ছাব্বিশ ভোটের আগে দুর্গা-শরণ! ৩ বছর পর শারদোৎসবে বিজেপি, দেখুন খুঁটিপুজোর ছবি
সল্টলেকের খুঁটিপুজোয় হাজির ছিলেন বিজেপির সেলেব নেতারাও।
রবিবার সকালেই সল্টলেকের ইজেডসিসি অডিটোরিয়ামের সামনের জমিতে খুঁটিপুজো ঘিরে গেরুয়া শিবিরের চাঁদের হাট। শমীক ভট্টাচার্য থেকে শুরু করে সেলিব্রিটি রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, রুদ্রনীল ঘোষ, কৌশিক রায়-সহ বহু চেনা মুখ দেখা গেল সেখানে। ছিলেন প্রচুর মহিলা কর্মী। শমীক, রূপা, রুদ্রনীলরা খুঁটিপুজোয় অঞ্জলিও দিলেন ভক্তিভরে।
আরও পড়ুন:
বঙ্গ দখলকে পাখির চোখ করার পর থেকে গোবলয়ের রাজনৈতিক দলের তকমা ঝেড়ে ফেলে বিজেপি 'বাঙালি' হয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। এমন সমালোচনা শোনা যায় ওয়াকিবহাল মহলে। সেই লক্ষ্যে ২০২০ সালের, করোনার সময় নিজেদের আয়োজনে দুর্গাপুজো শুরু করেছিলেন সুকান্ত মজুমদার, দিলীপ ঘোষ। সেবার ইজেডসিসির দুর্গাপুজো ভারচুয়ালি উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ষষ্ঠীর দিন তিনি বাংলায় বার্তা দিয়েছিলেন বঙ্গবাসীকে।
বিজেপির ফের দুর্গাপুজোয় আগ্রহের নেপথ্যে অবশ্য আরও একটি কারণ রয়েছে বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের। সম্প্রতি ভিনরাজ্যে বাংলা ভাষা ও বাঙালি হেনস্তার যে লাগাতার অভিযোগ উঠেছে, আর তার প্রতিবাদে যেভাবে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল মাঠে নেমেছে, তাতে অশনি সংকেত দেখছে বিজেপি। কারণ, বেশিরভাগ বিজেপি শাসিত রাজ্য থেকেই বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ উঠেছে। তার মোকাবিলায় বাঙালি-প্রীতি প্রদর্শনের রাস্তা নিয়েছে বঙ্গের পদ্ম ব্রিগেড। তারই অনুসঙ্গে হয়ত...
আরও পড়ুন:
রবিবার খুঁটিপুজোর পর শমীক ভট্টাচার্যর বক্তব্য, ''দেবী দুর্গা বাঙালির প্রতিদিনের সঙ্গী। বিশ্বের যেখানেই বাঙালি, সেখানেই দুর্গাপুজো হয়। এই বাংলা বহু বছর ধরে হিন্দু-মুসলিম একসঙ্গে পুজোর আয়োজন করে থাকে। এখনও এই ধারা চলছে। ইদানিংকালে এসব নিয়ে খানিকটা তর্কবিতর্ক চলছে। তবে আমি বসিরহাটের বিধায়ক থাকার সুবাদে নিজের চোখে দেখেছি যে ওখানে ৩৩৪ বছরের পুরনো এক দুর্গাপুজোয় কাঠামোপুজোর আয়োজন করতে একটি মুসলিম পরিবার। আমি মনে করি, একদিন দুর্গাপুজোর...