কলকাতার দুর্গাপুজোকে 'হেরিটেজ' তকমা দিয়েছে ইউনেস্কো। স্বাভাবিকভাবেই তাই এবারের আরও জাঁকজমক করে হতে চলেছে এবারের বাঙালির শ্রেষ্ঠ পুজো।
২৫
মুখ্যমন্ত্রীর নিরলস প্রয়াসেই মিলেছে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। তাই তাঁকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর হাতে মাটির দুর্গার মুখ তুলে দেবে ফোরাম ফর দুর্গোৎসব।
এই সাফল্য় উপলক্ষে পয়লা সেপ্টেম্বর কলকাতায় মহামিছিলের আয়োজন করা হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফে। যাতে পা মেলাবেন ইউনেস্কোর প্রতিনিধিও। আগামী ২২ আগস্ট সেই মিছিল ও পুজো সংক্রান্ত একাধিক বিষয় নিয়ে বৈঠকে বসবেন মুখ্যমন্ত্রী।
৪৫
ঠিক হয়েছে, সেই বৈঠকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তুলে দেওয়া হবে এই মূর্তি। কুমোরটুলিতে শিল্পী শ্যামল পালের (ভোলা) হাতে ফুটে উঠছে মূর্তিটি।
৫৫
আজ, শুক্রবারই মূর্তিটি ফোরামের হাতে তুলে দেবেন শিল্পী। তাদের তরফের প্রতিনিধিই মুখ্যমন্ত্রীকে এই 'উপহার' দেবেন।
বুধবার ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতার স্মৃতিতে নির্মিত 'রাজা সুরেশ চন্দ্র চৌধুরী' মেমোরিয়াল আর্কাইভের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
২৫
এদিন ইস্টবেঙ্গলের নবনির্মিত সংগ্রহশালারও প্রশংসা করতে শোনা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। তিনি বলেন, “এটি বিশ্বের অন্যতম সেরা সংগ্রহশালা। ভবিষ্যতের জন্য দুর্দান্ত পদক্ষেপ।এটা প্রত্যেকটা ক্লাবের করা উচিত।”
নবনির্মিত সংগ্রহশালা ঘুরে দেখেন মমতা। লাল-হলুদ তাঁবুর পরিকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য রাজ্য সরকারের তরফে অতিরিক্ত ৫০ লক্ষ টাকা অনুদান ঘোষণা করেন তিনি।
৪৫
এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘খেলা হবে’ স্লোগান যাতে কোনও দিন ভুলে না যান, তার জন্য বাড়িতে দিনে অন্তত ১০০ বার ফুটবল নাচান তিনি।
৫৫
এরপর আর আপনাদের স্পনসর নিয়ে ভাবতে হবে না। আপনাদের প্রত্যেক বছর এই বন্যা হবে আর ঘর ভাসবে, এই চিন্তা আর করতে হবে না। সংগ্রহশালা উদ্বোধনের পর আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তিতে 'আজাদি কা অমৃত মহোৎসবে' মেতেছে দেশ। মহাসমারোহে পালিত হয়েছে স্বাধীনতা দিবস। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, স্বাধীনতা উদযাপন সবই হয়েছে যথাযথ মর্যাদা অনুযায়ী।
২৫
কিন্তু সেই মর্যাদা স্থায়ী মাত্র একদিনের জন্য। স্বাধীনতা দিবসের পরদিনই সেই পতাকা রাস্তার উপর ভূলুণ্ঠিত হয়ে তার নিজের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য লড়াই চালাচ্ছে।
উত্তরপাড়া স্টেশনে যাওয়ার পথে রেল লাইনের ধারের রাস্তায় নিত্যযাত্রীদের পায়ে পায়ে জাতীয় পতাকা পদদলিত হচ্ছে। রাস্তার ধারে ফেলে দেওয়া ময়লা আবর্জনার স্তূপে সেই পতাকা তার বিবর্ণ রূপ ধারণ করেছে।
৪৫
জাতীয় পতাকার এ হেন অবমাননার পরও এ নিয়ে কোন ভ্রুক্ষেপ নেই আম আদমির। দিব্যি পাশ কাটিয়ে চলে যাচ্ছেন তাঁরা।
৫৫
এ ছবি অবশ্য নতুন কিছু নয়। প্রতিবছরই এই ছবি দেখা যায়। স্বাধীনতা দিবসের পর পতাকার সম্মান নিয়ে ভ্রূক্ষেপ থাকে না কারও। এ বিষয়ে উত্তরপাড়া কোতরং পুরসভার চেয়ারম্যান দিলীপ যাদব জানান সমস্ত প্রত্যেকটি নাগরিকের দায়িত্ব এবং মর্যাদা সহকারে জাতীয় পতাকার সম্মান রক্ষা করা উচিত।