সাই সুদর্শন ১৫ ম্যাচে ৭৫৯ রান করে জিতেছেন অরেঞ্জ ক্যাপ। একটি সেঞ্চুরিও আছে। গুজরাট টাইটান্সের সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে গিলের সঙ্গে তাঁর ওপেনিং পার্টনারশিপ। টেস্টেও তাঁকে রোহিতের 'বিকল্প' হিসেবে দেখা হচ্ছে।
২১১
অবশেষে বহু প্রতীক্ষিত আইপিএল ট্রফি ঝুলিতে ঢুকেছে। বিরাট কোহলির পারফরম্যান্সও অসাধারণ। ১৫ ম্যাচে করেছেন ৬৫৭ রান। আটটি হাফসেঞ্চুরিও হাঁকিয়েছেন। সর্বোচ্চ ৭৩*।
১১ বছর পর পাঞ্জাব কিংসকে ফাইনালে তুলেছেন। সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন শ্রেয়স আইয়ার। ১৭ ম্যাচে করেছেন ৬০৪ রান। স্ট্রাইক রেট ১১৭৫। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে ৪১ বলে ৮৭ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন। সেরা একাদশের অধিনায়কও তিনি?
৪১১
আইপিএলে আগুনে ফর্মে ছিলেন কেএল রাহুল। গুজরাটের বিরুদ্ধে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন। ১৩ ম্যাচে তাঁর রান ৫৩৯। দুরন্ত ফর্মের পুরস্কার পেতে পারেন রাহুল। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারতের টি-টোয়েন্টি দলে ফিরতে পারেন তিনি।
৫১১
আইপিএলের মোস্ট ভ্যালুয়েবল ক্রিকেটার হয়েছেন সূর্যকুমার যাদব। মুম্বই ব্যাটার ১৬ ম্যাচে করেন ৭১৭ রান। ১৫ ম্যাচে তাঁর রানের ছবিটা এরকম- ২৯, ৪৮, ২৭*, ৬৭, ২৮, ৪০, ২৬, ৬৮*, ৪০*, ৫৪, ৪৮*, ৩৫, ৭৩*, এবং ৫১*, ৪৪।
আইপিএলে আগুন মেজাজ অব্যাহত রেখেছেন নিকোলাস পুরান। টুর্নামেন্ট জুড়ে ৪০টি ছক্কা হাঁকিয়ে পুরস্কারও পেয়েছেন। ১৪ ম্যাচে করেছেন ৫২৪ রান। লখনউ এবারও ব্যর্থ হলেও ভরসা জুগিয়েছেন পুরান-মার্শরা।
৭১১
চলতি মরশুমটা একেবারেই ভালো যায়নি চেন্নাই সুপার কিংসের। তবু তার মধ্যেও যেটুকু আশার আলো আছে, সেখানে নাম আসবে নূর আহমেদের। এই আফগান স্পিনার ১৪ ম্যাচে তুলেছেন ২৪ রান। সেরা বোলিং ১৮ রান দিয়ে ৪ উইকেট।
৮১১
মুম্বই অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ডিয়া ব্যাট হাতে সেরকম কার্যকরী ভূমিকা নিতে পারেননি। ১৫ ম্যাচে করেছেন ২২৪। কিন্তু স্ট্রাইকরেট ১৬৩.৫০। অন্যদিকে বল হাতে ১৫ ম্যাচে তুলেছেন ১৪টি উইকেট।
৯১১
প্রসিদ্ধ কৃষ্ণকে ৯.৫০ কোটি টাকা দিয়ে কিনেছিল গুজরাট। ১৫ ম্যাচে তাঁর উইকেট সংখ্যা ২৫। বেগুনি টুপির দৌড়ে আপাতত সবার উপরে। আইপিএলের ফর্ম ইংল্যান্ডের টেস্ট সফরে বজায় রাখতে পারলে ভারতীয় দল উপকৃত হবে।
১০১১
একটি উইকেট পেলেও শেষ পর্যন্ত ট্রফি জিতেই ফাইনালের মঞ্চকে বিদায় জানিয়েছেন হ্যাজেলউড। টুর্নামেন্ট জুড়ে উইকেট সংখ্যা ২২। জীবনে ৯টি ফাইনাল খেলেছেন। সবকটিই জিতেছেন।
১১১১
চোটের জন্য চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলতে পারেননি। ফলে নজরে ছিল জশপ্রীত বুমরাহর কামব্যাকও। তিনি কতটা ফিট, ফের আগুন ঝরাতে পারেন কি না। তবে যাবতীয় সংশয় উড়িয়ে দিয়েছেন বুমরাহ। এখনও পর্যন্ত ১১ ম্যাচে উইকেট ১৮। ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে থাকবেন আরসিবির ক্রুণাল পাণ্ডিয়া।
পাপারাজ্জিদের উপর ফের বেজায় চটলেন জয়া বচ্চন। সম্প্রতি মুম্বইতে রন মুখোপাধ্যায়ের স্মরণ সভায় গিয়েছিলেন বচ্চন ঘরনি। সঙ্গে ছিল মেয়ে শ্বেতা বচ্চনও। আর সেখানেই ফের পাপারাজ্জিদের একহাত নিলেন জয়া।
২৮
পাপারাজ্জিদের ছবি তোলার ধুম দেখে বরাবরই বেশ চটে যান জয়া। দু-এক কথা শুনিয়েও দেন তিনি। এবারেও তার অন্যথা হল না। স্মরণসভায় ভারি মন নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি আর সেখানে এহেন আচরণ দেখে অত্যন্ত বিরক্ত হয়েছেন তিনি। রন মুখোপাধ্যায়ের ছেলে সম্রাট মুখোপাধ্যায়কে জয়া জিজ্ঞেস করেন "এদের কেন ডাকো?" তাঁর উত্তরে সম্রাট মুখোপাধ্যায় বলেন "আমি ডাকিনি"।
অন্য আরেকটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে মেয়ে শ্বেতা বচ্চনের সঙ্গে ওই স্মরণসভা থেকে বেরিয়ে গাড়ির জন্যও অপেক্ষারত জয়া হঠাৎই পাপারাজ্জিদের উপর রেগে গিয়ে তাঁদের বলেন, "চলুন, আপনারাও আমাদের সঙ্গে চলুন। আসুন!"
