অঘটন ঘটাবেন হালান্ড-মানেরা, পা কাঁপবে হট ফেভারিটদের! বিশ্বকাপের ‘ডার্ক হর্স’ কারা?
চমকে দিতে পারে এশিয়ার কোন দেশ?
নরওয়ে: এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় চমক হতে পারে নরওয়ে। বলা হচ্ছে, এটাই ভাইকিংদের সোনালী প্রজন্ম। গোল করার জন্য আর্লিং ব্রুট হালান্ড আছেন। সঙ্গ দেবেন আরেক দীর্ঘদেহী স্ট্রাইকার আলেকজান্ডার সোলোরথ। মাঝমাঠে খেলা তৈরি করবেন মার্টিন ওডেগার্ড। যোগ্যতা অর্জন পর্বে নরওয়ে ৩৭টা গোল করে মাত্র ৫টা গোল হজম করেছে। ফ্রান্স, সেনেগালের সঙ্গে কঠিন গ্রুপে আছে নরওয়ে।
আরও পড়ুন:
মরক্কো: গত বিশ্বকাপে মরক্কো যেভাবে খেলেছে, তাতে তাদের পক্ষে কোনও কিছুই এবার আর অঘটন নয়। আশরাফ হাকিমি, ব্রাহমিন দিয়াজ, আবদে ইজ্জেজুলিরা ইউরোপের বিভিন্ন ক্লাবে দাপিয়ে খেলছেন। গ্রুপে ব্রাজিল আছে, তবে অ্যাটলাস লায়ন্সরা অনায়াসে পরের পর্বে যাবে। সেখানে সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে দিতে পারে। ব্যক্তিগত স্কিলের সঙ্গে গতি-শক্তি ও ফুটবলারদের পারস্পরিক সমঝোতা আফকন 'চ্যাম্পিয়ন'দের সাহায্য করবে।
ইকুয়েডর: এই বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা রক্ষণভাগ। উইলিয়াম পাচো চ্যাম্পিয়ন্স লিগজয়ী পিএসজি'র স্তম্ভ। হিনক্যাপি আর্সেনালের হয়ে জিতেছেন প্রিমিয়ার লিগ। মাঝমাঠে পেন্ডুলামের মতো দুলবেন মোসেস কাইসেডো। আক্রমণে ভরসা অভিজ্ঞ ইনার ভ্যালেন্সিয়া। দক্ষিণ আমেরিকার কঠিন গ্রুপ থেকে দ্বিতীয় স্থানে ছিল। হেরেছে মাত্র একটা ম্যাচ। হারিয়েছে আর্জেন্টিনাকে। গোল হজম করেছে মাত্র ৫টি। গ্রুপ পর্বে জার্মানিকে হারালে অবাক হবেন না।
জাপান: এবারও যথেষ্ট শক্তিশালী দল নিয়েই নামছে জাপান। ব্লু সামুরাইদের সবচেয়ে বড় শক্তি হল, তাদের ঐক্য। দল বেঁধে আক্রমণ ও রক্ষণ, দুটোই সামলায়। শক্তি বেশি না হলেও গতিতে বিপক্ষকে ছিটকে দিতে পারে। তাকেহিরো তোমিয়াসু, ওতারু এন্ডো, তাকেফুসা কুবোরা ভালো ছন্দে আছেন। তবে চোটের জন্য পুরো দল পায়নি জাপান। গ্রুপ পর্ব কঠিন হবে। পরের রাউন্ডে দেখা হতে পারে ব্রাজিলের সঙ্গে।
আরও পড়ুন:
কলম্বিয়া: জেমস রড্রিগেজ, লুইস দিয়াজ, ডেভিড ওসপিনারা এবার চমক দিতে পারেন। বিশেষ করে জেমস-দিয়াজ যুগলবন্দি ভয়ানক হয়ে উঠবে। পর্তুগালের গ্রুপ থেকে দ্বিতীয় হয়ে ওঠার সম্ভাবনা। পরের রাউন্ডে ইংল্যান্ড বা ক্রোয়েশিয়া সামনে পড়লেও কঠিন লড়াই দেবে। যোগ্যতা অর্জন পর্বে ১৮ ম্যাচে ২৮ গোল করেছে কলম্বিয়া। তবে ১৮টা গোলও হজম করেছে।