুভমান গিলের নেতৃত্বে আট নম্বরে শেষ করেছিল তারা। তবে গত বার প্লে-অফ খেলেছে গুজরাট। এবারও নেতৃত্বের দায়িত্ব তাঁর কাঁধেই। ৩১ মার্চ পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে অভিযান শুরু করবে গুজরাট।
আরও পড়ুন:
গুজরাত টাইটান্স: শুভমান গিল (অধিনায়ক), সাই সুদর্শন, কুমার কুশাগ্র, অনুজ রাওয়াত, জস বাটলার, নিশান্ত সিন্ধু, ওয়াশিংটন সুন্দর, গ্লেন ফিলিপস, আরশাদ খান, শাহরুখ খান, রাহুল তেওয়াটিয়া, কাগিসো রাবাডা, মহম্মদ সিরাজ, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ, ইশান্ত শর্মা, গুরনুর সিং ব্রার, রশিদ খান, মানব সুতার, সাই কিশোর, জয়ন্ত যাদব, অশোক শর্মা, জেসন হোল্ডার, টম বেন্টন, পৃথ্বী রাজ ইয়ারা, লুক উড।
শক্তি ১: গুজরাটের টপ তিন ব্যাটার খুবই শক্তিশালী। গিল ও সুদর্শন ছন্দে থাকলে প্রতিপক্ষের ঘুম ছুটিয়ে দিতে পারেন। ম্যাচের রং বদলে দিতে পারেন বাটলারও। গত মরশুমে এই ত্রয়ীর সম্মিলিত গড় ছিল ৫৫.০৫। যা দলের ব্যাটিংকে চালনা করেছিল। ওপেনিংয়ে গিল-সুদর্শন সাতটি পঞ্চাশোর্ধ্ব রানের জুটি গড়েন। যার মধ্যে তিনটি ছিল শতরানের জুটি।
শক্তি ২: ফিল্ডিংয়ে গ্লেন ফিলিপসকে একাই একশো বলাই যায়। ব্যাটিং-বোলিং দু'টোতেই পারদর্শী তিনি। ওয়াশিংটন সুন্দরকে দলে থাকায় অলরাউন্ডারের সমস্যা মিটবে। বলা যায়, তাঁদের স্পিন বিভাগ যথেষ্ট শক্তিশালী। রশিদ খানকে সামলাতে কালঘাম ছুটবে যে কোনও ক্রিকেটারের। তবে আফগানি স্পিনারের সাম্প্রতিক ফর্ম ভালো নয়। রশিদের সঙ্গে রয়েছেন রাহুল তেওয়াটিয়াও।
আরও পড়ুন:
দুর্বলতা ৩: এবারের আইপিএল শুভমানের জন্য বড় সুযোগ। নজর থাকবে তাঁর নেতৃত্বের দিকে। ব্যাটার হিসাবে নিজেকে প্রমাণ করলেও, নেতৃত্বে ধারাবাহিক সাফল্য এখনও চ্যালেঞ্জের মুখে। সম্প্রতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়েছিলেন। নতুন মরশুমে বাড়তি দায়িত্ব নিতেই হবে তাঁকে। তবে আইপিএলে সফল হলে সূর্যকুমার যাদবের পর ভারতের ভবিষ্যৎ টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসাবে তাঁর জমি আরও শক্ত হবে।