৪৮
এই প্রথম নয়, এর আগে ২০২৩ সালে হেমা মালিনির জন্মদিনের পার্টিতে গিয়েও তুমুল বকাঝকা করেছিলেন ছবি শিকারিদের। তাঁকে বারবার ক্যামেরার দিকে তাকাতে বলায় রেগে গিয়ে জয়া বলেন, "আপনাদের এত ডিরেকশন দিতে হবে না আমাকে"।
৫৮
জয়া বচ্চন ছাড়াও এদিনের স্মরণসভায় এসেছিলেন মুখোপাধ্যায় পরিবারের সদস্যরা। বলিউড ও টলিউডের বহু শিল্পীই এসেছিলেন। অন্যদিকে সোশাল মিডিয়ার এক ভিডিওতে আসার পর সেখানে রানি মুখোপাধ্যায়ের মা কৃষ্ণা মুখোপাধ্যায়কে দেখা গেলেও দেখা যায়নি রানি মুখোপাধ্যায়কে।
জশ হ্যাজেলউড। এককথায় তাঁকে বলা যেতে পারে অজি পরশপাথর। আজ পর্যন্ত যতবার ফাইনাল খেলেছেন, কোনওদিন হারেনি তাঁর দল। সেই রেকর্ড অক্ষুণ্ণ থাকল আইপিএল ফাইনালেও।
২১০
২০১০ সালে প্রথমবার ফাইনাল খেলতে নামেন অজি পেসার। খেতাবি যুদ্ধে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৩০ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নেন। ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় হন, সঙ্গে জেতেন অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ।
২০১২ চ্যাম্পিয়ন্স টি-২০ ফাইনালে খেলেন সিডনি সিক্সার্সের জার্সিতে। লায়ন্সের বিরুদ্ধে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে দলকে চ্যাম্পিয়ন করেন।
৪১০
২০১৪ সালের শেফিল্ড শিল্ড ফাইনালে নিউ সাউথ ওয়েলসের হয়ে খেলতে নামেন। ৬ উইকেট তুলে নেন ওয়েস্ট অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে। ম্যাচ ড্র হলেও বেশি পয়েন্ট থাকার সুবাদে চ্যাম্পিয়ন হেজেলউডের দল।
৫১০
২০১৫ বিশ্বকাপ ফাইনালে উইকেট পাননি। তা সত্ত্বেও নিউজিল্যান্ডকে গুঁড়িয়ে প্রথমবার সিনিয়র বিশ্বকাপের স্বাদ পান জশ হ্যাজেলউড।
২০১৯-২০২০ সালের বিগ ব্যাশ ফাইনালেও সিডনি সিক্সার্সের জার্সিতে খেলতে নেমেছিলেন। মেলবোর্ন স্টার্সের বিরুদ্ধে তিন উইকেট তুলে নিয়ে ফের বিগ ব্যাশ জেতেন।
৭১০
২০২১ আইপিএলে খেলেছিলেন চেন্নাই সুপার কিংসের জার্সিতে। ফাইনালে কেকেআরের বিরুদ্ধে জোড়া উইকেট তুলে নিয়ে চ্যাম্পিয়ন করেন ধোনির চেন্নাইকে।
৮১০
২০২১ টি-২০ বিশ্বকাপ ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন উইকেট তুলে নেন। প্রথমবার টি-২০ বিশ্বকাপ জেতার স্বাদ পেয়েছিলেন।
৯১০
২০২৩ বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলতে নামেন ভারতের বিরুদ্ধে। জোড়া উইকেট তুলে নেন। রবীন্দ্র জাদেজা এবং সূর্যকুমার যাদবের উইকেট তুলে নিয়ে ভারতের রান তোলার গতি আটকে দেন।
১০১০
২০২৫ আইপিএল ফাইনালে খেলেন আরসিবি জার্সিতে। একটি উইকেট পেলেও শেষ পর্যন্ত ট্রফি জিতেই ফাইনালের মঞ্চকে বিদায় জানিয়েছেন।