দিন কয়েক আগেই স্বীকার করেছেন আইরিশ সুন্দরী সোফি শাইনের সঙ্গে চুটিয়ে প্রেম করছেন শিখর ধাওয়ান। এবার গুরুগ্রামে বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট কিনলেন। তাহলে কি এবার সংসার পাতার পরিকল্পনা গব্বরের?
২৭
এর আগে অস্ট্রেলিয়া নিবাসী বঙ্গকন্যা আয়েশার সঙ্গে বিয়ে হয় ধাওয়ানের। তাঁদের একটি পুত্রও আছে। তাছাড়াও বিয়ের পর আয়েশার দুই কন্যাকে দত্তক নেন শিখর। অবশেষে ২০২৪ সালে শিখর-আয়েশার বিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়।
শিখরের জীবনে নতুন ইনিংস শুরুর ইঙ্গিত মেলে ২০২৪ সালের শেষের দিকে। সোফির সঙ্গে ঘনিষ্ঠমহলে দেখা যায় তাঁকে। চলতি বছরের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সময়ে ভারতীয় দলের ম্যাচ দেখতে সোফির সঙ্গে হাজির ছিলেন ধাওয়ান। দিনকয়েক আগে একসঙ্গে ছবি দিয়ে 'মাই লাভ' বলে সবটা স্বীকারও করে নেন।
৪৭
এবার গুরুগ্রামে বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট কিনলেন গব্বর। সূত্রের খবর ডিএলএফ'র সুপার লাক্সারি প্রজেক্টের অ্যাপার্টমেন্টটির দাম ৬৯ কোটি টাকা। ১৭ একর জমির উপর দাহিলাস নামের এই প্রজেক্টটি গতবছর আগস্টে শুরু হয়।
৫৭
জানা যাচ্ছে, দাহিলাসে গব্বরের ফ্ল্যাটের আয়তন ৬,০৪০ স্কোয়ার ফিট। গলফ কোর্স রোডের এই প্রজেক্টকে মোট ৪২০টি আবাসন ও পেন্টহাউস আছে। সেখানেই কি শুরু হতে চলেছে গব্বর-সোফির নতুন সংসার?
সম্প্রতি বলি অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজের সঙ্গে একটি গানের ভিডিও করেন ধাওয়ান। 'বেসোস' নামের ওই মিউজিক ভিডিওয় রীতিমতো কাউবয়ের বেশে হাজির ছিলেন প্রাক্তন ক্রিকেটার।
৭৭
আয়ারল্যান্ডের বাসিন্দা সোফি প্রোডাক্ট কনসালট্যান্ট হিসাবে কর্মরত। আপাতত দুবাইয়ে থাকেন তিনি। বছর কয়েক আগে দুবাইয়েই শিখরের সঙ্গে তাঁর আলাপ। সম্পর্কের গুঞ্জনে সিলমোহর পড়ার পর নেটদুনিয়ার প্রশ্ন, এবার কি তাহলে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন ‘গব্বর’?
ফোন ছাড়া ঘর থেকে বেরনো? এখন তা অসম্ভব। সঙ্গে আর কিছু থাক বা না থাক, মোবাইল প্রতি মুহূর্তে লাগবেই লাগবে।
২৭
সামনের দোকান থেকে টুক করে কিছু কিনতে হবে, অনেকেই সেক্ষেত্রে এখন ব্যাগ নেন না। ফোনের কভারের ভিতরেই রাখেন টাকা। আর এতেই লুকিয়ে বিপদ। জানেন কী কী হতে পারে এর ফলে?
তবে শুধু যে এহেন ক্ষতি তা-ই নয়, বর্তমানে সকলেই বাহারি কভার ব্যবহার করেন। কেউ আবার ফোনের সৌন্দর্য মাথায় রেখে ট্রান্সপারেন্ট কভার কেনেন। কিন্তু তাতে টাকা, কার্ড বা টিকিট জাতীয় কিছু রাখলে তা ফোনের শোভা কমায়।
৭৭
তাই চেষ্টা করুন, ফোনের কভারে কোনও কিছু না রাখার। তাতে ফোন সুরক্ষিতও থাকবে।
এত খারাপ আইপিএল মরশুম এর আগে কখনও কাটেনি ঋষভ পন্থের। আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি টাকা দিয়ে কেনা ক্রিকেটার তিনিই। অথচ পন্থের পারফরম্যান্সে তার ছাপ পড়েনি।
২৮
দিল্লি ক্যাপিটালস থেকে ২৭ কোটি টাকায় তাঁকে কিনে নিয়েছিল লখনউ সুপার জায়ান্টস। যদিও প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি এই উইকেটরক্ষক। ব্যর্থ হলেও প্রতি ৫ রান পিছু ১ কোটি টাকা পান লখনউ অধিনায়ক। অর্থাৎ, প্রতি রানপিছু ২০ লক্ষ টাকা কামাচ্ছেন তিনি।
২৭ কোটির পন্থ চলতি আইপিএলে ১২ ম্যাচে করেছেন মাত্র ১৩৫ রান। গড় ১২.২৭। একটিই মাত্র হাফসেঞ্চুরি করেছেন তিনি।
৪৮
২০১৬ সালে আইপিএলের মঞ্চে পা রেখেছিলেন পন্থ। কিন্তু কখনও এতটা খারাপ অবস্থায় পড়তে হয়নি তাঁকে। গত মরশুমেও ১৩ ম্যাচে ৪৪৬ রান করেছিলেন। গড় ছিল ৪০.৫৫। কিন্তু ২০২৫-এ এসে যেন ব্যর্থতার গল্প লিখেছেন তিনি।
৫৮
সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে হেরে অষ্টাদশ আইপিএল থেকে ছিটকে গিয়েছে ঋষভ পন্থের লখনউ। তাঁদের দল কিন্তু খারাপ ছিল না। তবে, চোট আঘাত সমস্যা প্রথম থেকেই ভুগিয়েছে এলএসজি শিবিরকে। যদিও পন্থের পারফরম্যান্স কিন্তু তাঁর নেতৃত্বেও পড়েছে। এমনকী উইকেটের পিছনেও তাঁকে আহামরি দেখা যায়নি।
কেন পন্থ ব্যর্থ? অনেকেই বলছেন নেতৃত্বের চাপ নিতে পারেননি তিনি। অথচ দিল্লি ক্যাপিটালসকেও নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা ছিল তাঁর। যদিও বাস্তবে দেখা গিয়েছে, নতুন দলে এসে অতীতের ছায়ার সঙ্গে লড়াই করতে হয়েছে তাঁকে।
৭৮
ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নেতৃত্বের চাপের থেকেও তাঁর উপর ভারী পড়েছে ২৭ কোটির চাপ। একই সঙ্গে তাঁর উপর ছিল প্রত্যাশার পাহাড়প্রমাণ চাপ।
৮৮
তাছাড়াও নতুন দল, নতুন পরিবেশের সঙ্গে তাঁর হয়তো মানিয়ে নিতে অসুবিধা হয়েছে। নাহলে এভাবে 'নিরীহ' থাকবে কেন তাঁর ব্যাট? সেই কারণে বিষয়টা অনেকটাই মানসিক হতে পারে।