৫০০ নবজাতকের নাম হালান্ড, হাজার-হাজার শিশুর নাম মেসি-নেইমার, বিশ্বকাপ জ্বরে আজব হিড়িক এই দেশে
শুনতে আশ্চর্য লাগলেও সত্যি! হালান্ড, নেইমার, মেসি, রোনাল্ডো, ইয়ামালদের নামে কয়েক হাজার ছেলের নাম রাখা হয়েছে।
শুনতে আশ্চর্য লাগলেও সত্যি! হালান্ড, নেইমার, মেসি, রোনাল্ডো, ইয়ামালদের নামে কয়েক হাজার ছেলের নাম রাখা হয়েছে। তবে তাঁদের নিজেদের দেশে নয়। এই ঘটনা ঘটেছে পেরুতে। বিশ্বকাপের মাঝে দক্ষিণ আমেরিকার দেশে যত শিশু জন্মেছে, তার মধ্যে ৪৬৮ জনের নাম হালান্ডের নামে রাখা হয়েছে। পেরুর শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম ‘পেরু ২১’-র এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই চমকপ্রদ তথ্য।
আরও পড়ুন:
হালান্ড-উন্মাদনা এতটাই তুঙ্গে যে শুধু ডাকনাম রেখেই ক্ষান্ত হচ্ছেন না অনেকে। পেরুর অন্তত ৯১ জন অভিভাবক তাদের সন্তানের পুরো নামই রেখেছেন ‘আর্লিং হালান্ড’। ৪ জনের নাম রাখা হয়েছে 'আর্লিং ব্রাউট হালান্ড।' বলে রাখা ভালো, ব্রাউট হালান্ডের মায়ের নাম। আর বাবার নাম থেকে তার নামের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে হালান্ড। সেদেশে এখন স্লোগান উঠেছে, 'হালান্ড এখন সব জায়গায়।'
তবে বাকি তারকাদের কাছে এই দৌড়ে হালান্ড অনেকটাই পিছিয়ে। পেরুতে ফুটবল তারকাদের নামে সন্তানের নাম রাখার ঘটনা নতুন নয়। তথ্য অনুযায়ী, ৩৪০২ জনের নাম রাখা হয়েছে ‘মেসি’, যার মধ্যে ২৯২ জনের পুরো নাম ‘লিওনেল মেসি’। সেখানে কিছুটা পিছিয়ে পর্তুগালের কিংবদন্তি ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। তাঁর নামে নাম রাখা হয়েছে ১,১৮৫ জনের।
আরও পড়ুন:
পেরুর জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন সংস্থার মুখপাত্র ইভান তোরেস বলেন, "ফুটবল তারকারা পেরুর মানুষের জন্য অনুপ্রেরণা। তাই অনেকেই নিজেদের সন্তানের নাম তাদের নামে রাখেন।" নরওয়ের নকআউট পর্বে ওঠার পর সেই সংখ্যা আরও দ্রুত বৃদ্ধি পায়। মজার ছলে তিনি বলেন, হালান্ডও একজন পেরুভিয়ান। উল্লেখ্য, প্রেমিকা ইসাবেল হাউগসেং জোহানসেনের সঙ্গে এক ছেলে আছে হালান্ডের।
লাতিন আমেরিকার দেশগুলোতে ফুটবলারদের নামে নাম রাখার সংস্কৃতি বেশ পুরনো। সেখানে এতদিন ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলত। এবার সেই মহাদেশে ঢুকে পড়েছেন এক নরওয়েজিয়ান ফুটবলার। মাঠের গোলবন্যার মতো পেরুর ঘরে ঘরেও এখন শুধুই ‘হালান্ড’ নামটির জয়জয়কার! নরওয়ে অবশ্য ইংল্যান্ডের কাছে হেরে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছে।